খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা মামলায় বিএনপির পদধারী নেতা আসামি
রাজধনীর উত্তরার পশ্চিম থানায় খালেদা জিয়াকে হত্যাচেষ্টায় একটি মামলা হয়েছে গত ৮ অক্টোবর। মামলায় আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে আসামি করা হয় বিএনপির একজন ত্যাগী নেতাকেও। বিষয়টি লিখিত আকারে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীকে জানানো হয়েছে। এটি নিয়ে খোদ বিএনপি নেতারাই বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। মহানগর বিএনপির কমিটি সামনে রেখে আলোচনায় থাকার জন্য তার লোকজনকে বহিষ্কার ও চাঁদাবাজির ঘটনাকে আড়াল করতেই সম্পূর্ণ স্ট্যানবাজি করে এ গায়েবি মামলাটি করা হয়েছে বলে মত স্থানীয় বিএনপি নেতাদের।
মামলার বাদী সাবেক যুবদল নেতা এস এম জাহাঙ্গীর এজাহারে উল্লেখ করেন, ২০১৫ সালের ১৯ এপ্রিল উত্তর সিটি নির্বাচনে খালেদা জিয়া নির্বাচনী প্রচারণায় উত্তরা এসেছিলেন। সেই দিন উত্তরা ৩ নং সেক্টরে খালেদা জিয়ার গাড়ী বহরে হামলা করা হয় এবং খালেদা জিয়াকে হত্যার চেষ্টা করা হয়।
জাহাঙ্গীরের করা মামলার শেষ লাইনে বলা হয় হামলার ঘটনাটি সেদিন (১৯ এপ্রিল ২০১৫ ) প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় প্রচারও করা হয়। কিন্তু সেই দিনের বা পরেরর দিনের প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় উত্তরায় খালেদার বহরে হামলার কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় বিএনপি নেতাদের অনেকেই বলছেন সেই দিন উত্তরায় খালেদা জিয়ার গাড়ি বহরে কোন হামলা হয়নি। স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা কালো পতাকা প্রদর্শন করেছে মাত্র।
প্রত্যক্ষদর্শী ও উত্তরার একজন দায়িত্বশীল কয়েকজন নেতা জানান, উত্তরায় খালেদার গাড়ী বহরে কোন হামলা সেই দিন হয়নি। খালেদা জিয়া ৩ নং সেক্টরের দুটি মার্কেটে লিফলেট বিলি করে যাওয়ার সময় জসিমউদদীন রোডের পশ্চিম পাশে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা কালো পতাকা প্রদর্শন করে। পুরো সময়টি তারা সেখানেই ছিল। খালেদা জিয়া চলে চাওয়ার পর তারা রাজলক্ষ্মীর দিকে অগ্রসর হয়, তৎক্ষণে বিএনপি নেতাকর্মীরা চলে যায়। মহানগর বিএনপির কমিটি সামনে রেখে সম্পূর্ণ স্ট্যানবাজি করার জন্য এ গায়েবি মামলাটি দেওয়া হয়।
মামলার আসামী তালিকা পর্যাচোলনা করে দেখা গেছে, হুকুমের আসামি হিসেবে প্রথমে নাম দেওয়া হয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২নং হুকুমের আসামি করা হয়েছে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে। দলের দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে মামলায় ওবায়দুল কাদেরের নাম দেওয়া হলেও সে সময় দলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন সৈয়দ আশরাফ। ২০১৬ সালের ২৩ অক্টোবর আওয়ামী লীগের ২০তম সম্মেলনে কাদের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। আর মামলাটির ৭৯ নং ক্রমিক এ আসামী হিসেবে নাম দেওয়া হয়েছে ইসহাক মিয়াকে।
ইসহাক বর্তমানে ৫২ নং ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি। মামলায় তাকে তুরাগ থানা স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দেখানো হয়েছে। অথচ তিনি দীর্ঘ প্রায় ৩০ বছর থেকে তুরাগের হরিরামপুর ইউনিয়ন বিএনপির নানা পদে নিযুক্ত ছিলেন। সেই সাথে গত ১৮ বছরে তুরাগ থানায় ৭ টি এবং উত্তরার অপর দুটি থানায় মোট ৮ টি রাজনৈতিক মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। একটি মামলায় ৩০ মাসের সাজাও পান তিনি। মামলায় ৮১ নং আসামি করা হয়েছে কুমিল্লার দাউদকান্দি পৌরসভার সাবেক মেয়র ব্যারিস্টার নাইম হাসানকে। ঘটনার সাথে তার কোনই সংশ্লিষ্টতা নেই।
এদিকে বিগত সরকারের সময় সর্বমোট চারবার খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটে। গণমাধ্যম ও বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের নির্বাচনি প্রচারণার সময় রাজধানীতে পৃথক দিনে তিন বার (পুরান ঢাকায়, তেজগাঁও ও কারওয়ান বাজার) তার গাড়িবহরে হামলা হয়। আর চতুর্থ হামলাটি হয় ২০১৭ সালের ২৮ অক্টোবর খালেদা জিয়ার নিজ জেলা ফেনীতে। সে সময় রোহিঙ্গাদের ত্রাণ দেওয়ার জন্য কক্সবাজার যাচ্ছিলেন তিনি। এর বাইরে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপর কোন হামলার ঘটনা ঘটেনি।
এমএসএম / জামান
ইউসুফ হত্যা: তদন্ত ভিন্নখাতে নেওয়ার অভিযোগ
লিথি গ্রুপের ৫টি কারখানা বন্ধ: মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন ও পাওনার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন
যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও ২৩ বাংলাদেশি ফেরত
মাদক নিয়ন্ত্রণে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্ত এলাকায় কঠোর নজরদারি করা হচ্ছে : জেলা পরিষদ প্রশাসক
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এনডিএম-এর ৪০ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন
ডিএমপির তিন থানায় নতুন ওসি
আগাস্টের মধ্যে বকেয়া ও এমপিও প্রজ্ঞাপনের দাবি: জাতীয় প্রেসক্লাবে ইবতেদায়ী শিক্ষকদের মানববন্ধন
গুলশান লেক ও ইউআরপি ভবন এলাকায় পরিদর্শন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত
ইডিসিএলে অস্থিতিশীলতা তৈরির চক্রান্তের অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি
ওএমএসে ফিরেছে গতি রাজধানীতে স্বস্তির বার্তা
ইডি শাহজালালের তৎপরতায় তদারকিতে গতি, চাপে প্রোটোকল কোম্পানিগুলো
লিগ্যাল এইডের সহযোগিতায় শিশু সন্তানকে ফিরে পেলো কিশোরী মা