প্রতিবন্ধী শিশু রাকিবুল পায়নি সুষম খাবার আর সুচিকিৎসা
ছেলেটির বয়স মাত্র ১০ বছর। এ বয়সে স্কুলের বারান্দা আর খেলার মাঠে সঙ্গীদের সাথে খেলাধূলা করে সময় পার করার কথা ছোট্ট শিশু রাকিবুলের। ঘুরে বেড়ানোর কথা গ্রামের মেঠোপথে, ঝড়ের দিনে আম কুড়োনোর কথা, দুপুরের কড়া রোদে নদীতে সাঁতার কেটে মাতিয়ে রাখার কথা চারপাশ। কিন্ত ছোটবেলা নিউমোনিয়া সহ নানা প্রতিবন্ধকতা আঁচড়ে পরে তার জীবনে। স্বাভাবিক জীবন থেকে ছিটকে পড়ে প্রতিবন্ধী শিশুটি।
বলছি নেত্রকোণা জেলার পূর্বধলা উপজেলাধীন ঘাগড়া ইউনিয়নের গাংগের বেড়া গ্রামের ১০ বছরের শিশু রাকিবুলের কথা। জন্মের আট দিন পর ধরা পড়ে নিউমোনিয়া । ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি ছিল ১ মাস । তারপর আর্থিক অস্বচ্ছলতায় বাধ্য হয়ে ছেলেকে নিয়ে বাড়ী ফিরে আসেন পিতা মোঃ উজ্জল মিয়া দম্পতি। টাকার অভাবে চিকিৎসা করা হয়নি আর, তাদের মাথায় তখন আকাশ ভেঙে পরার অবস্থা। কেননা দাম্পত্য জীবনের প্রথম থেকেই অনেক ধকল গেছে তাদের উপর দিয়ে। প্রথম ছেলে সন্তান জন্মের পরের দিন মারা যায়। তারপর তাদের বুকে আলো নিয়ে আসে দ্বিতীয় ছেলে রাকিবুল। আর সেই ছেলেও প্রতিবন্ধী । বর্তমানে রাকিবুল ও জুনাঈদ(৩) নামে দুই সন্তান তাদের।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাড়ির উঠানে কুজো হয়ে বসে আছে রাকিবুল। হাটাচড়া বা দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না, হাত-পায়ে তেমন শক্তি পায় না। কেননা হাত-পা গুলো স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক চিকন। দেখেই বুঝা যায় অপুষ্টিতে ভোগছে শিশুটি। কথা বলতে পারে না, কেউ ডাকলেই তেমন সাড়া দেয় না। অপরিচিত ব্যক্তি দেখলে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে। মুখ থেকে সব সময় লালা ঝরে ও মাটিতে পরে থাকা ময়লা উচ্ছিদ্য জিনিস তুলে মুখে দেয়।
পিতা মোঃ উজ্জল মিয়া বলেন, ছোট বেলা নিউমোনিয়া হয়েছিল রাকিবুলের। টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারি নাই। আমি ভাঙ্গারি মালামাল বিক্রি করে দিন যাবন করছি। স্ত্রী ও দুই ছেলে নিয়ে আমার সংসার। বাড়িতে ঘরের জায়গাটুকু ছাড়া আমার আর কিছু নেই। বর্তমান চড়া বাজারে ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া করাটায় কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাকিবুলের দিকে তাকালে আমার চোখে পানি চলে আসে।
রাকিবুলের মা মোছাঃ শিরিনা আক্তার জানান, দুই ছেলের মধ্যে রাকিবুল সবার বড়, সে প্রতিবন্ধী । সে নিজে খাবার তুলে খেতে পারে না। অভাবের সংসারে দুই সন্তানকে নিয়ে কষ্টে দিন পার করছি আমরা।
প্রতিবেশী ফিরোজ মিয়া বলেন, রাকিবুল ছোটবেলা থেকেই পুষ্টিহীনতায় ভুগছে। সব সময় অপরিষ্কার ভাবে থাকে। ঘরে বেঁধে রাখলে দেয়ালে মাথা দিয়ে আঘাত করে। এজন্য বাহিতে এভাবে বসে থাকে। তাছাড়া যখন বেশী ক্ষুদা লাগে তখনও দেখি মাথায় আঘাত করে। উন্নত চিকিৎসা পেলে ছেলেটি অনেকটা সুস্থ হতো আর এই পরিবারটি আর্থিক ভাবেও অস্বচ্ছল। বিত্তবানদের সহযোগিতায় অনেকটা স্বাভাবিক জীবন ফিরে পেতে পারে পরিবারটি।
এমএসএম / এমএসএম
সাঘাটায় ইউপি চেয়ারম্যান, প্রধান শিক্ষক ও মেম্বারসহ ৬ জন পুলিশ হেফাজতে, পরে মুচলেকায় মুক্তি
শ্রীপুরে মাদক ও অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
ফেক আইডিতে তরুণীর ছবি-ভিডিও বিকৃত করে ছড়ানোর অভিযোগে সাবেক সেনাসদস্য গ্রেপ্তার
দাউদকান্দিতে পৃথক অভিযানে গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী ও পরোয়ানাভুক্ত ৬ আসামি গ্রেপ্তার
জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে গোদাগাড়ীতে অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা
মাদারীপুরে শুরু হলো ওয়াজউদ্দিন মাতুব্বর স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট
সরকারের লক্ষ্য সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ গড়ে তোলা: স্বাস্থ্য শিক্ষা সচিব
মাদক ব্যবসায়ীদের হামলায় হাতীবান্ধায় ২ পুলিশ কর্মকর্তা আহত, আশঙ্কাজনক অবস্থায় ১ জন রংপুরে ভর্তি
ইতালিতে নিজ বাসায় ছুরিকাঘাতে নোয়াখালীর একই পরিবারের তিনজন নিহত
৮ বছর ধরে বন্ধ ভেলুমিয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র
জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পালনে উপজেলা পর্যায়ে অ্যাডভোকেসি ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত
বাঁশখালীতে গ্রাহকের ৩৫ কোটি টাকা মেরে এক যুবক লাপাত্তা
বিরামপুর ইসলামপাড়া জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটি গঠন
Link Copied