ভাষানটেকে রাস্তা নিয়ে ভোগান্তি বিপাকে শাহ আলমের পরিবার
রাজধানীর ভাষানটেক এলাকায় শাহ আলম ও তার পরিবারের রাস্তাসহ নানা ভোগান্তির শিকার হওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী বাড়িওয়ালা কামাল মোল্লা ও মতিউর রহমান এর বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী শাহ আলম ও তার পরিবার হীনমন্য মানবতাহীন আচরণে অতিষ্ঠ হয়ে মানবাধিকার এর দাবিতে আশ্রয় কামনা করে গত ১৫-০২ ২৪ ইং তারিখে অভিযোগ দেন মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান এইডের উত্তর মহানগরের দপ্তরে।
নিজ বাড়িতে চলাচলের জন্য রাস্তা পাওয়া একটা মানুষের জন্মগত অধিকার। কর্মের সুবাদে বা বসবাসের কারণে বর্তমান ঢাকা সিটি একটি জনবহুল এলাকা পরিনত হয়ে উঠেছে। অনেকেই দীর্ঘ দিনের শ্রমের টাকা দিয়ে নিজের একটা আশ্রয় কুঞ্জ তৈরি করে। কিন্তু এই আশ্রয় কুঞ্জ নিয়ে প্রতিনিয়ত তৈরি হচ্ছে নানান অসংগতি তারই পাশের বাড়িওয়ালা আরেক প্রতিবেশীদের কারণে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভাষানটেকের শাহ আলম তাঁর নিজের কষ্টার্জিত শেষ সম্বল দিয়ে নিজের ও তাঁর সন্তানদের ভবিষ্যতে এর কথা ভেবে একটুকরো জমি কিনে বসবাস শুরু করেন প্রায় বিশ বছর ধরে। দীর্ঘ দিনের প্রতিবেশী কামাল মোল্লা ও মতিউর রহমান রাস্তাসহ নানা ভাবে হেনস্তা করে আসছে শাহ আলম ও তার পরিবারের লোকজনকে। জানা যায় ইতিপূর্বে এ বিষয়ে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ১৫ নং ওয়ার্ডের প্রয়াত কাউন্সিলর সালেক মোল্লা এ বিষয়ে সামাজিক ভাবে বিচার শালিস করেছিলেন বিগত ১২-০২-১৯ইং তারিখে।
ভাষানটেকের বাগান বাড়ি (ইউনাইটেড হোমস্) এলাকার সোসাইটির সভাপতি ও অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সামনে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত ৬ ফিট রাস্তা উন্মুক্ত থাকার কথা থাকলেও দৈবিক রাজনৈতিক ব্যক্তির প্রভাবে বিচারের রায়কে অমান্য করে কামাল মোল্লা।এছাড়াও মতিউর রহমান ৬ ফিট রাস্তা না রেখে দেয়াল তুলেছিল বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী শাহ আলম। সুশীল সমাজের বিবেকমান ব্যক্তিবর্গের দাবিতে তা ভেঙে দিতে বাধ্য হন প্রথম দিকে। কিন্তু বর্তমানে তারা আবারও খোলস থেকে বেরিয়ে এসে নানান ভাবে হেনস্তা করছে আমার পরিবারকে।
তিনি বলেন, মানুষের মানবতা কতোটা লোপ পেলে রাস্তা নিয়ে এমন কুরুচির চিন্তা করতে পারে। শুধু আমি নিজেই না আমার পরিবার সহ বাসার ভাড়াটিয়া পরিবারকেউ ছাড় দেয় না এরা। রাস্তা দিয়ে চলাচলের সমস্যা হয় কামাল মোল্লার বাসার পানির জন্য। এছাড়াও বাড়ি নির্মান করছে আমার জমির প্রায় সীমানা দিয়ে। এমনকি আমার স্ত্রীকে আঘাত করতেও বাকি রাখেন নি তারা। ছোট খাটো বিষয় নিয়ে এখনো মারমুখী আচরণে তেরে আসেন তার পরিবার। এলাকার সন্ত্রাসী নুর মোহাম্মদ এর সহযোগিতায় এসব অমানবিক নির্যাতনে মেতে উঠেছে, কামাল মোল্লা ও মতিউর রহমান। আমি ও আমার পরিবারের সবাই আতঙ্গকে বসবাস করছি সবসময়। সুশীল সমাজ ও আইনের প্রতি আস্থাশীল রেখে মৌলিক অধিকারের দাবীতে আমি আমার পরিবারকে নিয়ে নিরাপদে বসবাস করতে সকলের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
এ বিষয়ে দৈনিক সকালের সময় এর প্রতিনিধি বিবাদি মতিউর রহমান এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমি আর কামাল মোল্লা মিলে জায়গা কিনেছি। এখানে ২১ বছর ধরে বসবাস করছি। আপনি শাহ আলমকে জিজ্ঞাসা করেন যে তার রাস্তা কেনা আছে কিনা। প্রতিবেশীর কথা আর বলেন না উনি ভালো হলে সাংবাদিকের কাছে বিচার দেয়। এখন আপনারা আসেন দেখেন বিচার করেন। মোঃ কামাল মোল্লাকে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি ব্যস্ত আছি আপনি বাসায় আছেন কথা হবে।
এমএসএম / এমএসএম
স্বাস্থ্যসেবা ও সুরক্ষা আইন প্রণয়নে গোলটেবিল বৈঠক
দূষিত বাতাস ও দীর্ঘ ডিউটিতে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ট্রাফিক পুলিশ
স্বাস্থ্যসেবা ও সুরক্ষা আইন প্রণয়ন উপলক্ষে ড্যাবের গোলটেবিল বৈঠক কাল
যৌথ উদ্যোগেই পরিচ্ছন্ন ও ডেঙ্গুমুক্ত ঢাকা গড়ে তোলা সম্ভব: ডিএনসিসি প্রশাসক
রাজউকের অভিযানে ১০ ভবনের আংশিক অপসারণ
শারীরিক ও মানসিকভাবে গুরতর অসুস্থ ব্যক্তিকে চাপে ফেলে সম্পদ-সম্পত্তি দখলের মহোৎসব
ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিংয়ে বিদেশি মালিকানা, কর্মবিরতির হুঁশিয়ারি
জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে দুদকের এনফোর্সমেন্ট অভিযান
বিএমএসআরআই দখলের প্রতিবাদ ও হাইকোর্টের আদেশ বাস্তবায়নের দাবি
ডিএনসিসিতে বর্জ্য পরিবহনে যুক্ত হলো ৫ নতুন ট্রাক
মুগদায় মাদকবিরোধী সমাবেশ ও দোয়া মাহফিল: দুই মাদক কারবারিকে এলাকা ছাড়া করল জনতা
হাসপাতালে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর ধারাবাহিক হামলার প্রতিবাদে ড্যাবের নিন্দা ও আইন প্রণয়নের দাবি
দক্ষিণ ঢাকায় চাঁদাবাজি রোধে ইতিবাচক পরিবর্তনের দাবি ফুটপাত ব্যবসায়ীদে
Link Copied