চট্টগ্রামে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল প্রস্তুত উদ্বোধনের অপেক্ষায়
বাংলাদেশে প্রথম কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে চট্টগ্রামের পতেঙ্গার সঙ্গে আনোয়ারাকে যুক্ত করা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল,উদ্বোধনের অপেক্ষায়।প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেছেন, টানেলের মূল কাজ শেষ হয়েছে। যানবাহন চলাচলের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। বর্তমানে উদ্বোধনের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে দেশের প্রথম এই টানেল আগামী ২৮ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার টানেল প্রকল্পের উদ্বোধনের কথা রয়েছে।কর্ণফুলী নদীর তলদেশে ১৮ থেকে ৩১ মিটার গভীরে টানেলটি নির্মাণ করা হচ্ছে। মূল টানেলের দৈর্ঘ্য ৩.৩২ কিলোমিটার। চার লেন বিশিষ্ট দুটি টিউবের প্রতিটির দৈর্ঘ্য ২.৪৫ কিলোমিটার। গত বছরের ২৬ নভেম্বর টানেলের দক্ষিণ প্রান্তের একটি টিউবের পূর্তকাজের সমাপ্তি উদযাপন করা হয়েছে। এই উদযাপন অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।এ ছাড়া, মূল টানেলের পশ্চিম ও পূর্ব প্রান্তে ৫ দশমিক ৩৫ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক এবং আনোয়ারা প্রান্তে ৭২৭ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি ফ্লাইওভার থাকবে।টানেল উদ্বোধনের বিষয়ে গত ১৬ আগস্ট রাজধানীর বনানীর সেতু ভবনে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের উদ্বোধন উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন,আগামী ২৮ অক্টোবর কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মাণাধীন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল উদ্বোধন করা হবে। এটির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বর্তমানে টানেলের ভেতরের টেকনিক্যাল নানা বিষয়ের কাজ চলছে।টানেল নির্মাণ প্রকল্পের পরিচালক মো. হারুনুর রশীদ দৈনিক সকালের সময় কে বলেন,পুরোপুরি প্রস্তুত মূল টানেল যানবাহন চলাচলের জন্য ।পুরো টানেল প্রকল্পের অগ্রগতি ৯৮ শতাংশ,এখন নিরাপত্তার বিষয়ে যেমন ফায়ার সার্ভিস ও থানা ভবনসহ অন্যান্য কাজ চলছে।তিনি আরও বলেন,যেহেতু মন্ত্রী মহোদয় ২৮ অক্টোবর টানেল উদ্বোধনের কথা বলেছেন। এর আগেই প্রকল্পের কাজ শেষ করতে পারবো বলে আমরা আশাবাদী। শেষ না হলেও সমস্যা নেই। কেননা মূল টানেল যান চলাচলের জন্য শতভাগ প্রস্তুত।এদিকে,কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে চট্টগ্রামের পতেঙ্গার সঙ্গে আনোয়ারাকে যুক্ত করা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের টোল হার নির্ধারণ করা হয়েছে। গত ১৩ জুলাই যানবাহনের শ্রেণি অনুযায়ী টোল হার চূড়ান্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সেতু বিভাগ।প্রকল্প সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, টানেলের নিরাপত্তায় বসানো হচ্ছে দুইপ্রান্তে চারটি করে আটটি স্ক্যানার। ফায়ার সার্ভিস স্টেশন ছাড়াও হচ্ছে দুই পাশে দুটি পুলিশ ফাঁড়ি।টানেল চালু হলে কর্ণফুলী নদী পাড়ি দিতে সময় লাগবে মাত্র তিন মিনিট। সময় বেঁচে যাওয়ায় অর্থনীতি গতি পাবে। টানেলকে ঘিরে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে চট্টগ্রাম নগরী এবং পর্যটন নগরী কক্সবাজারের সড়ক যোগাযোগে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।২০১৫ সালের নভেম্বরে অনুমোদন পায় প্রকল্পটি,২০১৬ সালের
১৪ অক্টোবর ২০১৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু টানেলের নির্মাণকাজ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। শুরুতে এর ব্যয় ধরা হয়েছিল
৮ হাজার ৪৪৬ দশমিক ৬৪ কোটি টাকা। পরবর্তী সময়ে তা বৃদ্ধি পেয়ে হয় ১০ হাজার ৩৭৪ দশমিক ৪২ কোটি টাকা। এর মধ্যে চীনের এক্সিম ব্যাংক ২ শতাংশ সুদে ৫ হাজার ৯১৩ দশমিক ১৯ কোটি টাকা দিচ্ছে। বাকি টাকা দিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার।
এমএসএম / এমএসএম
মধুখালীতে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত
রাণীশংকৈলে উত্তম কৃষি পদ্ধতির মাধ্যমে টেকসই, নিরাপদ ও মান-সম্মত খাদ্য উৎপাদন বিষয়ক কর্মশালা
সিংড়ায় ৪ হাজার কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে আউশ ধানের বীজ বিতরণ
সংবাদ প্রকাশের পর অসহায় ছবদের আকন্দের ঘরে ছুটে গেলেন ইউএনও আরিফ উল্লাহ নিজামী
মনোহরগঞ্জে ঘূর্ণিঝড়ে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন উপজেলার ১১ টি ইউনিয়নে ২৮ হাজার পরিবার
কালিয়ায় পার্টনার প্রোগ্রামের আওতায় ফিল্ড টেকনোলজি ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত
বাঘা থানার অভিযানে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক
নোয়াখালীতে মাইক বাজিয়ে আ.লীগের স্লোগান, পুলিশ দেখে পালালো যুবক
ভোলায় ইজিপিপি’র আওতায় খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন
হাতিয়ায় বজ্রপাতে এক যুবকের মৃত্যু
নড়াইলে সলতান স্মৃতি সংগ্রহশালা পরিদর্শন করলেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার
ভূরুঙ্গামারীতে “নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস কমিটি”র সভা অনুষ্ঠিত
ধামরাইয়ে ৬০০ লিটার ডিজেল জব্দ
Link Copied