ধোপাজান নদীতে ড্রেজার মেশিনের তাণ্ডব
উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে ধোপাজান চলতি নদীতে ড্রেজার মেশিন দিয়ে চলছে পাড় কাটার মহোৎসব। রাত হলেই চলে এ তাণ্ডবলীলা। প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়া সবাই বিষয়টি জেনেও না জানার ভান করছেন। এর ভাগ পাচ্ছেন অনেকেই। নিম্নপর্যায়ের কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করেই রাতের আঁধারে চালানো হয় পাড় কাটার মহোৎসব। জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের সর্বোচ্চ কর্মকর্তাদের ভুল বুঝিয়ে রাতের আঁধারে চালানো হয় এসব অবৈধ কর্মকাণ্ড।
সূত্র জানায়, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলাধীন চলতি নদীর আদাং, ডলুরা, রামপুর, জিনারপুর, রতারগাঁও, সদর উপজেলাধীন কাইয়ারগাঁও, ডলুরা, ফেনিবিলসহ কয়েকটি গ্রামে নদীর পাড় কাটা চলে রাতের আঁধারে। তবে এসব বিষয়ে মাঝেমধ্যে দু-একটি বালুভর্তি নৌকা আটক করা হলেও সংশ্লিষ্টদের ম্যানেজ করেই চলে এসব কর্মকাণ্ড। প্রতি রাতে ৫০ থেকে ৮০টি ড্রেজার মেশিন বসানো হয় নদীর দুই তীরে। এসব মেশিনের শব্দে আশপাশের সাধারণ মানুষ রাতে ঘুমাতে পারেন না। সেই সাথে আশপাশের ফসলি জমিও বিলীন হয়ে যাচ্ছে নদীগর্ভে। জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের দুই কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করতে না পারলেও অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট চক্র। এই চক্রটি প্রশাসনসহ কিছু কিছু সাংবাদিকদের নাম ভাঙিয়েও ধ্বংস করছে ধোপাজান নদীকে।
জিনারপুর গ্রামের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান, আমাদের করার কিছুই নেই। নদীর পাড় কাটার ফলে আমাদের ফসলি জমি ও বাড়িঘর বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এই সিন্ডিকেট চক্রের বিরুদ্ধে কথা বললেই আমরা বাড়িতে শান্তিতে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ঘুমাতে পারব না। পুলিশের অসৎ কর্মকর্তাদের দিয়ে আমাদের নানাভাবে হয়রানি করা হয়ে থাকে। বালিখেকো সিন্ডিকেট চক্রটি স্থানীয় পুলিশ, উপজেলা প্রশাসন, নৌ পুলিশ ও ডিবি পুলিশকে ম্যানেজ করেই চালায় এ তাণ্ডবলীলা।
সূত্র আরো জানায়, প্রশাসনের অসৎ কিছু সদস্য প্রত্যেক নৌকা ও ড্রেজার থেকে প্রতি রাতের জন্য ৫-৭ হাজার টাকা করে হাতিয়ে নিচ্ছেন।
সুনামগঞ্জের টুকেরবাজার নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ রফিকুল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে শুনেছি। আমরা এসপি মহোদয়কে অবহিত করে অভিযানে যেতে পারি।
বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাদিউর রহিম জাদিদ জানান, আমি প্রতিনিয়ত অভিযান পরিচালনা করে নৌকা আটক করছি কিন্তু রাতে অভিযান পরিচালনা করা খুবই কঠিন। আমাদের নিজেদের সিকিউরিটির ব্যাপারও আছে। বালু সিন্ডিকেট চক্রের সদস্যদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
নৌ পুলিশ সিলেট অঞ্চলের পুলিশ সুপার সম্পা ইয়াসমিনের সরকারি মোবাইল নম্বরে রাত সাড়ে ৯টায় বারবার কল দিলে রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
সুনামগঞ্জ পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বিপিএম জানান, বালু সিন্ডিকেট চক্রের বিরুদ্ধে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ধোপাজান চলতি নদীতে রাতের আঁধারে ড্রেজার বসানোর খবর আমিও পেয়েছি। তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে পদক্ষেপ নেয়া হবে।
জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, ধোপাজান চলতি নদীতে রাতের আঁধারে ড্রেজার মেশিন বসানোর খবর পেয়েছি। তবে গভীর রাতে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে পাঠাতে তার সিকিউরিটির বিষয়টি মাথায় রাখতে হয়। এই সিন্ডিকেট চক্রের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণসহ অভিযান চালানো হবে। এ চক্রটিকে কোনোভাবে থামানো যাচ্ছে না।
এমএসএম / জামান
২য় বাংলাদেশ রেমিট্যান্টস’ রিকগনিশন ২০২৬’ অনুষ্ঠানে সম্মাননা পেয়েছেন দাউদকান্দির বাবুল খন্দকার
এডহক কমিটির সভাপতি হলেন মোহাম্মদ সাইয়েদ হোসেন বাবু
পেকুয়ায় উজানটিয়া যুব উন্নয়ন একতা ক্লাবের কমিটি অনুমোদন
রাজারহাটে সরকারি গুদামের বদলে অটো রাইস মিলে ধান সংগ্রহের অভিযোগ
মীর নোয়াবুল হক মেমোরিয়াল হাই স্কুলের নবনির্মিত একাডেমিক ভবন উদ্বোধন
ঠাকুরগাঁওয়ে আত্মীয়ের বাড়িতে নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার আসামি জেলহাজতে
মাদারীপুরে অবৈধ বালু উত্তোলন ও বিক্রি বন্ধের দাবিতে যুবদলের স্মারকলিপি
জয়পুরহাটে মোহাম্মদাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে প্রায় ৮০০ বনজ ও ফলজ বৃক্ষ রোপণ
জয়পুরহাটে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২ এর রেজিস্ট্রেশন বৃদ্ধিতে প্রস্তুতিমূলক সভা
বিপর্যয়ের মধ্যেও কুতুবদিয়ায় এসএসসি ফলাফলে মডেল হাই স্কুল শীর্ষে, দাখিলে নূরানীয়া বালিকা মাদ্রাসা
বিছানায় গৃহবধূর লাশ রেখে স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক
মধুখালী বাজার পরিদর্শনে নবনিযুক্ত ইউএনও, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের ঘোষণা