এনজিও ফোরামে চলছে হরিলুট
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কর্মরত এনজিও ফোরামের ওয়াশ প্রজেক্টে চলছে হরিলুট। ডোনারদের চাহিদা দেখিয়ে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাজের সম্পদ মেরে দিচ্ছেন এনজিও ফোরামের কর্মকর্তারা। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে এনজিও ফোরামের ওয়াশ প্রকল্পের দায়িত্বরত প্রকৌশলী আরিফের বিরুদ্ধে।
জানা গেছে, মিয়ানমার থেকে বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের সহায়তায় কাজ করছে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলো। তাদের মধ্যে এনজিও ফোরাম নামে একটি সংস্থা কাজ করছে বিভিন্ন ক্যাম্পে। এনজিওটির কয়েকটি প্রজেক্টের মধ্যে বেশিরভাগই কাজ করছে ক্যাম্পে ওয়াটার, স্যানিটেশন ও হাইজিন প্রকল্প বা ওয়াশ প্রকল্প নিয়ে।
এই ওয়াশ প্রকল্পের কর্মকাণ্ড পুরো ক্যাম্পজুড়ে নিরাপদ পানি সাপ্লাই দেয়ার জন্য এবং স্যানিটেশন বা স্বাস্থ্যব্যবস্থা চলমান রাখতে ব্যবহৃত হচ্ছে বিভিন্ন বিদ্যুৎচালিত মোটর এবং বিদ্যুতের বিকল্প তেলের জেনারেটর। বিদ্যুৎ না থাকলেই এসব মোটর ও বৈদ্যুতিক মেশিন সক্রিয় রাখতে ব্যবহার করতে হয় অকটেনের জেনারেটর। এসব কাজ সম্পাদনা করার দায়িত্ব পালন করেন এনজিও ফোরামের অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার আরিফ।
অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, প্রকৌশলী আরিফ বিদ্যুৎ না থাকার অজুহাত ব্যবহার করে বেশি পরিমাণ অকটেনের চাহিদা দেখিয়ে প্রয়োজনের তুলনায় দ্বিগুণ তেল সংগ্রহ করে নিতেন ডোনার থেকে। এসব প্রসেসিংয়ে কাজ করতেন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও। ওই অকটেন সংশ্লিষ্ট কাজে আংশিক ব্যবহার করে অবশিষ্ট তেল জমা করে এক দিন পরপর ১০০ থেকে ১৫০ লিটার করে উখিয়ার বিভিন্ন তেলের দোকানে বিক্রি করে দিতেন। সাপ্তাহে ৮০০-৯০০ লিটারের মতো হতো। গত ৬ মাস যাবৎ এনজিও ফোরামের দায়িত্বরত আরিফসহ অন্যদের যোগসাজশে এই তেলের কারচুপি করে গেছেন এক টমটম ড্রাইভারের মাধ্যমে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উখিয়ার এক ব্যবসায়ী জানান, আরিফ নামে এক এনজিও কর্মকর্তা প্রতি সাপ্তাহে আমাদের কাছে ৮০০ থেকে ১০০০ লিটার তেল বিক্রি করতেন। তিনি সাপ্তাহে এক লাখ টাকা করে ক্যাশ টাকা বুঝে নিতেন। মাঝেমধ্যে একজন ড্রাইভার এসে টাকা নিয়ে যেতেন।
সরকারি অনুমোদিত কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে তেল না কিনে চোরাই তেল কেন নিতেন- এমন প্রশ্নের উত্তরে এই ব্যবসায়ী জানান, সরকারি অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান থেকে তো সরকারি বাজারমূল্যে দিয়ে নিতে হবে। এখন থেকে তো বাজারমূল্য থেকে প্রতি লিটারে ২৫ টাকা কম দামে পাচ্ছি। এরকম সস্তা পেলে আমি না কিনলেও তো অন্য কেউ কিনে নিত।
অভিযুক্ত অরিফের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, চাকরিতে টুকটাক ভুল থাকতেই পারে। আপনারা সংবাদ প্রকাশ করে আমার পেটে লাথি মারিয়েন না। তাছাড়া আমার আওয়াতাধীন প্রজেক্টটি শেষ হয়েছে। আমার এখন চাকরি নেই। আমি বাড়ি চলে এসেছি।
অভিযুক্ত আরিফের এমন কথা শুনে তার চাকরি আছে কি-না তার সত্যত্য নিশ্চিত করতে কুতুপালং এনজিও ফোরামের ক্যাম্প ফোকাল আবিদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, প্রজেক্টটি ডিসেম্বর পর্যন্ত রয়েছে এবং আরিফের চাকরিও আছে। তবে তিনি এক দিনের ছুটি নিয়ে বাড়ি গিয়েছিলেন।
এ ব্যাপারে জানতে অভিযুক্ত আরিফের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর আবু রাফাত সিদ্দিকির সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি তেল চুরির অভিযোগ কখনো শোনেননি বলে জানান। অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত কমিটি করে সত্যতা পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।
প্রজেক্ট শেষ এবং আরিফের চাকরি নেই এমন কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আরিফের চাকরি আছে। প্রজেক্টটিও ডিসেম্বর পর্যন্ত থাকবে বলে নিশ্চিত করেন তিনি।
T.A.S / জামান
সিদ্ধিরগঞ্জে ভ্যাট ফাঁকির তথ্য সংগ্রহ করায় সাংবাদিককে হুমকি, ৪ দিনেও ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ
হীরাঝিল আবাসিক এলাকা সমাজ কল্যাণ সমিতি নিয়ম বহির্ভূত কমিটি গঠনের অভিযোগ
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে লোহাগড়ায় দুই খাল পুনঃখনন উদ্বোধন, ১.১৩ কোটি টাকার প্রকল্প
আত্রাইয়ে গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক ও সড়ক অগ্রাধিকার নির্ধারণ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
ঘোড়াঘাটে গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
নবীগঞ্জে দিনদুপুরে পিস্তল ও রামদা দেখিয়ে একই দিনে দুই শিক্ষিকার স্বর্ণালঙ্কার ছিনতাই
কুতুবদিয়ায় প্রেমিকের বাড়ির সামনে বিষপান: চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রেমিকার মৃত্যু
যশোরে ‘মামলাবাজ’ চক্রের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন
মহেশখালীতে মাদকবিরোধী মোবাইল কোর্ট, যুবকের কারাদণ্ড
কুড়িগ্রামে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত
পাঁচবিবিতে হয়রানিমূলক মামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন
রাঙ্গামাটিতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেল ৩৮ জন যাত্রী