ঢাকা সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬

কক্সবাজার কারা হেফাজত থেকে পালালেন মহিলা আসামী


শাহেদ ফেরদৌস হিরু, কক্সবাজার photo শাহেদ ফেরদৌস হিরু, কক্সবাজার
প্রকাশিত: ২৫-১০-২০২৩ রাত ১১:৪

কক্সবাজার জেলা কারাগারের হেফাজতে সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাশেদা বেগম (৩৫) নামের এক আসামী পালিয়েছেন।এদিকে কারা হেফাজত থেকে আসামী পালানোর ঘটনায় জেলা জুড়ে নিন্দা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে। আলোচিত এ ঘটনায় জেল সুপারসহ দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের দায়িত্ব অবহেলা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। 

বুধবার ২৫ অক্টোবর বিকাল ৫ টার দিকে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান ওই নারী।রাশেদা বেগম (৩৫) উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়ন ২নং ওয়ার্ডের উত্তর পুকুরিয়া এলাকার নজরুল হোসেনের মেয়ে। তিনি গত ১০ অক্টোবর উখিয়া থানার একটি অপহরণ মামলায় কারাগারে রয়েছেন।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার জেলা সুপার মোঃ শাহ আলম খান।

তিনি জানান, মঙ্গলবার রাত ৮ টার দিকে রাশেদা বেগম নামে এক আসামী অসুস্থ হয়ে যায়। তাৎক্ষণিক ইকবাল ও ইশরাত নামের দুই কারারক্ষী তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে ভর্তি দেন। পরদিন বিকাল ৫টার দিকে কারারক্ষীদের চোখ ফাঁকি দিয়ে ওই আসামী পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে অনেক খোজাখুজি করার পরেও কোন হদিস মেলেনি ওই আসামির। তবে তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।

স্থানীয়রা জানান, রাশেদা বেগম অপহরণকারী চক্রের সহযোগী। তিনি বিভিন্ন ছেলেকে প্রেমের প্রলোভনে ফেলে টেকনাফসহ বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে গিয়ে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করেন। সর্বশেষ গত ৫ অক্টোবর আব্দুল খালেক ও আব্দুল মালেক নামের দুই ব্যাক্তিকে টেকনাফ উপজেলার সদর ইউনিয়ন মহেশখালীয়া পাড়ায় ৬ দিন আটক রেখে তাদের পরিবারের কাছ থেকে ৮০ হাজার টাকা মুক্তিপণ আদায় করেন।

এ ঘটনার পর গত ১০ অক্টোবর উখিয়া কোটবাজার সোনারপাড়া রোডে রুমখা কুলালপাড়া এলাকায় স্থানীয়রা ওই মহিলাকে আটক করেন। পরবর্তীতে তারা উখিয়া থানা পুলিশকে খবর দিলে রাশেদা বেগমকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পরদিন অপহরণ মামলায় তাকে আদালতে প্রেরণ করলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠিয়ে দেন।

কক্সবাজার নাগরিক আন্দোলনের সদস্য সচিব এইচ এম নজরুল ইসলাম বলেন, অনেক সময় দেখা যায় হয়তো কোর্ট পুলিশের হেফাজতে থাকা আসামি পালিয়ে যায়। নয়তো কারাগার থেকে বিভিন্ন সময় চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা আসামিরা হাসপাতাল থেকে চিকিৎসারত অবস্থায় পালিয়ে যায়। এখানে আসামিদের অভিযুক্ত করে লাভ নেই কারণ ওরা অপরাধী ওরা চাইবে সবসময় তাদের সুবিধা মতো কাজ করতে বা পালাতে। কিন্তু এসব চিহ্নিত অপরাধীদের যারা নিরাপত্তা নিশ্চিত করে কারাগার থেকে নিয়ে আসার কথা তাদের ভূমিকা কি সেটি বিবেচনায় নেওয়া উচিত। কারারক্ষীদের টাকা দিলে একজন অপরাধীকে নানা ধরনের সুযোগ সুবিধা দিতে শুনা যায়। তদন্ত করে দেখলে ঠিকই দেখা যাবে পালিয়ে যাওয়া নারী আসামিকেও বিশেষ কোন সুবিধা দিয়েছিল যেটিকে কাজে লাগিয়ে সে পালাতে সুযোগ পেয়েছে।

তিনি আরো বলেন, কারা কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় এইভাবে যদি অপরাধীরা পালিয়ে যায় তাহলে মামলার বাদীর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়। ওই পলাতক আসামী যদি মামলার বাদীর কোন ক্ষতি করে এর দায় কি কারা কর্তৃপক্ষ নিতে পারবে। তাই অবিলম্বে জেল সুপারসহ দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের প্রত্যাহারের দাবী জানিয়েছেন এইচ এম নজরুল ইসলাম।

এমএসএম / এমএসএম

মান্দায় গভীর রাতে অভিযানের নামে হিন্দু পল্লীতে পুলিশের তাণ্ডব, আতঙ্কে বাসিন্দারা

মুরাদনগরের জিলানী প্রবাসে নিহত,দ্রুত লাশ পেতে পরিবারের আকুতি

আমির হামজার নামে শত কোটি টাকার মানহানির মামলা

মোহনগঞ্জে দুই বছরের শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

আদমদীঘিতে এক মাদক ব্যবসায়ীর জেল-জরিমানা

রামেক হাসপাতালে হামের প্রাদুর্ভাব: ডা. রফিকুল ইসলাম

মাধবদীতে অবৈধভাবে জ্বালানি তেল বিক্রি: বিএসটিআই’র অভিযানে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

‎কুমিল্লায় রেলক্রসিংয়ে নিরাপত্তা জোরদারের দাবিতে জামায়াতের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

গজারিয়ায় বিভিন্ন স্থান পরিদর্শনে সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন

ব্যক্তিগত কালিমন্দির-বসতভিটা জবর দখলের অভিযোগ সাবেক জাতীয় টিমের নারী ক্রিকেটার একার সংবাদ সম্মেলন

ভাঙারি মাল নিয়ে ঢাকায় যাওয়ার পথে দুর্ঘটনা, নিহত কাউনিয়ার দুই যুবক

মেসার্স ভোলাহাট ফিলিং স্টেশন কে জরিমানা করল ভ্রাম্যমাণ আদালত

ভোলাহাটে মুন্সিগঞ্জ সঃ প্রাঃ বিদ্যালয়ের ১ম রি-ইউনিয়ন অনুষ্ঠিত