মার্কেট কর্তৃপক্ষের অভিযোগ থানা পুলিশ এবং ট্রাফিক পুলিশকে ম্যানেজ করে চলছে ব্যবসা
হিরুর নেতৃত্বে মিরপুর-১ নাম্বারের রাস্তাসহ ফুটপাত দখল করে চলছে ব্যবসা
রাজধানীর মিরপুর-১ দারুস সালাম থানাধীন মুক্তিযোদ্ধা হক প্লাজার স্বত্বাধিকারী হিরুর নেতৃত্বে ফুটপাথসহ প্রধান সড়কের অর্ধেকটা দখল করে চলছে হকারদের রমরমা ব্যবসা। ফুটপাথ ছাড়িয়ে প্রধান সড়কের প্রায় অর্ধেক রাস্তা দখল করে ব্যবসা করছে ফুটপাত দোকানিরা।
মিরপুর-১ নম্বর গোলচত্বর থেকে শাহআলী মাজার যেতে বিশাল চওড়া রাস্তার অর্ধেকের বেশি দখল করে আছে হকাররা। ক্রেতা-বিক্রেতা একাকার হয়ে যায় প্রধান সড়কেই। এসব এলাকার রাস্তা এবং ফুটপাথের অবস্থা বেগতিক।ফুটপাতের একাধিক দোকানিরা অভিযোগ করে বলেন, প্রসাশনসহ সরকার দলীয় নেতা -কর্মীরা এসব টাকা খাচ্ছে।
জানা যায় মুক্তিযোদ্ধা হক প্লাজার স্বত্বাধিকারী হিরু ফুটপাত ও রাস্তা দখল করে দোকান বসিয়েছে ৩১ টি প্রতিটি দোকান থেকে চাঁদা তোলা হয় ৫০০ টাকা করে। গড়ে প্রতিদিন চাঁদা তোলা হয় ১৫ হাজার ৫০০ টাকা মাসে ৪৬৫০০০ টাকা। এসব দোকান বসাইতে অগ্রিম এডভান্স ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকা করে নেওয়া হয় । আর এই চাঁদা কালেকশন করেন মিরাজ।
অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসনকে ম্যানেজ করে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে রাস্তাকে পজিশন হিসেবে বিক্রি করা হয়েছে। ফলে সেখানে বসে নিশ্চিন্তে ব্যবসা করছে হকাররা। এসব হকারদের কারণে চরম ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন মার্কেটের ব্যবসায়ীরাও। তাদের অভিযোগ ফুটপাথ, রাস্তা দখল করে হকার বসিয়ে স্থানীয় নেতারা প্রতিদিন কয়েক লাখ টাকা চাঁদাবাজি করছে। যার ভাগ প্রশাসনের বিভিন্ন মহলেও পৌঁছে যাচ্ছে এমনকি সরকার দলীয় নেতা-কর্মীরাও বাদ নেই। কিন্তু এ কারণে মূল মার্কেটে ব্যবসা কমে যাচ্ছে।
থানা পুলিশ, ট্রাফিক পুলিশ সব দেখেও করছে না দেখার ভান কিন্তু কেউ কিছুই বলছে না। মার্কেটের কয়েকজন ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করে বলেন, হকারদের উৎপাতে আশপাশের মার্কেটগুলোর ব্যবসায়ীরা সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। রাস্তা, ফুটপাথ বন্ধ থাকার কারণে ক্রেতারা মার্কেটে আসতে পারে না। যার কারণে তাদের বিক্রিও তেমন হয় না। এসব বিষয়ে কথা বলতে গেলে দখলদার সন্ত্রাসীরা নানা ধরনের হুমকি দিতে শুরু করে। শুধু তাই নয়, মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দিয়ে থাকে।
মুক্তিযুদ্ধ হক প্লাজার চাঁদা তোলার বিষয়ে মিরাজের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমরা সবকিছু ম্যানেজ করেই ফুটপাতের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছি। তিনি আরও বলেন দারুস সালাম থানার পুলিশ ফাঁড়ি, মিরপুর-১ নাম্বার পুলিশ বক্সের টি আই এবং দারুসসালামের পেট্রোল ইন্সপেক্টরকে আমরা ম্যানেজ করে এটা করছি।
এ বিষয়ে মিরপুর জোনের ডিসি জসিম মোল্লা বলেন এ বিষয়ে আমি কিছু বলতে চাচ্ছিনা, সংশ্লিষ্ট থানার সাথে কথা বলেন।
দারুস সালাম থানা পেট্রোল ইন্সপেক্টর জাহিদ বক্সীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমরা প্রতিনিয়ত ফুটপাতে অভিযান চালাচ্ছি এবং ওনারা যেটা অভিযোগ করেছে আমাদের সুবিধা দেয়ার বিষয়ে এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা।
ফুটপাতের বিষয় নিয়ে দারুস সালাম থানার আইসি শরিফুজ্জামানের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন সবকিছুতে শুধু পুলিশের দোষ হয় । এখানে আরও নেতারাও তো জড়িত আছে তাদেরকে বলেন। আপনি যেহেতু আমাদেরকে বললেন বিষয়টা আমি অবশ্যই ব্যবস্থা নিব।
এমএসএম / এমএসএম
বাংলাদেশ কংগ্রেস নেতাকে হত্যার হুমকি
তেজগাঁওয়ে জামায়াতের ইউনিট প্রতিনিধি সম্মেলন
সমন্বিত নিরাপত্তা জোরদারে আনসার ও বিসিবির চুক্তি স্বাক্ষর
বিদেশে বিনিয়োগকৃত কোম্পানীর বিরুদ্ধে বিতর্কিত নথি ব্যবহারে প্রবাসী কর্মীকে বঞ্চিত করার অভিযোগ
শ্রমিক দিবস প্রতিবছর আসে মেহনতী পরিবহন শ্রমিকরা অবহেলিত থেকে যায়
উত্তরায় ২,৬০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার
বাংলাদেশে নেপাল ফটো সাংবাদিক সফরত বিপিজেএ উদ্যাগে কক্সবাজার ভ্রমন
উত্তরায় ২,৬০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার
ডেমরায় কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ারের ৪ ইউনিট
অস্ত্র-ড্রোনসহ ‘উগ্রবাদী সংগঠনের’ ৪ সদস্য গ্রেপ্তার
কর্মস্থলে অনুপস্থিতি: মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তাকে শোকজ
২০ তম বিসিএস ব্যাচের মেধাবী ও পেশাদার কর্মকর্তারা পদোন্নতি বঞ্চিত, পুনর্বিবেচনার মাধ্যমে ন্যায় বিচার চান