ঢাকা মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

উখিয়ায় টেইলার্স কর্মচারীর বেপরোয়া মাদক ব্যবসা


এম ফেরদৌস, উখিয়া photo এম ফেরদৌস, উখিয়া
প্রকাশিত: ৮-৯-২০২৪ দুপুর ১২:১২

অপরাধ জগতের স্বর্গরাজ্য রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকা কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালংয়ে ইয়াবাসহ মায়ানমারের বিভিন্ন চোরাই মাল ব্যবসায়ীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। নব্য ও পুরাতন অনেককেই এসব অবৈধ ব্যবসায় সক্রিয় হতে দেখা গেছে। এই কারবারিদের রুখে দিতে প্রশাসনের সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করা জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, কুতুপালং পূর্বপাড়ার রাজেন্দ্র বড়ুয়ার ছেলে চিহ্নিত মাদক কারবারি দিপন বড়ুয়া টেইলার্স ব্যবসার আড়ালে গোপনে ইয়াবাসহ মায়ানমারের বিভিন্ন চোরাইপণ্যের ব্যবসায় সক্রিয় হয়ে নানান অপরাধ কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছে। দিপন বড়ুয়া ২০১৯ সালে ইয়াবা নিয়ে উখিয়া থানা পুলিশের হাতে আটক হওয়ার পর উখিয়া এসটি ১৫১/১৯নং মামলায় দীর্ঘদিন কারাভোগ করে। পরে জামিনে এসে কিছুদিন নীরব থেকে নিজেকে আড়াল করতে বেছে নিয়েছিলেন টেইলারিং কাজ।

সম্প্রতি আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় কিছুটা ব্যাঘাত ঘটলে সে পুরোদমে ইয়াবাসহ বিভিন্ন চোরাইপণ্যের ব্যবসায় সক্রিয় হয়ে বেপরোয়া জীবনযাপন করছে। সে দৃশ্যমান টেইলার্সের দোকানে কর্মরত থাকলেও তার সাথে সখ্য রয়েছে বিভিন্ন জায়গার ইয়াবা সম্রাট ও কালোবাজারিদের সঙ্গে। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে সে ইয়াবা পাচারকারীর ভূমিকায় গডফাদারের সাথে দেনা-পাওনার লেনদেন করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। 

ঘুমধুম সীমান্ত ও ক্যাম্পভিত্তিক এলাকায় বসবাস করার সুবাদে ক্যাম্পভিত্তিক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সাথে আঁতাত করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সে তৈরি করেছে একটি বৃহত্তর সিন্ডিকেট। জেল থেকে বের হয়ে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিতে প্রথমে অতিসাধারণ জীবনযাপন করে থাকলেও বর্তমানে সে প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসায় সক্রিয় হয়ে রীতিমতো আলোচনা-সমালোচনার মুখে পড়ে।

স্থানীয়রা বলছেন, তাকে গ্রেপ্তারে বেরিয়ে আসবে তার ইয়াবা ব্যবসার গুপ্ত রোডম্যাপ। এছাড়া তার অবৈধ পণ্য মজুদের গোপন আস্তানার তথ্যও জানা যাবে তাকে জিজ্ঞাসাবাদে। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কুতুপালংয়ের এক ব্যবসায়ী জানান, দিপন বড়ুয়া হচ্ছে নীরব ঘাতক। তাকে আইনের আওয়াতায় আনা এত সহজ নয়। কারণ সে রোহিঙ্গাদের ব্যবহার করে বিগ পার্টিদের সাথে খুব সতর্কতার মাধ্যমে মাদকের লেনদেন করে। বেশিরভাগ কাজই সে রোহিঙ্গাদের দিয়ে করায়। সে আটকের পর থেকে নানান কৌশলে মাদকের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

সচেতন মহলের দাবি, সম্প্রতি যৌথবাহিনীর অভিযানে এসব মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা জরুরি। তারা যুবসমাজকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। এসব ছদ্মবেশী মাদক কারবারির কারণেই দেশে মাদকের আগ্রাসন বেড়েছে।

অভিযুক্ত দীপন বড়ুয়ার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ শামীম হোসেন জানান, উখিয়ায় পুলিশ সক্রিয় অবস্থানে রয়েছে। মাদক ও অন্যন্য অপরাধে জড়িত কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। অপরাধ দমনে পুলিশ মাঠে নিয়মিত অভিযান শুরু করেছে। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে কোনো অপরাধী রেহাই পাবে না। প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনা হবে।

T.A.S / জামান

নান্দনিক রূপে নজর কাড়ছে ভিক্টোরিয়া কলেজের ‘স্বাধীনতা সৌধ’

জাতীয় হকি তারকা মিন্টু ও শামীম স্মরণে শোক র‍্যালি

রামপালে ইতু হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দুই সহোদরসহ গ্রেপ্তার ৩, রিমান্ড আবেদন

দেবীগঞ্জে হিলফুল ফুজুল যুব সংগঠনকে ২২শ তালবীজ ও ফুলের চারা উপহার

টঙ্গীতে আওয়ামী লীগের কর্মসূচির প্রতিবাদে বিএনপি-যুবদলের পৃথক বিক্ষোভ মিছিল

নেছারাবাদে নতুন ইউএনও‌ আশিক আহমেদের সঙ্গে সাংবাদিকদের প্রথম মতবিনিময়

রাজশাহী প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হলেন আব্দুস সবুর

কুড়িগ্রামে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক রতন পোদ্দার গ্রেপ্তার

"রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম-সেবা)" পাচ্ছেন ঝিনাইদহ ডিবি পুলিশের এএসআই ইকলাচুর রহমান

অভয়নগরে বিজ্ঞান মেলা ও পুরস্কার বিতরণ

শিপ হ্যান্ডলিং অপারেটর নিয়োগে অনিয়ম, পণ্য খালাসে জটিলতার আশঙ্কা

পাবনায় মানবকল্যাণ ট্রাষ্টের মতবিনিময় সভায় প্রধান মন্ত্রীর একনজর দেখতে আশার প্রত্যাশা ট্রাস্ট প্রধানের

ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত ছেলে বাশারের পাশে দাড়ানোর আকূতি এক মায়ের