রোজায় ডায়রিয়া ও পেটের সমস্যার প্রতিরোধ ও প্রতিকার: ডা. মো. রাশীদ মুজাহিদ
পুরো রমজান মাস জুড়েই ইফতার ও সেহরি নিয়ে আমাদের সবারই কম বেশি বিশেষ আয়োজন থাকে। অনেক সময় শুধু স্বাদের কথা চিন্তা করতে গিয়ে খাবারের পুষ্টিগুণ, খাবারটা কোথা থেকে কিনে আনছি বা কিভাবে রান্না করছি এসব বিষয় ভুলে যাই।আবার একই সময়ে অনেক খাবার একসাথে খেয়ে ফেলি।ফলাফল হিসেবে দাঁড়ায় পেটের সমস্যা বা ডায়রিয়া।
রোজা থাকাকালীন ডায়রিয়া হলে বা ডায়রিয়া প্রতিরোধে কি করণীর আজ সেটা নিয়েই এই আয়োজন।রোজা অবস্থায় ২/৩ বারের বেশি পায়খানা না হলে রোজা থাকা যাবে,কিন্তু যদি পাতলা পায়খানা অনেক বার হয়,অসহনীয় পেট ব্যথা, বমি, অতিরিক্ত ক্লান্তি, পানি পিপাসা, জিহ্বা শুকিয়ে আসা, চোখে ঝাপ্সা দেখা-এসব লক্ষণ দেখা দেয় তাহলে রোজা ভেংগে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব স্যালাইন, খাবার পানি খেতে হবে এবং ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। ডায়রিয়া হলে স্যালাইন বা বিশুদ্ধ তরল পানি পানের কোন বিকল্প নেই। এর সাথে খাবারে বিভিন্ন ফলের জুস,ডাবের পানি, সালাদ, স্যুপ, কাঁচা কলা বা দই খাওয়া যেতে পারে।
যেহেতু হজমের সমস্যা থাকে তাই সহজপাচ্য খাবারের দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। জাউভাতের সাথে কম মশলা ও ঝাল দিয়ে রান্না করা পাতলা ঝোলের নরম মাছ, ছোট মাছ,মুরগির মাংস দেয়া যেতে পারে।
ডায়রিয়া থেকে দ্রুত নিরাময়ের জন্য প্রোটিনের ভূমিকা আছে; তাই ডিমের সাদা অংশ খাবারে যুক্ত করতে হবে। এ সময় শাক না খাওয়াই ভালো, এতে করে হজমের সমস্যা বেড়ে যেতে পারে।
ডায়রিয়া প্রতিরোধে:
ইফতারিতে একবারে অনেক খাবার খাওয়ার প্রবণতা আমাদের সবারই কম বেশি থাকে,কিন্তু এটা শরীরের জন্য ঠিক নয়। তাই সময় নিয়ে খাবার ভালো করে চিবিয়ে খাবার খেতে হবে।অল্প অল্প করে বিরতি দিয়ে খাওয়া ভালো,এতে হজম ভালো হয়।পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। ইফতারিতে প্রচন্ড ঠান্ডা পানি বা গরম চা পরিহার করা ভালো। ইফতারির পর ধূমপান করা যাবে না। খাবার খোলা ফেলে না রেখে ঢেকে রাখতে হবে।
ফল-মূল ভালো করে ধুয়ে খেতে হবে।
যেসব খাবার সংরক্ষণ করা যায় সেগুলো নির্দিষ্ট তাপমাত্রার ফ্রিজিং করে রাখতে হবে।
ফ্রিজে বেশিদিন রাখা পুরনো খাবার গরম করে খেলে অনেক সময় পেটের সমস্যা বা ডায়রিয়া হয়। তাই খাবার টাটকা খাওয়ার চেষ্টা করতে হবে।
বাইরে থেকে বিভিন্ন শরবত বা পানীয় কিনে এনে খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে,এগুলো ঘরে বানিয়ে খাওয়াই ভালো।
অনেকে পানি ঠান্ডা করার জন্য বাইরে থেকে বরফ কিনে আনেন সেটা মোটেও স্বাস্থ্যকর নয়।
পানিবাহিত রোগ ডায়রিয়া বা পেটের সমস্যা প্রতিরোধে বিশুদ্ধ সুপেয় পানি পান করতেই হবে।
একটু বুঝে শুনে নিয়ম মেনে খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুললেই আমরা রোজায় ডায়রিয়া বা পেটের এসব সমস্যা থেকে সুস্থ থাকতে পারবো।
লেখক: ডা. মো. রাশীদ মুজাহিদ
এম.বি.বি.এস.
ফ্যামিলি মেডিসিন চিকিৎসক,
সেন্টার ফর ক্লিনিকাল এক্সিলেন্স এন্ড রিসার্চ, ঢাকা
এমএসএম / এমএসএম
বৃহত্তর উত্তরা সর্বোচ্চ উলামা আইম্মা পরিষদের কেন্দ্রীয় সম্মেলন ২০২৬ অনুষ্ঠিত
শহীদ মডেল স্কুল এন্ড কলেজ কামারপাড়া তুরাগের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত
রাজউকের মোবাইল কোর্ট অভিযানে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় তিন ভবনে ব্যবস্থা, মিটার জব্দ
জন্মনিয়ন্ত্রণে ‘ভূতের বাতি’ সামগ্রীর তীব্র সংকটে সেবা ব্যাহত, বঞ্চিত কোটি কোটি দম্পতি
ফায়ারের ডিজির বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত ফায়ার ফাইটার কামাল
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর সঙ্গে বাংলাদেশ স্কাউটসের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ
বিএমইউর সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে মালামাল চুরির ঘটনায় গ্রেফতার ২
সাংবাদিকের ওপর হামলা হোটেল বায়ান্ন ইন্টারন্যাশনাল কর্মচারীদের
প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে ফরেস্ট গার্ডদের মামলা পদোন্নতির সমাধান আদালতে
‘সংরক্ষিত আসনের জন্য আমাকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, ফিরিয়ে দিয়েছি’
সন্ত্রাসী ভাড়া করে ক্যান্সার হাসপাতালের উপ-পরিচালককে ছুরিকাঘাত
পোড়া তেল ব্যবহার না করার আহ্বান বিএফএসএ চেয়ারম্যানের