পিতা
পিতা
লিপি আক্তারচরম নিমম মুহূর্ত
ভয়ংকর হিংস্র থাবায় ঝাঁপিয়ে পড়ল চিতাবাঘেরা
নিদ্রামগ্ন দেহ নিমেষেই ক্ষত-বিক্ষত, রক্তাক্ত।
গুলির আঘাতে ছিন্নভিন্ন মানচিত্র
গগণবিদারী চিৎকারে প্রকম্পিত আকাশ-বাতাস,
থরথর করে কেঁপে উঠল ভূ-পৃষ্ঠ।০
মেঝেতে সিঁড়িতে বয়ে চলল রক্তের নহর,
লাল থোপ থোপ রক্ত।
আহা কি বিভৎস দৃশ্য!
বাতাসের গতিতে দিগবিদিক ছড়িয়ে পড়ল
বুকে খিল ধরা কাহিনী,
মৃত্যু! মৃত্যু হয়েছে পিতার!
ডুকরে উঠলো লক্ষ-কোটি বিবেক,
কি করলি হতভাগার দল
শেষে কিনা রাজধন হারালি!
(২)
পিতা!
আমাদের যাতনায় তুমি ছিলে অস্থির- ব্যথিত,
ভুলেছিলে ক্ষুধা- ক্লান্তি- বেদনা
বাংলার মানুষকে স্বাধীন করার জন্য
পায়ে শিকল, হাতে বেড়ী
কতোরাত নিঘুম কাটিয়েছ অন্ধকার কারাগারে
মশার কামড়, ক্ষুধার জ্বালা- তৃষ্ণা সবই সয়েছ নিরবে।
নিপীড়িত সন্তানদের মুখে হাসি ফোটাতে
বিসর্জন দিয়েছ নিজের সুখ,
চিনতে চাওনি শক্রকে
চরম বন্ধু ভেবে নিয়েছ বুকে তুলে,
সবাইকে করেছ আপন
দিনরাত এক করে এনেছিলে বাংলার স্বাধীনতা।(৩)
পিতা !
অশ্রুস্নাত সন্তানেরা আজ নতজানু
তোমারই স্মৃতির দুয়ারে।
করো ক্ষমা!
আমরা অবুঝ বিবেকহীন সন্তান
হাত কাঁপেনি তোমার বুকে অস্ত্র ধরতে,
কলিজা ঝাঁঝরা করা লাল রক্তে স্নান করতে
কষ্ট হয়নি আমাদের,
নির্বোধ আমরা তখন বুঝিনি
তোমাকে হারানোর মূল্য এতোখানি।
আর তাইতো -------
নিরেট অন্ধকার রাতে রচিত হলো
লাল রক্তে লেখা কালো ইতিহাস
পৃথিবীর বুক চিরে!
এমএসএম / এমএসএম
“অনিন্দ্যর জন্য আকুলতা” জা কি র আ জা দ
“মাটির সুবাস ও আধুনিক নবান্ন” আব্দুল কাদের
“আতঙ্কের ছায়া” হানিফ রাজা
সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানে স্মার্ট শিল্পকলা গড়তে চান রেজাউদ্দিন স্টালিন
শিশুসাহিত্যিক ফরিদুর রেজা সাগর-এর ১৪টি ছোটকাকু প্রকাশিত
“শেষ দেখা হয়নি” মুহাম্মদ আকাশ মিয়া
“সিগনেচার” সামছুল আলম শিমুল
“দিওয়ান-ই-শামস -ই তাবরিজি : জালালুদ্দিন রুমি ” এস ডি সুব্রত
“অন্ন ও অন্যায়” সুলেখা আক্তার শান্তা
“কাকতাড়ুয়া নাকি ভূত” আসাদ সরকার
“জীবন-প্রেমিক” বিশ্বজিৎ মণ্ডল
“মেঘের এপিটাফ” জসীম উদ্দীন মুহম্মদ