ঢাকা রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬

কুয়াকাটায় বিষমুক্ত শুঁটকি ও পল্লী নির্মাণে ব্যস্ত শ্রমিকরা


আবুল হোসেন রাজু , কুয়াকাটা photo আবুল হোসেন রাজু , কুয়াকাটা
প্রকাশিত: ১০-১১-২০২৩ দুপুর ২:৩৬
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় শুঁটকি পল্লীতে কেমিক্যালমুক্ত শুঁটকি উৎপাদনে ব্যস্ত সময় পার করছেন জেলেরা
সরেজমিনে দেখা গেছে, শুঁটকি পল্লিতে কর্মযজ্ঞ চলছে। রোদে মাছ শুকাচ্ছেন কেউ।  বিভিন্ন জায়গায় মাছ শুকানোর মাচা তৈরি করেছেন। মাছ রাখা ও নিজেদের থাকার জন্য অস্থায়ী ঘর করেছেন। কেউবা আবার মাছ ধরার ট্রলার মেরামত করছেন। মাছ ধরার ট্রলার সাগরে নামাচ্ছেন কেউ কেউ।পল্লীতে চাং, বাসা ও দোকান নির্মাণে দিনরাত কাজ করছে শ্রমিকরা
 সাগর থেকে আহরণ করা লইট্টা, ছুরি, লাক্ষ্যা, চাপিলা,  ছোট চিংড়ি, ছোট পোয়া, রূপচাঁদা ও ফাইস্যাসহ প্রায় ৩৫ 
রকমের মাছ বাঁশের তৈরি মাচায় ঝুলানো কিংবা বিছিয়ে  শুঁটকি করা হয়। প্রতিবছর কোটি কোটি টাকার শুঁটকি বিক্রি হয়।জানাগেছে, কেমিক্যালমুক্ত শুঁটকি উৎপাদন করে পটুয়াখালীর কুয়াকাটার ব্যবসায়ীরা দেশে বিদেশে সুনাম কুড়িয়েছেন অনেক বছর আগে। তাই প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও শীতের প্রথম বাজার ধরতে পল্লীতে আধুনিক পদ্ধতিতে শুঁটকি তৈরি করতে চাই আমরা। কিন্তু আমাদের প্রতি নজর দেয় না সংশ্লিষ্টরা। আধুনিক পদ্ধতিতে তৈরি করতে পারলে উৎপাদন আরও বাড়তো। এতে শ্রমিক এবং জেলেদেরও কষ্ট কম হতো, সবাই লাভবান হতো। স্থানীয় শুঁটকি শ্রমিক মো.নিজাম খলিফা বলেন,শুঁটকি পল্লীর মালিকরা শীতের প্রথম মৌসুম ধরবে। তই এখন দম ফেলার ফুরসত নেই তাদের।তিনি আরও বলেন, একটি পল্লী নির্মাণে প্রায় ১৮ দিন সময় প্রয়োজন হয় তাদের। কেমিক্যাল মুক্ত ও পরিচ্ছন্নতার সঙ্গে শুঁটকি তৈরি করায় এখানে অনেক শ্রমিকের কর্মসংস্থান হয়েছে। 
স্থানীয় শুঁটকি ব্যবসায়ী মেহেদী হাওলাদার বলেন, এখানে সম্পূর্ণ কেমিক্যাল ও বিষমুক্ত শুঁটকি সরবরাহ করা হয়।এই শুঁটকি সকরতে ক্রেতাদের কুয়াকাটা শুঁটকি পল্লীতে আসার আমন্ত্রণ জানান এই বিক্রেতা।
শুঁটকির আড়তদার আবু হানিফ হাওলাদার জানান, এখন মৌসুম শুরু হলো। এবার সবকিছুর দাম বেশি। তাই শুঁটকির দামও বাড়বে। প্রতি মণ চিংড়ি শুঁটকি ২৮ হাজার ও লইট্টা ২৬ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে জানিয়ে কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, ‘নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত শুঁটকি মৌসুম। শুঁটকি তৈরির জন্য আমরা জেলেদের পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ দিই। এবার উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে চার হাজার মেট্রিক টন। আশা করছি, লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো জাহাঙ্গীর হোসেন  বলেন,কুয়াকাটায় যারা মাছ শুঁটকি করে থাকে তারা বেশ ভালো অভিজ্ঞ। শুঁটকি প্রস্তুতকারী ও বিক্রেতাদের একই ছাতার নিচে আনা হবে। প্রস্তুতকারীদের একটি স্থায়ী জায়গায় দেওয়া হবে। যাতে বিশৃঙ্খল ভাবে কেহ শুঁটকি সুকাতে না পারে। ইতোমধ্যে  কাজ চলমান রয়েছে।  দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে।

এমএসএম / এমএসএম

বাউফলে বিয়ের দুই মাসেই নববধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

সোহেল মঞ্জুরের উদ্যোগে সন্ধ্যা নদীতে সেতু নির্মাণে অগ্রগতি, সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শনে সেতু সচিব

নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ ধরায় খালিয়াজুরীতে একজনের কারাদণ্ড, অপরজনকে জরিমানা

বাঁশখালীতে বন্যার্তদের মাঝে হাদীর পাড়া স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ত্রাণ বিতরণ

সিংড়ায় খাতুন জান্নাত মহিলা মাদ্রাসার সূধি সমাবেশ অনুষ্ঠিত

আদমদীঘি গৃহশ্রমিক ইউনিয়নের তরুনদের মাঝে ফুটবল বিতরণ

প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় ফের চালু, স্থগিত চেয়ে আবেদন

বাঙ্গালহালিয়াতে টানা বৃষ্টিতে প্লাবিত পোল্ট্রি ফার্মের ৫ লক্ষ টাকার মুরগী ক্ষয় ক্ষতি হলেন সাদেক র্ফাম

কুড়িগ্রামে জৈব সারের ব্যবহারে লাভবান হচ্ছে কৃষক

‎ত্রিশাল বাসস্ট্যান্ডে যানজট নিরসনে রাস্তার উপর কাঁচাবাজার উচ্ছেদ : সাধারণ মানুষের প্রশংসা

বাঘার চকরাজাপুরে পুলিশ ফাঁড়ির উদ্বোধন: অপরাধীদের কোনো ছাড় নেই

কারিগরি শিক্ষা গ্রহণ করে এগিয়ে নিতে হবে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ

সন্দ্বীপে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী যমুনা কবির গ্রেফতার