ডাক্তারী সেবার পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি হতে ইচ্ছুক
আগামী ৭ই জানুয়ারী দ্বাদশ জাতীয় সাংসদ নির্বাচনে জয়পুরহাট-১ আসন থেকে জাতিয় পার্টির লাঙ্গল মার্কা নিয়ে নির্বাচন করবেন পাঁচবিবির কৃতিসন্তান বিশিষ্টি চিকিৎক সিভিল সার্জন ডাক্তার এ কে এম মোয়াজ্জেম হোসেন ৭১)।
ডাক্তারী ও ব্যাক্তি জীবনে তিনি সাদা মনের একজন মানুষ হিসাবে এলাকায় সু-পরিচিত। মানবসেবা মুলক এ পেশায় তিনি বিভিন্ন হাসপাতালে ডাক্তারী ও প্রশাসনিক পদে দ্বায়িত্ব নিষ্ঠার সহিত পালন করেছেন। ডাঃ মোয়াজ্জেম বলেন, চিকিৎসা সেবার পাশাপাশি আগে থেকেই ভাবতাম অবসর জীবনে জনপ্রতিনিধি হওয়ার সুযোগ পেলে সাধারন মানুষের উন্নয়নের জন্য কাজ করব। প্রায়ত রাষ্টপতি হুসেইন মোঃ এরশাদ নিজ হাতে দেশের মানুষের ভাগ্যন্নয়নের জন্য রাজনৈতীক দল গঠন করেন ”জাতীয় পার্টি”।
এ দলের বর্তমান চেয়ারম্যান জি এম কাদের স্যার জয়পুরহাট-১ আসনের মানুষের সেবা করার নিমিত্তে আমাকে মনোনয়ন দিয়েছেন। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমি লাঙ্গল প্রতীক পাওয়ায় জয়পুরহাট জেলা জাতীয় পার্টির সকল নেতাকর্মিরা বেশ আনন্দিত ও খুশি হয়েছেন। সেইসঙ্গে আগামী ৭ই জানয়ারী লাঙ্গলের জয়ের জন্য দলের পক্ষে কাজ করবেন। জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি মোঃ হেলাল উদ্দিন বলেন, দীর্ঘদিন পর কেন্দ্রীয় কমিটি একজন সৎ ও যুগ্য ব্যাক্তিকে লাঙ্গল প্রতীক দিয়েছে। নির্বাচনে শতভাগ আমরা জয়ী হব বলেও তিনি মন্তব্য করেন। জয়পুরহাট সদর ও পাঁচবিবি উপজেলার ১৭ টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভা নিয়ে জয়পুরহাট-১ আসন গঠিত।
জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার কোকতারা গ্রামে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সেবামুলক পেশার অধিকারী বিশিষ্ঠ চিকিৎসক ডাঃ মোয়াজ্জেম হোসেন জন্মগ্রহন করেন। তার পিতা মরহুম আব্দুল মমিন মন্ডল একজন সাধারন কৃষক ছিলেন। ছোটবেলা থেকেই পড়ালেখায় তিঁনি খুব মেধাবী ছিলেন একারনে তাকে পাশের গ্রাম দরগাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করেদেন তার পিতা। ১৯৬২ সালে পঞ্চম শ্রেণী সফলতার সঙ্গে পাশ করার পর পাঁচবিবি লাল বিহারী উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়। ১৯৬৮ সালে এসএসসি পাশ করে তিনি রংপুরের কারমাইকেল মহাবিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে ১৯৭০ সালে সফলতার সঙ্গে পাশ করেন। মানবসেবার প্রত্যয় নিয়ে তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন এবং ১৯৭৫ সালে এমবিবিএস পাশ করে বের হন।
১৯৭৮ সালে দেশের দ্বিতীয়”তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সরকারি রেজিষ্টার ডাক্তার হিসাবে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসায় প্রবেশ করেন। এরপর দেশের বিভিন্ন নামকরা হাসপাতালে ডাক্তারী করেন। এরমধ্যে (২০০১-০৪) সাল পর্যন্ত বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের সিভিল সার্জন। ২০০৭ সালে ঢাকার সরকারি প্যারা-মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ এবং সর্বোশেষ ২০০৯ সালে তিনি ঢাকা মহাখালীর রোগ নিয়ন্ত্রণ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বিভাগের পরিচালকের দ্বায়িত্ব সফলতার সহিত পালন করেন। রোগ নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিচালকের দ্বায়িত্বে থাকাবস্থায় ২০১০ অবসর গ্রহন করেন তিনি। সরকারি চাকুরী থেকে অবসর নিয়ে পাঁচবিবির নিজ বাসায় রমিছা ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টার খুলে এলাকার গরীব অসহায় মানুষদের স্বল্প খরচে চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন। প্রফেসর ডাক্তার এ কে এম মোয়াজ্জেম হোসেন সংসার জীবনে ১ ছেলে ও ১ মেয়ে সন্তানের জনক হলেও তার স্ত্রী অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক।
এমএসএম / এমএসএম
গ্রাম আদালত বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে শালিখায় কর্মশালা অনুষ্ঠিত
নড়াগাতীতে শিশু ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের
চাঁদপুরে খাল দূষণ ও ভরাট করায় দুই রাইস মিল মালিকের জরিমানা
ভূরুঙ্গামারীতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের নতুন উদ্যমে ঘর নির্মাণের কাজ শুরু
মাদারীপুরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই বংশের সংঘর্ষ, আহত ১৪
তারাগঞ্জে দায়সারা ভাবে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত,কৃষকদের ক্ষোভ
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসে ঘুষ বাণিজ্য, রাজস্ব ফাঁকির ধুম
মোহনগঞ্জে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ, যুবকের বিরুদ্ধে মামলা
কুড়িগ্রামে জেলা টাউন ক্লাবে আধুনিক ডিজিটাল প্রজেক্টর উদ্বোধন
গোদাগাড়ীতে ডাসকো ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে স্টুডেন্ট ফোরামের দ্বি-মাসিক স্টাডি সার্কেল অনুষ্ঠিত
এসিল্যান্ডের ড্রাইভার থেকে কোটি টাকার সাম্রাজ্য
কুমিল্লায় গোল্ডেন লাইফ ইনসুরেন্সের আল-ফালাহ্ ইসলামী জীবন বীমা প্রকল্পের উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত