ঢাকা সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬

অনিয়ম ও দুর্নিতীতে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অবস্থা হযবরল


আরিফুর রহমান photo আরিফুর রহমান
প্রকাশিত: ১২-৩-২০২৪ দুপুর ৪:৫৭

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল অনিয়ম, দুর্নীতি এবং সিন্ডিকেটের কারণে মুখ থুবড়ে পড়ে আছে। পরিচালক না থাকায় হাসপাতালের সকলেই হয়ে উঠেছেন বেপরোয়া। সেবা প্রদানের সব থেকে বড় একটি দায়িত্ব রয়েছে হাসপাতালের  নার্সিং সেক্টরের। কিন্তু এ নার্সিং সেক্টরের একটি সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করছেন পুরো হাসপাতালকে। সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বাহিরের কিছু অসাধু কিছু লোক বিভিন্ন চক্রান্ত করেও হাতিয়ে নিচ্ছেন মোটা অংকের অর্থ। সাধারন মানুষ এবং খোদ হাসপাতালে কর্মরত কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং সাধারন সেবিকারা এসব অনিয়ম এবং দুর্নিতীগ্রস্থদের হাত থেকে রেহাই পেতে চান। এসকল অনিয়ম এবং দুর্নিতীর সাথে ভারপ্রাপ্ত পরিচালক, হিসাব শাখা এবং সকলের মূলে রয়েছে একাধিক সেবিকার নাম। এমনকি সরকারি প্রজেক্টের অর্থ আত্মসাৎ করেছেন নার্সিং বিভাগের একটি শক্তিশালী নার্সিং সিন্ডিকেট। যার তদন্ত কার্যক্রমকে ব্যাহত করতে ওষুধ চুরির মিথ্যা বানানো ঘটনা সাজিয়ে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছে তদন্ত কমিটিকে।  ভারপ্রাপ্ত পরিচালককে বিভিন্ন কৌশলে ম্যানেজ করে একের পর এক অপকর্ম করে চলেছে খুমেকের নার্সিং বিভাগের সিন্ডিকেটটি। নার্সিং বিভাগের অনিয়ম দুর্নীতি দেখার ক্ষমতা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সরাসরি না থাকার কারণে বেপরোয়া ভাবে নার্সিং বিভাগের সিন্ডিকেটটি নানান অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছে। যার দরুন সাধারন রোগীদের চিকিৎসা সেবা প্রদাণ নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। প্রতিটাক্ষণ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নিয়ে হাসপাতালেরই কেউ না কেউ চক্রান্তে লিপ্ত থাকলে সুষ্ঠু সেবা প্রদাণ কীভাবে হচ্ছে? একটি অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গনমাধ্যমকে ভুল তথ্য দিয়ে মিথ্যা ওষুধ চুরির ঘটনা সাজিয়েছেন দুজন সিনিয়র সেবিকা। একজনের নাম রোকেয়া খাতুন এবং অন্যজন হোসনেয়ারা খাতুন। তাদের দুজনের বিরুদ্ধেই আবার সরকারী অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। সরকারী অর্থ আত্মসাৎ ঘটনার মূল সাক্ষী অন্য আর একজন নার্সকে শায়েস্তা করার জন্যই রোকেয়া খাতুন এবং হোসনেয়ারা খাতুন কৌশলে ওষুধ চুরির ঘটনা সাজিয়েছেন। তথ্য সূত্রে আরো জানা যায়, রোকেয়া খাতুন ঘটনার দিন কয়েকজনকে ম্যানেজ করে ১০:৩০ থেকে ১১:০০ টার মধ্যে হাসপাতালে প্রবেশ করেন। প্রায় চার লক্ষাধিক সরকারী অর্থ আত্মসাৎ করে মূল ঘটনা ধামাচাপা দিতেই এ নাটক সাজিয়েছে রোকেয়া এবং হোসনেয়ারা। এছাড়াও তাদের দুজনের সিন্ডিকেটে রয়েছে আরো একাধিক সেবিকা। তাদের অবৈধ কাজে সহায়তাকারী নার্সদের মধ্যে রয়েছেন মমতাজ বেগম, মনজু ফলিয়া, সবুরা খাতুন , রনজু বৈরাগী, দুলালী জোয়ার্দার, রওশানারা, ফরিদা ইয়াসমিনসহ আরো একাধিক সেবিকা। ৪৫০ জনের অধিক নার্সদের মধ্যে প্রায় ৩০-৪০ জনকে নিয়ে গড়ে তুলেছেন অপকর্মের সাম্রাজ্য। এ সিন্ডিকেটটি অর্থ আত্মসাৎ , সাধারন নার্সদের কাছে থেকে চাঁদা নেয়া এবং ভুয়া দাপ্তরিক চিঠি এবং মিথ্যা অভিযোগ দাখিল ও তা রফাদফার নামে টাকা আদায়সহ নানান অপকর্মে লিপ্ত। এছাড়াও বেসরকারী নাম সর্বস্ব ক্লিনিক ডায়াগষ্টিক সেন্টারের দালালি করছে নার্সদের এ অসাধু সিন্ডিকেটটি। খুলনায় স্বাস্থ্য সেক্টরের কোন দপ্তরের নিয়ন্ত্রনে না থাকার কারনে এবং সরাসরি জবাবদিহিতার অভাবে বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন অসাধু সেবিকারা। যার একটি খারাপ প্রভাব পড়েছে হাসপাতালে। সাধারন সেবিকারা জানান, হাসপাতালের বিভিন্ন অনাকাঙ্খিত ঘটনার পিছনে একটি শক্তিশালী চক্র কাজ করে। তারা রোগীদের সেবা না দিয়ে সারাদিন বিভিন্ন উপায়ে অর্থ উপার্জনের কৌশলে ব্যস্ত থাকে। সাধারন নার্সদের ডেকে নিয়ে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেয়া , মিথ্যা অভিযোগ বানিয়ে তা ডিজিএনএমে পাঠানোর ভয় দেখিয়ে চার-পাঁচ হাজার করে টাকা নিয়ে অভিযোগের বিষয় ধামাচাপা দেয়ার ঘটনা অহরহ ঘটেছে। তারা আরো বলেন, মিথ্যা অভিযোগ দিলে ভয় পাওয়া স্বাভাবিক। কারন সচিবলায় কিংবা ডিজিএনএম পর্যন্ত সরাসরি সাক্ষাৎ করে মূল বিষয় বলার সুযোগ সাধারন নার্সদের নেই বিধায় তারা টাকা দিয়ে ঝামেলা এড়িয়ে চলেন। কিছুদিন আগে ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে কৌশলে ভারপ্রাপ্ত পরিচালককে দিয়ে সাবিনা ইয়াসমিন নামে একজন নার্সকে লেবার ওয়ার্ডের দায়িত্ব দেয়া হয়। এরকম ইন্টার্নাল আরো একাধিক বানিজ্য রয়েছে বলে জানান তারা। হাসপাতালে ভারপ্রাপ্ত পরিচালকের সাক্ষাৎ পাওয়া যায়নি। তার রুমের দ্বারে উপস্থিত একজন বলেন তিনি ওয়াশরুমে। অপরদিকে তাকে একাধিকবার ফোন করেও পাওয়া যায়নি।

এমএসএম / এমএসএম

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ায় এক শিক্ষার্থীর বিষ পানে আত্মহত্যা

মার্কিন রাষ্ট্রদূতের উপস্থিতিতে গৌরনদীতে আন্তঃধর্মীয় সংলাপ

ঠাকুরগাঁওয়ে সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের ‘গডফাদার’ গ্রেপ্তার ২৭ মামলার আসামি

মিরসরাইয়ে হোটেল কক্ষে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত লাশ, পাশে রক্তাক্ত স্ত্রী

পাবনা ক্যাডেট কলেজে ৫২ জন অংশ নিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে সবাই

নিশাত ডাক্তার হতে চায়

ফরিদগঞ্জে এসএসসিতে পাসের হার ৬৫.৭৯%, জিপিএ-৫ পেল ১১৬ জন, ফলাফলে এগিয়ে এ.আর. পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়

বিলাইছড়িতে জিপিএ ৫ পেয়েছে তানজিলা আহাম্মদ বৃষ্টি ; পাসের হার ৩২.৭৬ %

চাঁদপুরে এসএসসিতে পাসের হারে এগিয়ে হাইমচর, জিপিএ-৫-এ সদর

মুরাদনগরে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন

কাপ্তাইয়ে এসএসসির ফলাফলে ধস, পাশের হার ৫১.৮৮%, জিপিএ-৫ পেল ৪৬ জন

এসএসসি-২০২৬, রাজশাহী বোর্ডে পাস ও জিপিএ-৫, দুই সূচকেই বগুড়ার শ্রেষ্ঠত্ব

গাছ লাগানোর মধ্যেই আগামীর সবুজের স্বপ্ন: গাজীপুরে সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি