‘টাকা না দিলে আবারো চুরি হবে’ মুঠোফোনে মিটার চোরের হুমকী
জয়পুরহাট জেলাধীন আক্কেলপুর উপজেলায় এক রাতে বাণিজ্যিক থ্রি ফেজেরে ৬টি বৈদ্যুতিক মিটার চুরির ঘটনা ঘটেছে। মিটার চুরির পরে চিরকুটে ফোন নাম্বার ও মিটার চুরির ক্রঃ নাম্বার লিখে রেখে যাওয়া হয়েছে। চিরকুটে পাওয়া ফোন নাম্বারের যোগাযোগ করা হলে, মিটার ফেরৎ পেতে ভুক্তভোগীদের নিকট দাবী করা হয় ১০ হাজার টাকা। দাবীকৃত টাকা না দিলে, আবারো নতুন মিটার চুরি হবে, এমনই হুমকী দেওয়া হয়েছে ওই ফোন নাম্বার থেকে। ঘটনাটি রবিবারে উপজেলার রায়কালী ইউনিয়নে ঘটেছে।
একই রাতে এই সকল চুরির ঘটনা ওই ইউনিয়নের মুনজিয়া গ্রামের সাইদুল ইসলামের ধান ভাঙার মিলে এবং নারিকেলী গ্রামের ইসাহাক আলীর, আমবাড়ি পূর্বপাড়া গ্রামের সেকেন্দার আলীর, ফুলতলী বাজার এলাকার জুয়েল ইসলামের, মুনজিয়া গ্রামের গোলাম রাব্বানী’র ও রসুলপুর ঘোলকুড়ি গ্রামের একটি গভির নলকূপে ঘটেছে। প্রতিটি মিটারই ছিল থ্রি ফেজের।
চুরি যাওয়া মিটার মালিকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, চুরির ঘটনাগুলো রাতের মধ্যভাগের পরে লোহার খাঁচা ভেঙ্গে ঘটেছে। মিটার চুরির পরে প্রতিটি স্থানে চিরকুটে লিখে রেখে যাওয়া হয়েছে ০১৯০২৮৫৮৯০৩ এই ফোন নাম্বার ও মিটার চুরির ক্রমিক নাম্বার। ক্রমিক নাম্বার অনুসারে প্রথমে চুরি করা হয়েছে মুনজিয়া গ্রামের গোলাম রাব্বানী’র ও ছয় নাম্বারে ফুলতলী বাজার এলাকার জুয়েল ইসলামের বৈদ্যুতিক মিটার। চিরকুটে পাওয়া ফোন নাম্বারে যোগাযোগ করা হলে ওই নাম্বারের নগদ একাউন্টে দাবী করা হয়েছে ১০ হাজার টাকা। একই সাথে বলা হয়েছে, এই টাকা না দিয়ে নতুন মিটার লাগানো হলে তা আবারো চুরি করা হবে।
সম্প্রতি এই উপজেলায়, গত এক মাসে ৩৮টি ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনা ঘটেছে। জেলায় আটক হয়েছে মিটার ও ট্রান্সফরমার চোর চক্রের অনেক সদস্যরা। আটকের পরেও ট্রান্সফরমারে ভেতরের তামা চুরির ঘটনার পাশাপাশি আবার নতুন করে থ্রি ফেজ চুরির ঘটনা ঘটছে। এই সকল ঘটনায় আতঙ্ক এবং শঙ্কার মধ্যে রাত্রী যাপন করছেন বাণিজ্যিক কাজে ট্রান্সফরমার ও থ্রি ফেজ মিটার ব্যবহারকারীরা।
রায়কালী ইউনিয়নের গভীর নলকূপের মালিক গোলাম রব্বানী বলেন, ‘গভীর রাতে বৈদ্যুতিক মিটারের খাঁচা ভেঙে মিটার চুরি করে সেখানে একটি চিরকুটে মোবাইল নম্বর লিখে রেখে যায়। ওই নম্বরে ফোন করলে চোরেরা বলে ১০ হাজার টাকা দিতে হবে, না হলে আবারও মিটার চুরি করা হবে। বেশি চালাকি করলে সেচ স্কিম পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে হুমকি দেয়’।
জয়পুরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আক্কেলপুর জোনাল অফিসের ডিজিএম মোহা. আব্দুর রহমান জানান,‘ প্রতিটি চুরির ঘটনায় আমরা থানায় মামলা দায়ের করি। আমরা এই ঘটনাগুলোতে অসহায় হয়ে পড়েছি। পুলিশ চোরদের গ্রেফতারও করছে, কিন্তু চুরি রোধ হচ্ছে না। চুরি রোধে আমরা নিয়মিত প্রচারণা চালাচ্ছি’।
আক্কেলপুর থানার ওসি শাহিনুর রহমান বলেন,‘তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে চোর চক্রকে সনাক্ত করা হচ্ছে। চুরি রোধে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। চোর চক্রের সদস্যদের ইতিমধ্যে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে’।
এমএসএম / এমএসএম
চার দিন ধরে বিপৎসীমার ওপরে অধিকাংশ নদ-নদীর পানি, বাড়ছে দুর্ভোগ
মান্দায় পাউবোর জমি দখল করে ধানের আড়ত নির্মাণ, উচ্ছেদের দাবিতে অভিযোগ
শাহরাস্তিতে আলোচিত মিম হত্যা: দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন
রাজশাহীতে ‘নজরুল ভিলেজ’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ভূমিমন্ত্রী
নওগাঁয় নামফলক উন্মোচনের মধ্য দিয়ে নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু
মাগুরা জেলা কৃষকদলের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত
চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙন থেকে রক্ষার দাবিতে, মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত
মাদকমুক্ত সমাজ বির্নিমানে যুবকদের দক্ষ কর্মী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে
শ্রীপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিভিল সার্জনের আকস্মিক পরিদর্শন
নোয়াখালীতে দুটি চোরাই মোটরসাইকেলসহ আন্ত:জেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের দুই সদস্য গ্রেপ্তার
গাজীপুরে ইছালী-পূবাইল কলেজগেট সড়ক উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন
দুর্যোগে মানুষের পাশে বিএনপি, চলবে পুনর্বাসন কার্যক্রমও- পটিয়ার এমপি এনাম