সোর্সের তথ্যের অপেক্ষায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
আনসারুল্লাহ বাংলা টিম বা আনসারুল্লাহ ইসলামী দল ও জেএমবি সক্রিয় থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর তৎপর থাকা জঙ্গী সংগঠনের নামকরন করা হয়েছে নব্য জেএমবি। সারাদেশে জঙ্গীরা তৎপর রয়েছে ২০০৫ সালের আগস্ট থেকে প্রায় দেড় যুগ। সোর্সের তথ্যের অপেক্ষায় রয়েছে দেশে কার্যকর থাকা গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। তবে এসকল বাহিনীর অগোচরেই প্রশিক্ষণ নিচ্ছে জঙ্গী সদস্যরা।
অভিযোগ রয়েছে, এ নব্য জেএমবি পুলিশেরই নামকরন। আরো অভিযোগ রয়েছে আকস্মিকভাবে একটি ঘটনা ঘটার পর কয়েকদিন নড়েচড়ে বসে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সোর্সের তথ্যের ভিত্তিতেই ঘটনাস্থলে পৌছে যায় পুলিশ, র্যাব, ডিবি, সিআইডি, পিবিআই, কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটসহ সোয়াট টিম। এরপর আবারও প্রশাসনের ঢিলেঢালা অবস্থানে গোয়েন্দা সংস্থার অগোচরেই কার্যক্রম চালাচ্ছে জঙ্গীরা। ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত জঙ্গীদের তৎপরতা বন্ধ করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
দেশব্যাপী নাশকতার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারে বিভিন্ন সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সচেষ্ট থাকার কথা বললেও জঙ্গী আক্রমনের পরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নানা তৎপরতা বেড়ে যায়। প্রশ্ন উঠেছে এ ধরনের তৎপরতা সরকারকে আইওয়াশ কিনা। অথচ দেশব্যাপী অপতৎপরতা চালাতে জঙ্গীরা জনগণকে জানান দিতে নাশকতার লিফলেট বিতরণ অব্যাহত রেখেছে। চট্টগ্রামে এ পর্যন্ত জঙ্গীদের সন্ধান মিলেছে এমন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোর মধ্যে হাটহাজারী, সীতাকুন্ড, মীরসরাই, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, কক্সবাজারসহ বিভিন্ন পাহাড়ী এলাকা। তবে এসব এলাকায় তখন র্যাবের ফোন নাম্বারও দেয়া হয়েছে জঙ্গীদের সন্ধানে।
র্যাবের ইন্টেলিজেন্স টিম এ বিষয়ে সক্রিয় থাকলেও ২০১৭ সালে সীতাকুন্ডে আবাসিক ভবনে জঙ্গীর অবস্থান নিশ্চিত করেছে বাড়ীর মালিক নিজেই। অভিযোগ উঠেছে সেই সাধন কুঠিরের মালিক শুভাশিষ দম্পতি ও স্বপ্ননীড়ের বাসিন্দাদের কয়েকদিনের জন্য পুলিশ নিরাপত্তা জোরদার করলেও পরবর্তীতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে হয় বসবাসকারীদের।
সর্বশেষ বিশাল অভিযান হয়েছিল ২০১৫ সালে। হাটহাজারীর একটি মাদ্রাসায় অভিযানের পর র্যাবের এক তথ্যে প্রকাশ পেয়েছে, জঙ্গীরা চানচুয়ান, দাউসু, গুনসু, জিয়ানসু, জিয়াংসু, নানসুয়ান, নান্দাও, নানগুন, তাইসিসুয়ান, তাইসি জিয়ান ও চানসা নামক ভাষা ও বিভিন্ন ইভেন্টের উপর প্রশিক্ষণ রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে গ্রেফতার হওয়াদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল একে-৪৭ রাইফেল প্রশিক্ষণের ভিডিও চিত্র, সিরিয়ায় আইএসআই-এর জঙ্গী প্রশিক্ষণ, আল নুসরা ট্রেনিং ভিডিও, আল কায়েদার ট্রেনিং ভিডিও, হামাস ও হিজবুল্লাহ গেরিলার ট্রেনিং ভিডিও, আনসার উল্লাহ বাংলা টিমের প্রশিক্ষণ ভিডিও চিত্র পাওয়া গেছে তাদের কাছ থেকে।
এছাড়াও গত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন উড়োজাহাজ হাইজ্যাক করার ভিডিও, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিসহ দেশের উচ্চ পর্যায়ের মানুষদের অপহরণ ও নির্যাতনের ভিডিও চিত্র, ওসামা বিন লাদেন এবং আইমান আল জাওয়াহিরির বক্তব্য ও সাক্ষাতকার। আফগান যুদ্ধসহ বিভিন্ন স্থানে বোমা হামলার দৃশ্য ভিডিও আকারে দেখিয়ে জঙ্গী প্রশিক্ষণ দেয়া হয় এমন তথ্য র্যাবের এক অভিযানের। তবে সীতাকুন্ডের জঙ্গীরা এমন প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত কিনা তাও মানুষের অজ্ঞাত রয়ে গেল সুইসাইটের কারনে।
দেশব্যাপী বিশাল নেটওয়ার্ক হাতে নিয়ে জঙ্গীরা মাঠে কাজ করলেও ধরা ছোয়ার বাইরে রয়ে যাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার ঢিলেমি আর দায়িত্বহীনতার কারনে। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও পালানো জঙ্গীরা দেশের বিভিন্ন স্থানে জঙ্গী হামলার নীলনক্সা তৈরি করেছে কিনা তা খতিয়ে দেখার তথ্য জানাতে পারছে না বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও তদন্তকারী সংস্থাগুলো। চরম দায়িত্বহীনতার মধ্যে তদন্তসংস্থা গুলো কাজ করায় জঙ্গী হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে মন্তব্য করেছেন অপরাধ বিশেজ্ঞরা।
এমএসএম / এমএসএম
ভূরুঙ্গামারীতে বিদেশে পাঠিয়ে উপকার করার পর হুমকি ও মারধরের অভিযোগ
নালিতাবাড়ীতে স্বপ্নময় মানবকল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে কম্বল বিতরণ
গলাচিপায় গণভোট জনসচেতনতায় ওপেন এয়ার কনসার্ট
সরিষাবাড়িতে আইন-শৃংখলা ও মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত
কোটালীপাড়ায় গণভোট সচেতনতা সৃষ্টিতে শিক্ষক ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে অবহিতকরণ সভা
ঠাকুরগাঁওয়ে তিন লাখ টাকার ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার
অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে যৌথবাহিনী যথা যথ ভূমিকা পালন করবে: নৌবাহিনী প্রধান এম নাজমুল হাসান
মাদারীপুর জেলা শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ নির্বাচিত হওয়ায় সংবর্ধনা
নোয়াখালীতে ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ভূমি দখল, হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ
সংস্কার ইস্যুতে গণভোট নিয়ে অজ্ঞতা: মনপুরায় নেই তেমন প্রচার-সচেতনতা
জয়পুরহাটে ০১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেকুন নাহার শিখা
ঘোড়াঘাটে জুয়া ও মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশের ওপর হামলা,গুলিবর্ষণ;গ্রেপ্তার-৫