দুই দিনের মধ্যে জমা নেওয়ার নির্দেশ
আক্কেলপুরের চেয়ারম্যান প্রার্থী লাকীর হাইকোর্টে রিট
জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নির্ধারিত তারিখে মনোনয়ন পত্র জমা দিতে ব্যর্থ হয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজমা আখতার লাকী। পরে হাইকোর্ট রিট আবেদন মঞ্জুর করে ওই প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র দুই দিনের মধ্যে জমা নিতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তাকে নির্দেশ প্রদান করেছেন। তবে এই আদেশ পালনে গরিমশি করছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা বলে অভিযোগ তুলেছেন ওই প্রার্থী।
গত ২৩ এপ্রিল বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনের বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান এবং বিচারপতি কে.এম জাহিদ সারোয়ারের যৌথ বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
ওই প্রার্থী সূত্রে জানা গেছে, ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ সাধারন নির্বাচনে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার জন্য সকল প্রস্তুতি নেন নাজমা আখতার লাকী। সেই মোতাবেক তিনি নির্বাচনী তপসীল অনুযায়ী মনোনয়ন দাখিলের শেষ দিন ১৫ এপ্রিল ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়ার পর নির্বাচন কমিশনের অনলাইনে আবেদন করার সময় সার্ভারে জটিলতা দেখা দেয়। পরবর্তীতে চেষ্টা করেও নির্দিষ্ট সময় অতিবাহিত হলে তিনি মনোনয়ন পত্র দাখিল করতে ব্যার্থ হন। এর পর গত ২২ এপ্রিল তিনি নির্বাচনে অংশ গ্রহনের উদ্দেশ্যে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করেন। ওই রিট আবেদন হাইকোর্ট আমলে নিয়ে গত ২৩ এপ্রিল বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনের বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান এবং বিচারপতি কে.এম জাহিদ সারোয়ারের যৌথ বেঞ্চ জয়পুরহাট জেলা রির্টানিং কর্মকর্তাকে আদেশপত্র প্রাপ্তির দুই দিনের মধ্যে ওই প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র জমা নেওয়ার আদেশ দেন। এ ছাড়া ওই প্রার্থী মনোনয়ন পত্র জমা না নেওয়ার কথিত ব্যর্থতার বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সচিব, স্থানীয় সরকার সচিবালয়ের সচিব, জয়পুরহাট জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আক্কেলপুরকে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে ওই আদেশে।
রিট আবেদনকারী চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজমা আখতার লাকী অভিযোগ করে বলেন, আমার চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন পত্র দাখিলের শেষ দিনে নির্বাচন কমিশনের সার্ভারে ত্রুটির কারণে টাকা জমা দেওয়া সত্বেও আমার মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি। বিষয়টি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানালে তিনি কার্যকারী কোন পদক্ষেপ গ্রহন করেননি। এ কারণে আমি মহামান্য হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছি এবং রায় আমার পক্ষে পেয়েছি। কিন্তু আদেশ পাওয়ার পরেও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আমার মনোনয়ন পত্র জমা না নিতে গরিমশি করছেন। এটি একটি রাজনৈতিক কৌশলও হতে পারে বলে আমি মনে করছি।
রিটাকারী আইনজীবী এডভোকেট মো. আব্দুল মজিদ মোল্লার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, মহামান্য হাইকোর্টের আদেশ কপিতেই বিস্তারিত বলা আছে। এর বাহিরে আমার কিছু বলার নেই।
জেলা রিটার্নিং ও নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফজলুল করিম বলেন, মহামান্য হাইকোর্টের রিট আদেশের কপি আমি পেয়েছি। বিষয়টি নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছি। বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশন আপিল করবে। এ ধরনের আইনি কাজ নির্বাচন কমিশন দেখে থাকে। মনোনয়ন জমা না দিতে পারা তার ব্যার্থতা। গরিমশির অভিযোগটি সত্য নয়। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এমএসএম / এমএসএম
শালিখায় শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি, প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত ভাস্কররা
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন,পটিয়ার ধলঘাট স্কুল এন্ড কলেজে দিনে চুরি
মোরেলগঞ্জে নসিমন-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ২
পাটগ্ৰাম সীমান্তে বিজিবির বিশেষ অভিযানে ভারতীয় গরু আটক
মুকসুদপুর প্রেসক্লাবের সাংবাদিকের পিতার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল
আধুনিকতার ছোঁয়ায় লাটিমের ঘূর্ণিপাক এখন শুধুই স্মৃতি
ডেঙ্গুর ঝুঁকি বাড়ছে নরসিংদীতে, ভেলানগরে জরুরি মশকনিধনের দাবি
মতলবে বিশেষ অভিযানে মাদক কারবারিসহ আটক ২৪
বাজারে আগুন, সংসারে চাপ' কৃষক থেকে মধ্যবিত্ত, বিপাকে সাধারণ মানুষ
১৩ বছরে দুই বিয়ে! কালিহাতীতে কিশোরীকে ঘিরে চাঞ্চল্য, উঠছে নানা প্রশ্ন
কৃষক বাবার ঘর থেকে প্রশাসন ক্যাডারে রায়গঞ্জের রনি
রায়গঞ্জে পুকুর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার