ঢাকা মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬

চৌগাছায় পল্লী বিদুতের সেবার মান নিয়ে গ্রাহক অসন্তোষ চরমে


ইমাম হোসেন সাগর, চৌগাছা photo ইমাম হোসেন সাগর, চৌগাছা
প্রকাশিত: ১১-৬-২০২৪ দুপুর ৩:৯
চৌগাছায় পল্লী বিদ্যুতের সেবা নিয়ে গ্রাহক অসন্তোষ দিন দিন চরম আকার ধারন করেছে। তীব্র গরমে ইচ্ছামত করা হচ্ছে লোডসেডিং, বিল এক মাস বাকি হলেই লাইন বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে, পুনরায় সেই লাইন সংযোগে গ্রাহককে প্রায় হাজার টাকা গুনতে হচ্ছে, এপ্রিল মাসে গ্রহককে দ্বিগুন তিনগুন পর্যন্ত বেশি টাকা বিল পরিশোধ করতে হয়েছে। সব মিলিয়ে চরম এক অস্বস্তিকর পরিবেশ বিরাজ করছে পল্লী বিদ্যুত ব্যবহারকারীদের মাঝে।
চৌগাছাকে বেশ আগেই শতভাগ বিদ্যুতায়ন উপজেলা ঘোষনা করা হয়েছে। শতভাগ বিদ্যুত পাওয়া উপজেলা হওয়ার সুবাদেই নানা অজুহাতে গ্রহকের পকেট কাটা হচ্ছে বলে অভিযোগ বিদ্যুত ব্যবহারকারীদের।
চৌগাছা সরকারী হাসপাতালের পাশের বাসিন্দা আব্দুর রহমান বলেন, মে মাসের ২৭ তারিখে আমার বিদ্যুত বিল পরিশোধের শেষ তারিখ ছিল। ২৮ তারিখে আমি বিলম্ব ফি সহ টাকা অনলইনে পরিশোধ করি। ৩০ মে কর্তৃপক্ষ এসে আমার লাইন কেটে গেছে। পুনরায় লাইন সংযোগে আমাকে ৮২৮ টাকা জরিমানা গুনতে হলো, এই দায় কে নিবে ?
পৌর কর্মচারী সুলতান মাহমুদ বলেন, পারিবারিক সমস্যার কারনে মে মাসে বাড়িতে কম থাকা পড়েছে। ওই মাসে তার বিল এসেছে ১৬৫ টাকা। আর বিলম্ব ফিসহ জুনের ৬ তারিখে পরিশোধ করলে টাকা দিতে হবে ১৭৯ টাকা। কিছুটা ঝামেলা থাকায় টাকা দিতে ব্যার্থ হন এই কর্মচারী, যথারীতি ১০ জুন লাইন বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। ১১ জুন তিনি বিদ্যুত অফিসে যেয়ে তার অভিযোগ জানালেও কোন কর্ণপাত করা হয়নি। পরবর্তীতে ৮২৮ টাকা জরিমানা দিয়ে পুনরায় সংযোগ নিতে হয়েছে। তার প্রশ্ন বিপদ আপাদে পড়ে অনেকে এক মাস হয়ত বিল দিতে পারলো না, কিন্তু বিদ্যুত অফিস কোন ধরনের সংকেত ছাড়াই লাইন কেটে দিচ্ছে গ্রাহককে গুনতে হচ্ছে ৮২৮ টাকা এটি কেমন নিয়ম বুঝে আসে না।
এ দিকে গত এপ্রিল মাসে অধিকাংশ গ্রহককে বিলের দুই গুন তিন গুন টাকা গুনতে হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ইছাপুর গ্রামের মোঃ মধু বলেন, মার্চ মাসের ৬০০ টাকা বিল দিতে পারেনি, এপ্রিলে এসে সেই বিল হয়েছে ১৮০০ টাকা। আমি একজন ভ্যান চালক, বহু হিসেব করে আমাদের মত গরীবদের চলতে হয় কিন্তু বেহিসেবি এই বিল আমি কি ভাবে পরিশোধ করবো। চা বিক্রেতা বিজয় সাহা বলেন, প্রতি মাসে আমার হাজার থেকে ১২শ টাকা বিল আসে কিন্তু এপ্রিলে সেই বিল হয়েছে ২২শ টাকা। এতো টাকা কেন হলো কি ভাবে হলো আমি নিজেও জানি না। সময়মত টাকা না দিতে পারলে আবার লাইন কেটে দেয়া হচ্ছে তখন গুনতে হবে ৮২৮ টাকা, তাই দেনা হয়ে বিল শোধ করলাম। এপ্রিল মাসের বিদ্যুত বিল নিয়ে প্রতিটি গ্রাহকের এ ধরনের অভিযোগ রয়েছে।
গ্রাহকরা জানান, পল্লী বিদুত কর্তৃপক্ষ তাদের ইচ্ছামত লোডসেডিং করেন। নামাজের সময় হলে লোডসেডিং করা যেন নিয়মে পরিনত হয়েছে। এমনিতে চলে লোডসেডিং আর যদি গাছের পাতা একটু জোরে নড়ে চলে যায় বিদ্যুত তখন ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে হয়। এই পরিস্থিতি উপজেলা সদরে সহনশীল পর্যায়ে থাকলেও চরম ভয়াবহ অবস্থা গ্রামাঞ্চলে। এসব দেখার মত কেউ নেই, তাই সাধারণ মানুষ বিদ্যুত নিয়ে দিনের পর দিন কষ্ট ভোগ করে যাচ্ছে।
এ বিষয়ে চৌগাছার পল্লী বিদ্যুতের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী বালি আবুল কামাল বলেন, নানা সমস্যার কারনে কিছু কিছু সময় বিদ্যুত বন্ধ করা হয়, সেটি লোডসেডিং না। আর এপ্রিলে মানুষ বিদ্যুত বেশি ব্যবহার করেছেন ওই মাসে বিদুতের দামও বেড়েছে সে কারনে বিল কিছুটা বেশি আসতে পারে। 

এমএসএম / এমএসএম

ভূরুঙ্গামারী থানা জেলার শ্রেষ্ঠ, সেরা সার্কেল এএসপি মুনতাসির ও ওসি আজিম

শাহরাস্তিতে সরকারি গাছ কাটার টাকা ফেরত দিলেন বিএনপি নেতা

মেহেরপুরে ৭০ মেধাবী শিক্ষার্থীকে জেলা পরিষদের বৃত্তি প্রদান

কেডিএর সেবা ও মাস্টার প্ল্যান নিয়ে অভয়নগরে মতবিনিময়

খাদ্যে ভেজাল, ভুয়া ‘ডা.’ পদবী ব্যবহার : চাঁদপুরে তিন প্রতিষ্ঠানের জরিমানা

সিংড়ায় ট্রাফিক আইন অমান্য করায় ৪ জনকে জরিমানা

ধামরাইয়ে পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে গরমিল, বিপাকে শিক্ষার্থীরা

ত্রিশালে বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার

কর্ণফুলীতে খাল পুনঃখননের টাকা লোপাটের অভিযোগ

দাউদকান্দি উপজেলা ও পৌর বিএনপির মেয়াদোত্তীর্ণ আহ্বায়ক কমিটি বাতিল

পিরোজপুরে মাদকবিরোধী পদযাত্রা ও সচেতনতামূলক স্টিকারিং কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে

নাচোলে ডিএপি সার মজুদের অভিযোগ, ৫ হাজার টাকা জরিমানা নিয়ে কৃষকদের অসন্তোষ

ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) উদযাপনে অশেষ কল্যাণ ও মাহাত্ম্য রয়েছে