পানির অভাব ও পোকার আক্রমণে ঠাকুরগাঁওয়ে আমন নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক
ঠাকুরগাঁও দেশের উত্তরের কৃষিনির্ভর একটি জেলা। আমন নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন জেলার কৃষকরা। সদর উপজেলা ও জেলার বিভিন্ন স্থানে গিয়ে দেখা যায়, চারা রোপণ ও ধানের পরিচর্যা করতে শুরু করেছেন কৃষকরা। কিন্তু বৃষ্টির পানির অভাব ও পোকার আক্রমণে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। কিছু কিছু এলাকায় পানির অভাবে ধানক্ষেত ফেটে চৌচির হয়ে আছে। এতে মারাত্মক সমস্যায় পড়েছেন এ অঞ্চলের কৃষকরা। ফলে বেশকিছু কৃষককে শ্যালো মেশিন, বরেন্দ্র গভীর নলকূপের সাহায্যে পানি দিতে দেখা যায়।
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার দানারহাট, বরুনাগাঁও ও রাণীশংকৈল, শীবগঞ্জ, নারগুন, বেগুনবাড়ী, খোঁচাবাড়ী, পীরগঞ্জ, হরিপুর উপজেলাসহ রুহিয়া থানার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, আমন নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। জনপ্রিয় বেশ কয়েকটি জাতের ধান আবাদ করা হবে বলে জানান কৃষকরা। তবে বৃষ্টির পানির অভাবে উঁচু জমিতে লাগানো ধানক্ষেত শুকিয়ে গেছে। এতে বৃষ্টির পানির অপেক্ষায় রয়েছেন এ জেলার কৃষকরা।
সদর উপজেলার ভেলজান গ্রামের কৃষক শামসুল আলম জানান, তিনি এ বছর আড়াই একর (২৫০ শতক) জমিতে আমন ধান লাগিয়েছেন। কিন্তু প্রচণ্ড রোদ আর বৃষ্টি না হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন। কারণ বৃষ্টির পানি না হওয়ায় আমনের জমিগুলো শুকিয়ে যাওয়ায় তিনিও দুশ্চিন্তা করছেন।
সদর উপজেলার সালন্দর সিংপাড়া এলাকার কৃষক জয়নাল আবেদীন জানান, প্রত্যেক বছরের মতো এ বছর তিনি ৩ একর (৩০০ শতক) জমিতে আমন লাগিয়েছেন। তবে বৃষ্টির পানির অভাবে সমস্যায় পরেছেন। এছাড়াও কিছু কিছু ধানের ক্ষেতে পোকার আক্রমণও নতুন দুশ্চিন্তা তৈরি করেছে। বালাইনাশক ছিটানোর পরও পোকার আক্রমণ কমছে না।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রাশেল ইসলাম জানান, জেলায় এ বছর আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৩৭ হাজার ২৮০ হেক্টর, যা গত বছরে ছিল ১ লাখ ৩৭ হাজার ১০০ হেক্টর।
ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, ঠাকুরগাঁও জেলা অন্যান্য ফসলের ন্যায় ধানের জন্যও বিখ্যাত। প্রচুর পরিমাণে ধান এ জেলায় উৎপাদন হয়। প্রত্যেক বছর আমন মৌসুমে কৃষকদের যাবতীয় পরামর্শ ও সেবা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে প্রদান করা হয়। এ বছরও দেয়া হয়েছে। তবে বৃষ্টির পানির অভাবে একটু সমস্যা হচ্ছে। বিশেষ করে উঁচু জমিগুলোতে পানি থাকছে না। তবে বৃষ্টির পানি না হওয়া পর্যন্ত সম্পূরক সেচ ব্যবস্থা চালু রাখা হয়েছে। সেচ পাম্পগুলোও সচল রয়েছে। কিছু এলাকায় মাজরা পোকা আক্রমণ করলেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে কৃষকদের পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে লক্ষ্যমাত্রার অতিরিক্ত ধান উৎপাদন হবে এবং কৃষকরা এ বছরও ধানের ন্যায্যমুল্য পাবেন বলে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
T.A.S / জামান
জয়পুরহাটে শিশু অধিকার দিবস ও শিশু মেলা-২০২৬ উদ্বোধন
সাভারে ওএমএস অনিয়ম অনুসন্ধানে গিয়ে হামলার শিকার ৪ সাংবাদিক, মিথ্যা মামলায় জেলের অভিযোগ
আদমদীঘিতে বিভিন্ন মামলায় নারীসহ তিনজন গ্রেফতার
পটুয়াখালীতে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা ২১ টন ভারতীয় জিরাসহ কার্গো বোট জব্দ
সখীপুরে স্বামী ও দেবরের নির্যাতনের শিকার গৃহবধূর সংবাদ সম্মেলন
সুনামগঞ্জে শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী ও শিশু সপ্তাহ উদযাপিত: প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনী ভাষণ উপভোগ
ধুনটে ঔষধ সেবনের পর মাদ্রাসাছাত্রীর মৃত্যু
ধামইরহাটে আদালতের রায় অমান্য করে বসতবাড়িতে হামলা ও হয়রানীর বিরুদ্ধে ভুক্তভুগির সংবাদ সম্মেলন
পটিয়ার চক্রশালা কৃষি উচ্চ বিদ্যালয়ের আইসিটি ল্যাবে চুরি
মোহনগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে ৬ জনের কারাদণ্ড
নওগাঁয় ড্রিল মেশিন দিয়ে মাথা ফুটো করে হত্যা, আসামির যাবজ্জীবন
কালিহাতীতে চীন থেকে আমদানিকৃত ব্যতিক্রমী পণ্যের সমাহার নিয়ে ‘নিও চায়না মার্ট’