বেরোবির বহুমুখী সংকট সমাধানের একমাত্র পথ দ্রুত উপাচার্য নিয়োগ
ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে ৫ আগস্ট সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে(বেরোবি) উপাচার্য (ভিসি),কোষাধ্যক্ষসহ শীর্ষ পর্যায়ে(৪০পদে) শিক্ষক-কর্মকর্তারা পদত্যাগ করছেন। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ে বহুমুখী সংকট তৈরি হয়েছে।বিশ্ববিদ্যালয়ে এই বহুমুখী সংকট সমাধানের একমাত্র পথ দ্রুত উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া।
সরকার পতনের পর দলীয় ব্যক্তিরা পদত্যাগ করায় বর্তমানে অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে উত্তরের বাতিঘর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়। প্রশাসনিক কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলছে না। দীর্ঘদিন হয়ে গেলেও নতুন নিয়োগও হচ্ছে না যার ফলে শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে।
৯ই আগস্ট বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড.মো. হাসিবুর রশীদ পদত্যাগের মধ্যে দিয়ে উপাচার্যহীন হয়ে পড়ে এই বিশ্ববিদ্যালয়। দীর্ঘ ২১ দিন পার হলেও এখনো নতুন অভিভাবক পায়নি উত্তরের এই বাতিঘরটি। শহীদ আবু সাঈদ হত্যাকান্ডের পর বহুমুখী সংকটে পড়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ আবু সাঈদ হত্যা ও ১১ জুলাই ২০২৪ তারিখ থেকে যেসকল শিক্ষার্থী নির্যাতনের শিকার হয়েছে তার বিচার বা মামলা হয়নি এখন পর্যন্ত । শহীদ আবু সাঈদ হত্যার মূল আসামীরা এই বিচার বা মামলার বাহিরে তাদের বিরুদ্ধে এখনও কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকা রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মোঃ আলমগীর চৌধুরী ।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাজহাট থানা একটি মামলা দায়ের করেছেন সেটি বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসব ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সেসব জিনিসপত্রের। শহীদ আবু সাঈদ বা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় নির্যাতনের শিকার শিক্ষার্থীদের পক্ষে এখনো কোন মামলা দায়ের করেননি বিশ্ববিদ্যাল প্রশাসন। যদিও শহীদ সাঈদের পরিবার একটি মামলা করেছেন তবে এতে অনেক জড়িত আসামিরা বাদ পড়েছেন।বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন প্রশাসন আসার পর সেই প্রশাসনের প্রধান কাজ হবে শহীদ সাঈদ হত্যা ও ছাত্র নির্যাতনে জড়িত দোষীদের শাস্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।
বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন উপাচার্য না থাকা বিভাগগুলোতে ক্লাস,পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বিভিন্ন সেমিস্টারের রেজাল্ট দেওয়া হচ্ছে না। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিভিন্ন দাবি দাওয়া পূরন করা সম্ভব হচ্ছে না। আমাদের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সময়ে সশরীরে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কেমন উপাচার্য চাই তা জানিয়ে তাদের মতামত দিয়েছেন। শিক্ষার্থীদের কণ্ঠের সাথে কণ্ঠ মিলিয়ে আমরাও বলতে চাই বিগত সময়ে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে বিগত উপাচার্যের আমলে যেসকল অনিয়ম, দুর্নীতি ও নিয়োগ বাণিজ্য হয়েছে তা অনুসন্ধান করে সবকিছুর বিচার করতে পারবেন। একাডেমিক ও প্রশাসনিক দক্ষ ও নীতিবান ব্যক্তি যদি উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পান তাহলে শিক্ষার্থী ও বেরোবি পরিবারের আশা পূর্ণ হবে।
শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনা, প্রশাসনিক সংকট সমাধান ও শহীদ আবু সাঈদ হত্যার বিচার ও ছাত্র নির্যাতনের বিচার দ্রুত শুরু করার জন্য উপাচার্য নিয়োগের বিকল্প নাই। মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা ও মাননীয় শিক্ষা উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের কথা মাথায় নিয়ে দ্রত সময়ের মধ্যে উপাচার্য নিয়োগ দিয়ে উত্তরের বাতিঘরটিকে স্বভাবিক করুন। দ্রুত ন্যায়, সৎ ও দক্ষ একজনকে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগ দিন।
মো. ইউসুফ
শিক্ষক,ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় রংপুর ।
এমএসএম / এমএসএম
তেলের যুদ্ধ: জিসিসির ক্ষয়, আমেরিকা-রাশিয়া-ইরানের জয়!
সড়ক দখলমুক্ত করতে কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন
”আলোর খোঁজে” আধাঁর পথে ঘুরছি শুধু দিনে রাতে
হিংসা নয়, মেধা, শ্রম ও ভালো কাজের প্রতিযোগিতা-ই সফলতা এনে দেয়
ডা. জুবাইদা রহমানের সফট পাওয়ার কূটনীতির উত্থান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশংসিত!
ঈদ জামাতের সময় মধ্যপ্রাচ্যে ড্রোন-মিসাইল সতর্কতা; মুসল্লিদের মধ্যে উদ্বেগ ও বিস্ময়!
প্রধানমন্ত্রীর ২৮ দিনে ২৮ পদক্ষেপ: দ্রুত বাস্তবায়নে নতুন দৃষ্টান্ত, সুশাসনে জোর!
নীরব কৌশলের রাজনীতি: রাষ্ট্রপতিকে ঘিরে তারেক রহমানের দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক দূরদর্শিতা
ঈদ-উল-ফিতর সৌহার্দ্য ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করে লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল
লাইলাতুল কদরের ইবাদত: বান্দার গুনাহ মাফের জন্য রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে আত্মসমর্পণ অপরিহার্য!
আল-কুরআন বিজ্ঞান ও রমজান
ঈদযাত্রা আনন্দময় ও নিরাপদ হোক