ঢাকা সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬

পঞ্চগড়ে আবাসন প্রকল্পের সাড়ে ৫২মে:টন গম আত্মসাতের অভিযোগ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে


সাইদুজ্জামান রেজা, পঞ্চগড় photo সাইদুজ্জামান রেজা, পঞ্চগড়
প্রকাশিত: ১-১১-২০২৩ দুপুর ২:৪৫
পঞ্চগড়ে সাড়ে ৫২মেট্রিকটন খাদ্যশস্য (গম) আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে সদর উপজেলার ইউএনও মো.আরিফ হোসেন ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো.জাকির হোসেন ও কার্য সহকারি আবু হানিফের বিরুদ্ধে। পঞ্চগড়
সদর উপজেলার চাকলাহাট ইউনিয়নের গয়পানি গ্রামের আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের ঘর নির্মানের জায়গায় মাটি ভরাটের জন্য বরাদ্দ দেয়া হলেও কোন প্রকার মাটি ভরাট না করেই পুরো সাড়ে ৫২ টন গম বিক্রি করে অর্থ আত্মসাত করেছেন।যার বাজার মূল্য প্রায় ছিল ২০ লাখ টাকা। এমনকি প্রকল্পের সভাপতি পর্যন্ত জানেন না তার নামে প্রকল্প নিয়ে আত্মসাৎ করেছেন। এনিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রকল্পের সভাপতি তৎকালীন চেয়ারম্যান মোঃ ফরহাত হোসেন।
 সম্প্রতি এসব তথ্য উঠে এসেছে দৈনিক দৈনিক সকালের সময়ের অনুসন্ধানে।
বর্তমানে ওই ইউএনও নাটোর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শিক্ষা ও আইসিটি শাখার দায়িত্বে, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তেঁতুলিয়া উপজেলার দায়িত্বে রয়েছেন।
তথ্য সূত্রে জানা যায়,২০২০-২১ অর্থ বছরে মুজিব বর্ষ উপলক্ষে একক গৃহ নির্মানের জন্য আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের আওতায় ভূমি উন্নয়নে মাটির কাজ বাস্তবায়নের জন্য, সদর উপজেলার আবাসন প্রকল্পে জেলা প্রশাসক উপজেলা পর্যায়ের চাহিদার বিপরীতে সোনারবান আবাসনে-৩০.৮৭৫ মেট্রিকটন, নালাগঞ্জে-২৪.৫০০ ও গয়পানিদিঘী-৫২.৫০১ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য (গম)উপ-বরাদ্দের আদেশ জারি করা হয়। প্রতিটিতে আবাসন প্রকল্পে কম-বেশি মাটি ভরাট করলেও চাকলা হাট ইউনিয়নের গয়পানি দিঘী নামের আবাসন প্রকল্পে, কোন মাটি ভরাট না করেই পুরো অর্থ লোপাট করেছেন বলে জানান সেখানকার বাসিন্দারা।
গয়পানি দিঘী আবাসন প্রকল্প এলাকার হবিবর রহমান জানান, কয়েক বছর আগে পুকুরটি খুঁড়ে চতুরপাশে পাড় বেঁধে দেয়,সেখানে আমরা বাড়ি করি।অনেকে এখান থেকে মাটি দুরে নিয়ে গেছে। ঘরের জায়গায় আধা পাকা ঘর করে দিয়েছেন। কিন্তু কোন মাটি ভরাট করতে হয়নি।
একই কথা বলেন, প্রকল্প এলাকার আল আমিন, সাবিনা, পারুলসহ একাধিক ব্যক্তি।
গয়পানিদিঘী আবাসন প্রকল্পে মাটির কাজ বাস্তবায়নের সভাপতি তৎকালীন চেয়ারম্যান ফরহাদ হোসেন জানান, ওই আবাসন প্রকল্প  উঁচু সেখানে মাটির কোন প্রয়োজন নাই। এমনিতেই ঘর নির্মান করা হয়েছে। নিজে প্রকল্পের সভাপতি কথা শুনে অবাক তিনি।
তৎকালীন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো.জাকির হোসেন জানান,
আমি সেখানে অতিরিক্ত দায়িত্বে ছিলাম। কাজ করছে কি-না ইউএনও স্যার,আর প্রকল্প অফিসের কার্য সহকারী আবু হানিফ বলতে পারবেন। তবে আবু হানিফ জানান,ইউএনও স্যার ওই প্রকল্প এলাকার কিছু মানুষকে দুই হাজার, পাঁচ হাজার করে টাকা দিয়েছিল ঘরে মাটি ভরাট করার জন্য।
এব্যাপারে তৎকালীন প্রকল্প বাস্তবায়নকারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বর্তমান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি)নাটোর,মো.আরিফ হোসেন জানান,ওই বিষয়ে আপনাকে বলার মতো কিছু জানিনা। দুই-আড়াই বছর আগে চলে এসেছি তা-কি এখন মনে আছে।
এ বিষয়ে পঞ্চগড় সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.জাকির হোসেন বলেন, প্রকল্প যেহেতু আগের সেটা বলতে পারবোনা। তবে খোঁজ নিয়ে জানা যাবে।

এমএসএম / এমএসএম

আলাদীনের চেরাক পেয়েছেন ডাক্তার চিশতী- অল্প দিনেই কোটিপতি !

ধাম‌ইরহাটে রাসায়নিক স্প্রে করে ২ একর ১২শতক জমির ধান নষ্ট করেছে প্রতিপক্ষ 

এলডিডিপি প্রকল্পের প্রশিক্ষণে স্বাবলম্বী শিবগঞ্জের খামারিরা

আটোয়ারী লক্ষীপুর মাদ্রাসায় জাল কাগজে কমিটি করে উপাধ্যক্ষ সহ ৪ জন নিয়োগ, দেখার কেউ নাই

পঞ্চগড়ে রাতের আঁধারে বিদ্যালয়ের ১১টি ফ্যান চুরি, এলোমেলো অফিস কক্ষ

আদমদীঘিতে বারান্দা থেকে বাবুর্চির মরদেহ উদ্ধার

সিংড়ায় পরিবেশ ও প্রকৃতি আন্দোলনের লিফলেট বিতরণ

মৌলভীবাজারে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য, টিকটকার মামুন গ্রেপ্তার

দাউদকান্দিতে রায়পুর কৈলাশ চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ে কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ

পিরোজপুরের কাউখালীতে গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যা, ঘরের মালামাল লুট

ঠাকুরগাঁওয়ে তিন বছরের শিশুর ওপর যৌন নিপীড়ন, ১৩ বছরের কিশোর কারাগারে

চাঁপাইনবাবগঞ্জে এসআরবির বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের দুই ছেলেকে ‘মাদক মামলায় ফাঁসানোর’ অভিযোগ

ভোলা পৌরসভায় মশক নিধন কার্যক্রমে ৪১ লাখ টাকা অনিয়ম ও আত্মসাতের অভিযোগ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে