ঢাকা সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬

চৌগাছার কপোতাক্ষ নদে পীর বলুহ মেলায় ভাসমান সাঁকোয় পারাপার


ইমাম হোসেন সাগর, চৌগাছা photo ইমাম হোসেন সাগর, চৌগাছা
প্রকাশিত: ১৩-৯-২০২৪ বিকাল ৬:৩৪
যশোরের চৌগাছার হাজরাখানা গ্রামে চলছে ঐতিহ্যবাহি পীর বলুহ মেলা। এবারকার মেলায় আগত দর্শনার্থীদের একাংশের চরম ভোগান্তি পোহতে হচ্ছে। কপোতাক্ষ নদে কোনো সাঁকো বা নৌকা না থাকায় ভাসমান সাঁকো দিয়ে শত শত মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদ পার হচ্ছেন। দর্শনার্থীসহ এলাকাবাসী দ্রুততম সময়ের মধ্যে নদে একটি সাঁকো নির্ম নির্মানের জন্য সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
 
চৌগাছার হাজরাখানা গ্রাম প্রখ্যাত পীর বলুহ দেওয়ান (র.)-এর রওজা শরিফ ও বলুহ মেলার জন্য ব্যাপক পরিচিত। বলুহ দেওয়ান (র.) রওজা শরিফের পূর্বপাশ দিয়ে বয়ে গেছে মহাকবি মাইকেল মধুসূধন দত্তের কপোতাক্ষ নদ। দেশ স্বাধীনের পর হতে কপোতাক্ষ নদে খেয়া পারাপার হতো। এরপর সেখানে তৈরি হয় কাঠ-বাঁশের সাঁকো। ২০২২ সালের দিকে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যেগে সেখানে একটি মজবুত সাঁকো নির্মাণ করে বলে জানান স্থানীয়রা। বেশ ভালোই ছিল সাঁকোটি। কিন্তু রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে সেটি নষ্ট হয়ে যায়। নদ খনন কাজের স্বার্থে পুরাতন সেই সাঁকে সম্পূর্ণ ভেঙে ফেলে খননকাজে নিয়োজিতরা।
 
বর্তমানে নদ খনন শেষ হয়েছে, নদে যথেষ্ঠ পরমাণ পানিও আছে। এ অবস্থায় সেখানে কোনো সাঁকো না থাকায় ভোগান্তি বেড়েছে। এমতাবস্থায় স্থানীয়রা প্লাস্টিকের ড্রাম দিয়ে ভাসমান একটি সাঁকো তৈরি করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদ পারাপার হচ্ছেন। গত মঙ্গলবার হতে শুরু হয়েছে বলুহ মেলা। নদের পূর্বপাড়ের কয়েকটি গ্রামসহ পাশ্ববর্তী কালীগঞ্জ ও কোটচাঁদপুর উপজেলার শত শত মানুষ এই পথ দিয়ে নদ পার হয়ে মেলায় আসেন। কিন্তু সাঁকো না থাকায় তাদের চরম বিড়াম্বনার শিকার হতে হচ্ছে।
 
সরেজমিন দেখা গেছে, সব বয়সের মানুষ সম্পূর্ণ অনিরাপদ এই সাঁকোয় উঠে নদ পার হচ্ছেন। এ সময় কথা হয় তালপট্টি গ্রামের মেহেদী হাসানের সাথে। তিনি বলেন, সাঁকো না থাকায় সমস্যায় পড়েছি আমরা। কালীগঞ্জ উপজেলার কাষ্টভাঙ্গা গ্রামের আশানুর রহমান বলেন, প্রতি বছরই মেলায় আসি। নদ পার হলে পথ কম হয়, সেজন্য এই রাস্তায় আসা। কিন্তু এখন দেখি সাঁকো নেই। ঝুঁকি নিয়ে পার হয়ে এলাম।
 
তেঘরি গ্রামের আব্দুল মালেক বলেন, চৌগাছা উপজেলা হয়ে মেলায় আসতে অনেক পথ পাড়ি দিতে হয়। তাই নদ পার হয়ে মেলায় এসেছি। কিন্তু ভাসমান সাঁকো খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। হাজরাখানা গ্রামের ব্যবসায়ী মিঠু বলেন, নদে একটি স্থায়ী সাঁকোর দরকার। কিন্তু হচ্ছে না। সাঁকো না থাকায় নদপাড়ের মানুষের কষ্ট বেড়ে গেছে।
 
বলুহর রওজা শরিফের খাদেম জয়নাল শাহ বলেন, সাঁকো না থাকায় দূর-দূরন্তের মানুষ বিশেষ করে দর্শনার্থী ও রওজার ভক্তদের অনেক কষ্টে নদ পার হতে হচ্ছে। সরকারিভাবে একটি সাঁকো হলে সকলেই উপকৃত হবেন।
 
বলুহ মেলা পরিচালনা কমিটির সভাপতি মিজানুর রহমান বলেন, শুধু মেলায় আগতদের জন্য নয়, নদপাড়ের বাসিন্দাদের জন্য এখানে একটি সাঁকো খুবই প্রয়োজন। সাঁকো না থাকায় কৃষি, শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য সবকিছুতেই বিরূপ প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।
 
হাজরাখানা গ্রামের বাসিন্দা ও নারায়ণপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহিনুর রহমান শাহিন বলেন, নদে একটি সাঁকো নির্মাণের ব্যাপারে দ্রুততম সময়ের মধ্যে আমি উপজেলা পরিষদের সভায় আলোচনা করে কিভাবে এই সমস্যা সমাধান করা যায়, সে ব্যাপারে কথা বলব।

এমএসএম / জামান

বন্দরে মাকসুদা হত্যার প্রধান আসামি সাদ্দাম গ্রেপ্তার: মূল হোতা সামাউনকে খুঁজছে পুলিশ

চৌগাছায় বেড়গোবিন্দপুর বাওড় নিয়ে নোংরা রাজনীতির অভিযোগ: সংবাদ সম্মেলন

আদমদীঘির চাঁপাপুর ইউনিয়ন বিএনপির পূজামন্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক অনুদান বিতরণ

কুড়িগ্রামে সদর হাসপাতালে ৪ মাস বেতনহীন ৪৭ কর্মচারী, নতুন নিয়োগে টাকা দাবির অভিযোগ মানববন্ধন

ধামইরহাটে ১৪ বিজিবি কর্তৃক ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাপেন্টাডলসহ ১ কারবারি আটক

নেত্রকোণার মদনে নবযোগদানকৃত নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

কৃষিজমির মাটি কাটায় ৩ লাখ টাকা জরিমানা

আদমদীঘিতে ২ মাদক কারবারির জেল-জরিমানা

ধামইরহাটে এম.পি এনামুল হক কর্তৃক দূর্গাপুজা উপলক্ষে ১৫০ পরিবারে নতুন শাড়ী বিতরণ

চারঘাট রিপোর্টার্স ইউনিটির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত

তেঁতুলিয়ায় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার বিতরণ

সাবেক কাউন্সিলর আরিফুল ইসলাম গ্রেপ্তার

ধুনটে কানু মন্ডলের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ, অতিষ্ঠ এলাকাবাসী