ঢাকা রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬

মেসির স্বপ্নপূরণের দুই বছর!


স্পোর্টস ডেস্ক  photo স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১-৭-২০২৩ দুপুর ১:২

মারাকানা স্টেডিয়ামে সেদিন দর্শক ছিল মোটে ৫ হাজার। তাতে আর্জেন্টাইন সমর্থক খুব বেশি ছিল না। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিলের মাঠে কোপা আমেরিকার ফাইনাল খেলতে নেমেছিল লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা। প্রতিপক্ষ সেই ব্রাজিলই। এই মাঠ মেসির কাছে খুব ভালোভাবেই চেনা। এখানেই ২০১৪ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে জার্মানির কাছে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল খুদে ফুটবল জাদুকরের। 

এরপরের গল্পটা সবারই জানা। অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়ার গোলে ২৮ বছরের শিরোপাখরা ঘুচিয়েছিল আর্জেন্টিনা। এর আগেও কোপা আমেরিকার অনেক শিরোপা জিতেছে আকাশী-সাদা বাহিনী। তবে, ২০২১ সালের এই শিরোপার মাহাত্ম্য হয়ত অন্য যে কোনো আসরের চেয়ে বেশি। 

কারণটা একজনই। লিওনেল মেসি। ২০০৫ সালে অভিষেকের পর থেকে ফুটবলের সবকিছুই জেতা হয়েছিল এই আর্জেন্টাইনের। ক্লাব ফুটবলে বার্সেলোনার হয়ে জিতেছিলেন সম্ভাব্য সব শিরোপা। ব্যক্তিগত অর্জনেও ছিলেন অনন্য। ৬ বার বর্ষসেরা ফুটবলারও হয়েছেন ততদিনে। কিন্তু, জার্সি যখন আর্জেন্টিনার, মেসি তখন হতাশার এক উদাহরণ। 

ক্যারিয়ারের শুরুতে ২০০৭ সালে ব্রাজিলের কাছেই কোপা আমেরিকায় হার। এরপর ২০১৪ সালের বিশ্বকাপ, ২০১৫ ও ২০১৬ সালে কোপার ফাইনালে স্বপ্নভঙ্গ। সবমিলিয়ে আর্জেন্টিনার জার্সিতে মেসি মানেই হতাশা। সব হিসেব অবশ্য বদলে যায় সেদিন। ব্রাজিলের ঐতিহাসিক মারাকানা স্টেডিয়ামে ফাঁকা গ্যালারির সামনে আর্জেন্টিনার হয়ে প্রথম শিরোপা পেয়েছিলেন তিনি। অলিম্পিক বাদ দিলে, ম্যারাডোনা পরবর্তী যুগে এটিই ছিল আর্জেন্টিনার প্রথম শিরোপা। 

ফাইনালের মঞ্চে গোল অ্যাসিস্ট না পেলেও পুরো টুর্নামেন্টে দারুণ ছন্দে ছিলেন মেসি। পুরো টুর্নামেন্টে ৪ গোল আর ৫ অ্যাসিস্ট করে সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারও পেয়েছিলেন তিনি। 

আর্জেন্টিনার বদলে যাবার শুরুটাও হয়েছিলো ওই কোপা আমেরিকা থেকেই। দীর্ঘদিনের গোলরক্ষক সমস্যার ইতি ঘটিয়ে সেবারই এসেছিলেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। সেমিফাইনালে টাইব্রেকার আর ফাইনালের মহারণে যিনি নিজেকে প্রমাণ করেছিলেন। 

ডিফেন্সে তরুণ রোমেরোর সাথে ছিলেন অভিজ্ঞ ওটামেন্ডি। মার্কাস আকুনা, মন্টিয়েল, ডি পলদের প্রত্যেকেই খেলেছিলেন পরিণত ফুটবল। সেদিনের পর থেকেই এক অন্য আর্জেন্টিনাকেই দেখেছিলো বিশ্ব। 

কোপা আমেরিকার পর ইউরোপ সেরা ইতালির সাথে ফিনালিসসিমার দাপুটে জয় আকাশী-নীল শিবিরে এনেছিল বাড়তি অণুপ্রেরণা। টানা ১৬ বছর ট্রফিশুন্য থাকা মেসি দুই বছরে বুঝে পেয়েছিলেন দুই শিরোপা। আর চক্রপূরণের শেষটা করেছেন কাতারে, ২০২২ সালে। যেদিন লুসাইল স্টেডিয়ামে জিতেছিলেন বহু আরাধ্য বিশ্বকাপ। মেসি নিজেও মনে রেখেছেন ঐতিহাসিক এই দিনটিকে। ইন্সটাগ্রামে ট্রফি উঁচিয়ে ধরার পূর্ব মুহূর্তের ছবি পোস্ট করে লিখেছেন ‘২ বছর’। এমন দিনকে স্মরণ না করে উপায় কি! আর্জেন্টিনাও শিরোপা জিততে জানে, এমন বিশ্বাসের শুরুটা হয়েছিল সেদিনই। 

আত্মবিশ্বাসী সেই আর্জেন্টিনা পরে জয় করেছে বিশ্বকাপটাও। মেসিও প্রমাণ করেছিলেন আর্জেন্টিনার জার্সিতেও তার সফল হওয়া সম্ভব। 

এমএসএম / এমএসএম

১১ বছর পর মাঠে ফিরছেন রোনালদিনহো, ১৫ নভেম্বর অভিষেক র‍্যাভেনার জার্সিতে

ম্যারাডোনার মৃত্যুর মামলার রায় ২২ ডিসেম্বর

‘ড্যাফোডিল ক্যাপ্টেন কাপ গলফ টুর্নামেন্ট’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

‘ডিফেন্সিভ চিন্তা থাকলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সফল হওয়া কঠিন’

কেইনের নৈপুণ্য ম্লান করে শেষ মুহূর্তে আর্সেনালকে বাঁচালেন রাইস

এল ক্লাসিকোর আগে রদ্রিকে বিশ্রাম দেয়া প্রয়োজন ছিল : ফ্লিক

‘বিদেশের মাঠে ব্যাটিং ব্যর্থতার কারণ স্কিল নয়, মানসিকতা’

বড় জয়ে এল ক্লাসিকোর প্রস্তুতি সারল রিয়াল মাদ্রিদ

বার্সেলোনাকে দেখিয়ে দিলাম, আমরাই সেরা: আশরাফ হাকিমি

৭ গোলের রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে লিভারপুলের জয়

নারী বিশ্বকাপের সূচি প্রকাশ, বাংলাদেশের ম্যাচ কবে

আম্পায়ারিংয়ের ‘চুরি’ ধরতে ড্রোন কিনবে বিসিবি

বাঁচা-মরার লড়াইয়ে আফগানিস্তানের মুখোমুখি বাংলাদেশ