ঢাকা শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬

টাইটান দুর্ঘটনা নিয়ে যা বললেন ‘টাইটানিক’ নির্মাতা


বিনোদন ডেস্ক photo বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৩-৬-২০২৩ দুপুর ১১:৪৩

মানুষের মনে কত ধরনের কৌতূহল থাকে। রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার নেশা জাগে কারো কারো। সেই নেশা কাটাতেই কেউ আবার যাত্রা করেন অসম্ভবকে জয় করার মিশনে। তেমনই এক রোমাঞ্চকর যাত্রার সাক্ষী হতে চেয়েছিলেন পাঁচ ব্যক্তি। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, এ যাত্রা যে তাদের আর ফেরাবে না তখন কে জানত!

হ্যাঁ, বলা হচ্ছে আটলান্টিক মহাসাগরের তলদেশে পড়ে থাকা টাইটানিক জাহাজের ধ্বংসাবশেষ দেখতে যাওয়া পাঁচ আরোহীর কথা। গত রোববার (১৮ জুন) তারা ছোট আকৃতির ডুবোযান টাইটানে করে সমুদ্রে ডুব দেয়। এর ১ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট পরই এটির সঙ্গে উপরে থাকা জাহাজের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপরই শুরু হয় উদ্ধার অভিযান।

এবার বিষয়টি নিয়ে কথা বললেন বিখ্যাত হলিউড সিনেমা ‘টাইটানিক’ ছবির পরিচালক জেমস ক্যামেরন। তিনি জানান, আটলান্টিক মহাসাগরের তলদেশে ‘টাইটান’ নিখোঁজের খবর জানার পরই তিনি সাবমেরিনটির পরিণতি বুঝতে পেরেছিলেন।

বিবিসিকে ক্যামেরন বলেন, ‘কী ঘটেছে, তা আমি হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছি। সাবমেরিনটির ইলেকট্রনিক ব্যবস্থা, যোগাযোগব্যবস্থা ও ট্র্যাকিং ট্রান্সপন্ডার একই সঙ্গে নিষ্ক্রিয় হয়েছে। এই তথ্য জেনে তৎক্ষণাৎ বুঝতে পেরেছি, সাবমেরিনটি শেষ। কেননা, একটি চরম বিপর্যয়মূলক ঘটনা ছাড়া এগুলো একত্রে নিষ্ক্রিয় হতে পারে না।’

ক্যামেরন জানান, গত রোববার টাইটান যখন নিখোঁজ হয়, তখন তিনি একটি জাহাজে ছিলেন। সোমবার পর্যন্ত তিনি টাইটানের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে কিছুই জানতেন না।

ঘটনাটি জানার পর ক্যামেরনের মাথায় প্রথমেই যে বিষয়টি এসেছিল, তা হলো—বিস্ফোরণ। এই নির্মাতার কথার সঙ্গে মিলে যায় যুক্তরাষ্ট্রের কোস্টগার্ডের রিয়ার অ্যাডমিরাল জন মুগের কথা।

বৃহস্পতিবার (২২ জুন) সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, টাইটানিক জাহাজের ধ্বংসাবশেষের কাছেই অপর একটি ধ্বংসাবশেষের খোঁজ পান। সেখানে ডুবোযান টাইটানের পাঁচটি বড় অংশ পাওয়া যায়। আর এসব অংশ দেখে নিশ্চিত হওয়া গেছে, পানির নিচে যাওয়ার পর এতে বিস্ফোরণ হয়েছিল।

১৯১২ সালে উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে টাইটানিক জাহাজটি ডুবে যায়। আটলান্টিকের তলদেশে ১২ হাজার ৫০০ ফুট গভীরে জাহাজটির ধ্বংসাবশেষ রয়েছে। ‘টাইটানিক’ সিনেমা নির্মাণের জন্য টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ দেখতে ক্যামেরন ৩৩ বার আটলান্টিক মহাসাগরের তলদেশে গিয়েছিলেন। এরপর ১৯৯৭ সালে তিনি নির্মাণ করেন ‘টাইটানিক’ চলচ্চিত্রটি।

প্রসঙ্গত, বেসরকারি সংস্থা ওশেনগেট ‘টাইটান’ নামের এ ডুবোযানটি পরিচালনা করত। সংস্থাটি এক বিবৃতিতে জানায়, যানটিতে থাকা তাদের সিইও স্টকটন রাসম, শাহজাদা দাউদ এবং তার ছেলে সুলেমান দাউদ, হামিস হার্ডিং এবং পল-হেনরি নারগোলেট সবাই এ দুর্ঘটনায় মারা গেছেন।

ওশেনগেটের এ যানটিতে করে টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ দেখতে একেকজন যাত্রী ২ লাখ ৫০ হাজার ডলার খরচ করেছিলেন। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২ কোটি ৭০ লাখ টাকা।

শাফিন / শাফিন

যে গানের নেপথ্যে চা শ্রমিকদের নির্মম বাস্তবতার ইতিহাস

উত্তম-সুচিত্রা থেকে দেব-কোয়েল, তারকাদের আসল নাম জানেন কি?

হঠাৎ হাসপাতালে ভাস্কর ব্যানার্জি, কী হয়েছে অভিনেতার?

নতুন গল্পের খোঁজে রাজীব, সুমন ও খসরু

হলিউড ওয়াক অব ফেমে গিয়ে যে কারণে আপ্লুত সাফা কবির

ঢাকার মঞ্চে আসছে পাওলো কোয়েলহোর ‘দ্য আলকেমিস্ট’

চার সিনেমার প্রস্তাব, অপূর্ব কি ফিরবেন বড় পর্দায়?

বিয়ে করলেন অর্জুন রামপাল! পাত্রী কে?

নতুন লুকে জায়েদ খান, মুক্তি পেল ‘শিকারি’

তৃতীয় সন্তানের মা হচ্ছেন কারিনা, যা জানা গেল

হাওর অঞ্চলের মানুষের গল্পে রুনা খান

আলোচিত ‘দ্য ব্যাডস অব বলিউড’-এর দ্বিতীয় সিজন কি আসছে?

রাতে টিএসসিতে গাইবে ‘আভাস’, ভক্তদের আমন্ত্রণ তুহীনের