ঢাকা শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬

ডিএসসিসির প্রধান প্রকৌশলীকে অব্যাহতি


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ৭-৯-২০২৪ বিকাল ৫:৪০

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ভারপ্রাপ্ত সাবেক প্রধান প্রকৌশলী আশিকুর রহমানের সাময়িক বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (০৭ সেপ্টেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে ডিএসসিসির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্দোলনের মুখে অদক্ষতা ও দুর্নীতির অভিযোগে প্রকৌশলী আশিকুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল।

ডিএসসিসির প্রধান প্রকৌশলী আশিকুর রহমানের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই নানা দুর্নীতি এবং অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল। তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের ছত্রচ্ছায়ায় থাকায় তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি কর্তৃপক্ষ। এমনকি ওয়ান-ইলেভেনের সময়কালে গঠিত টাস্কফোর্স আশিককে দক্ষিণ সিটির ১ নম্বর দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা হিসেবে ঘোষণা করে। এর পরও আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর সুকৌশলে সরকারি দলের নেতাদের ম্যানেজ করে বাগিয়ে নেন একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ পদ। দায়িত্ব পালন করেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালকের পদেও।

নথিপত্র ঘেঁটে দেখা যায়, সহকারী প্রকৌশলী পদ থেকে মাত্র একদিনের মধ্যেই নির্বাহী প্রকৌশলী এবং তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী পদে পদোন্নতি পান আশিকুর রহমান। এমনকি সর্বশেষ দুই বছর আগে নিয়মবহির্ভূতভাবে বাগিয়ে নেন প্রধান প্রকৌশলীর পদও।

জানা যায়, ফ্লাইওভার প্রকল্পে দুর্নীতির আশ্রয় নেন তৎকালীন প্রকল্প পরিচালক আশিক। ওই সময় নির্মাণ প্রকল্প ব্যয় ৮শ কোটি টাকা ছিল। প্রকল্প পরিচালক সে ব্যয় প্রায় ২২শ কোটি টাকা করেন। এ ছাড়া মতিঝিল সিটি সেন্টার নির্মাণ প্রকল্পে অসম চুক্তি করেন। এই প্রকল্পে ৭৮ ভাগ নির্মাণ প্রতিষ্ঠান এবং মাত্র ২২ ভাগ পায় সিটি করপোরেশন। এমন অসম চুক্তি করলেও আশিকুরের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। একই ধরনের আরেকটি প্রকল্প সানমুন টাওয়ার নির্মাণ। এই প্রকল্পে নির্মাণ প্রতিষ্ঠান পায় ৭৫ ভাগ এবং করপোরেশন পায় ২৫ ভাগ। পরবর্তী সময়ে এ ঘটনায় মামলা হয় তৎকালীন মেয়র সাদেক হোসেন খোকা এবং প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী শিহাবউল্লাহর বিরুদ্ধে। ওই মামলায় দীর্ঘদিন জেল খাটেন প্রকল্প পরিচালক। একই ধরনের দুর্নীতি করেও রেহাই পেয়ে যান সিটি সেন্টার নির্মাণ প্রকল্পের পরিচালক আশিকুর রহমান।

কেবল সিটি করপোরেশনই নয়, এর আগে তিনি বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশনে পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) পদে চাকরি করেছেন। সেখানেও জড়িয়েছেন দুর্নীতিতে। সেই দুর্নীতির ঘটনায় তার বিরুদ্ধে তদন্ত হয়। সেই তদন্ত আলোর মুখ দেখেনি। এ ছাড়া শিল্প মন্ত্রণালয় এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পরিচালক পদে থাকার সময়েও জড়িয়েছেন এ প্রকৌশলী।

দুর্নীতির মাধ্যমে অঢেল সম্পদের পাশাপাশি প্রধান প্রকৌশলী আশিক রাজধানীর অভিজাত এলাকায় গড়ে তুলেছেন একাধিক বাড়ি এবং ফ্ল্যাট। রয়েছে বেশ কয়েকটি আলিশান গাড়িও।

এমএসএম / এমএসএম

কেরানীগঞ্জে প্রকল্পের টাকা ফিরত দেওয়ায় নির্বাহী কর্মকর্তার প্রশংসা এলাকাবাসীর

ইউসুফ হত্যা: তদন্ত ভিন্নখাতে নেওয়ার অভিযোগ

লিথি গ্রুপের ৫টি কারখানা বন্ধ: মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন ও পাওনার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও ২৩ বাংলাদেশি ফেরত

মাদক নিয়ন্ত্রণে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্ত এলাকায় কঠোর নজরদারি করা হচ্ছে : জেলা পরিষদ প্রশাসক

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এনডিএম-এর ৪০ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন

ডিএমপির তিন থানায় নতুন ওসি

আগাস্টের মধ্যে বকেয়া ও এমপিও প্রজ্ঞাপনের দাবি: জাতীয় প্রেসক্লাবে ইবতেদায়ী শিক্ষকদের মানববন্ধন

গুলশান লেক ও ইউআরপি ভবন এলাকায় পরিদর্শন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত

ইডিসিএলে অস্থিতিশীলতা তৈরির চক্রান্তের অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

ওএমএসে ফিরেছে গতি রাজধানীতে স্বস্তির বার্তা

ইডি শাহজালালের তৎপরতায় তদারকিতে গতি, চাপে প্রোটোকল কোম্পানিগুলো

লিগ্যাল এইডের সহযোগিতায় শিশু সন্তানকে ফিরে পেলো কিশোরী মা