কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে গরু নিয়ে স্বপ্ন বুনছেন খামারীরা
আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে গরু মোটাতাজা করণ ও বিশুদ্ধ মাংস উৎপাদনে ব্যস্ত সময় পার করছেন সদরপুরের খামারিরা। সম্পূর্ণ দেশীয় খাবারের ওপর ভিত্তি করে এসব খামারে কোরবানির পশু লালন-পালন করা হচ্ছে। বাজারমূল্য ঠিক থাকলে এবারও লাভের মাধ্যমে তাদের স্বপ্ন পুরনের আশা খামারিদের।
দেশের দক্ষিনাঞ্চল তথা ফরিদপুরের গরুর চাহিদা রয়েছে সারা দেশজুড়ে। তারই ধারাবাহিকতায় ফরিদপুর জেলার সদরপুর উপজেলার ৯০৭টি খামারে ছোট বড় মাঝারি আকারের হলেস্টাইন ফ্রিজিয়াম, জার্সি, ব্রাউই সুইট, নওরেজিয়ান রেড, লাল,ব্রাহামা এবং সাদা হলেস্টাইন ও দেশী সহ বিভিন্ন জাতের প্রায় ২৪৩০টি ষাড়,১৩৫টি গাভী,১০৮৬০টি ছাগল ও ১৫টি ভেড়া সহ মোট ১৩৪৪০টি পশু কোরবানীর জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। স্থানীয় চাহিদা পূরন করেও রাজধানী ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি হবে।ফরিদপুর জেলা প্রানী সম্পদ ট্রেনিং অফিসার ও সদরপুর উপজেলা প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দ্বায়িত্ব) ডাঃ এ কে এম আসজাদ জানান তিনি ও তার অফিসের সকল কর্মকর্তা, কর্মচারী ও বিভিন্ন ইউনিয়নের (এল,এস,পি) বৃন্দ সার্বক্ষণিক খামারিদের পরামর্শ ও সহযোগীতা দিয়ে আসছে।
ঢেউখালী ইউনিয়নের লাইভ স্টক সার্ভিস প্রোভাইডার (এল,এস,পি) কোহিনূর আক্তার বলেন আমার ইউনিয়নে প্রায় ১৮০০টির মতো পশু মোটাতাজাকরণ ও কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং সার্বক্ষণিক তাদের দেখাশোনা ও খামারিদের পরামর্শ দিয়ে আসছি।সরেজমিনে গিয়ে বিভিন্ন খামারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গো খাদ্যের দাম কয়েক দফায় বৃদ্ধি পাওয়ায় লাভের আশঙ্কা কম তবে অবৈধভাবে ভারতীয় গরু বাজারে না আসলে হয়তো তাদের পালিত পশু বিক্রি করে কিছুটা লাভের মুখ দেখতে পারবেন তারা।
কোরবানির পশু খাদ্য তালিকায় রয়েছে খৈল,ভুষি,খড়,সবুজ ঘাস,ভুট্টা গাছের সাইলেন্সার,ছোলা ও প্রাকৃতিক খাবার। প্রাকৃতিক উপায়ে সম্পূর্ণ ষ্টেরয়েড ও ইনজেকশনমুক্ত বিষুদ্ধ গো-খাদ্যের মাধ্যমে বড় করে কোরবানির জন্য প্রস্তুত করছেন বলে জানিয়েছেন খামারিরা।
চরব্রাহ্মন্দী গ্রামের হাওলাদার ডেইরি ফার্মের মালিক মোঃ ফারুখ হাওলাদার জানান, প্রাকৃতিকভাবে গরু বড় করে আমরা সুনামের সাথে দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর যাবৎ বিক্রি করে আসছি। তিনি প্রায় ৩ একর জমিতে উন্নত জাতের কাঁচা ঘাসের চাষ করেছেন। উন্নত জাতের অস্ট্রেলিয়ান, জার্সি, ফ্রিজিয়ান,ব্রাহামা সহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ১০০টি কোরবানীর উপযুক্ত ষাড় গরু পালন করছেন যার প্রতিটি গরু সর্বনিম্ন ২ লক্ষ থেকে সর্বোচ্চ ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত মূল্য রয়েছে। তার খামাড়ে প্রতিদিন বিভিন্ন স্থান থেকে ক্রেতারা কোরবানির পশু ক্রয়ের জন্য দেখতে আসছেন। এ সমস্ত গরু ঢাকায় বেশ চাহিদা রয়েছে। তবে খামারে এসেও অনেকেই তাদের পছন্দ মত কোরবানির পশু বাজেটের মধ্যেই কিনতে পারবে।
চরডুবাইল গ্রামের খামারী শাহজাহান মীর জানান আমি প্রতি বছর ৫০-৬০ টা গরু পালন করলেও এবার ষ্টক বাছুরের মূল্য ও খাদ্য মূল্য বেশী হওয়ায় গরু পালন কমিয়ে দিয়েছি।
চন্দ্রপাড়া সরদার ডাঙ্গী গ্রামের খামারী আবুতালেব সরদার জানান ভালোজাত ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে কোরবানীর ষাঁড় পালন করলে লাভের আশা করা যায়।
এমএসএম / এমএসএম
অনলাইনে ইলিশ কিনতে ক্রেতাদের সতর্ক করল চাঁদপুরের অংশীজনরা
ব্রহ্মপুত্রের চরে তালাবদ্ধ সরকারি স্কুল, ক্ষোভে ক্লাসরুমের তালা ভাঙার চেষ্টা শিশুদের
কুমিল্লায় প্রাডো গাড়িতে ৩ লাখ ইয়াবা, আটক ২
নেত্রকোণার দুর্গাপুরে ৪ শত পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক
ধামইরহাটে বাল্যবিবাহ শিশুশ্রম ও বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ঝড়েপড়া রোধে সাংবাদিকদের নিয়ে আলোচনা সভা
শিলক খাল থেকে বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে বান্দরবানে মানববন্ধন
নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় দুটি ষাঁড় গরু আকস্মিক মৃত্যু
দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু রোগীদের পাশে ইউএনও (অ.দা) নাহিদ আহমেদ, দিলেন মশারি
কালিয়ায় ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলনে নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি
নাচোলে পানিতে ডুবে ৭ বছরের শিশুর মৃত্যু
বাবাকে হারিয়ে স্বপ্ন ডাক্তার হওয়ার, দারিদ্র্যে থমকে যেতে পারে শয়নের পথ
ত্রিশালে পুকুরে ডুবে দুই চাচাতো ভাইয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু