ঢাকা রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬

উখিয়ায় যুবদল নেতার চাদাঁবাজি


এম ফেরদৌস, উখিয়া photo এম ফেরদৌস, উখিয়া
প্রকাশিত: ১৯-১০-২০২৪ দুপুর ১২:৫৩

কুতুপালং প্রধান সড়ক ও রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কেন্দ্রীক সড়কগুলোর মোড়ে মোড়ে উখিয়া গরুবাজার ইজারার রশিদবই ব্যবহার করে প্রকাশ্যে চাদাঁবাজি চালাচ্ছে যুবদল নেতা কামাল উদ্দিন। একাধিক ভুক্তভোগী অভিযোগ তুলেন এই যুবদল নেতা কামালের বিরুদ্ধে। 

জানা যায়, কুতুপালং এর আশপাশে সরকারিভাবে বৈধ ডাককারী কোন গরু বাজার নেই। প্রধান সড়ক ও রাস্তার মোড়ে মোড়ে যুবদল নেতা কামালের সাঙ্গপাঙ্গরা অবৈধ রশিদ নিয়ে দাঁড়িয়ে যাতায়াত পথের মধ্যে খামারি ও গৃহপালিত গবাদি পশুর মালিকদের কাছে রশিদ/টুলের কাগজের তকমা দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। একটা গরুতে ২০০০/ টাকা মহিষ ২৫০০/ টাকা এভাবে দৈনিক শত শত গরু মহিষের মালিক যাতায়াত পথের মধ্যে চাদাঁবাজির শিকার হচ্ছে।

এক ভুক্তভোগী জানায়, গরুর রশিদ দিবে গরু বাজারে। তাও গরু বেচা বিক্রি হলে। টাকা দিয়ে রশিদ নিবে যে ব্যক্তি বাজার থেকে গরু কিনবে সেই। আমরা গরুর মালিক পক্ষ। বাড়িতে গরু লালন পালন করে মোটাতাজা হলে বিক্রি করতে বাজারে তুলি । গরু বাজারে না তুলার আগে কুতুপালং বাজার দিয়ে যাওয়ার পথে গাড়ি দাঁড় করিয়ে জোরপূর্বকভাবে রশিদ নিতে বাধ্য করাচ্ছে। রশিদ না নিলে হুমকিও দিচ্ছে যুবদল নেতা পরিচয় দিয়ে কামাল নামে এক ব্যক্তি । কুতুপালং তো আমরা গরু বেচাকিনা করছি না। আর কুতুপালং গরুর বাজার ও নেই। তারপরেও উখিয়া গরুবাজারের রশিদ বই কেন কুতুপালং বাজারে ব্যবহার হচ্ছে। সরকারিভাবে তো গরুবাজার আছে উখিয়াতে, এখন নতুন করে কুতুপালং এসব কি কান্ড শুরু হলো। উপজেলা প্রশাসনের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই আমরা যারা গরু ব্যবসায়ী আছি কুতুপালং পার হয়ে উখিয়া গরুবাজারে আসতে পারছি না। এই চাদাঁবাজি বন্ধে উপজেলা প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।

অনুসন্ধানে উঠে আসছে, কুতুপালং এলাকায় অধিকাংশ গরু মহিষ চোরাই কারবারির সিন্ডিকেট। মায়ানমার থেকে চোরাইপথে গরু-মহিষ এনে অবৈধভাবে রশিদ করানো হয় কুতুপালং বাজারে। এসবের মাস্টারমাইন্ড হিসাবে কাজ করে যুবদল নেতা কামাল উদ্দিন ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা । সীমান্ত বন্ধ হলে চোরাইগরু আনা কমে যায় ফলে এসব রশিদ বই দিয়ে খামারি ও গৃহপালিত গরু-মহিষ যাতায়াত করলে সেখানে চাদাঁবাজি করতে এসে ফাঁস হয় তাদের এসব অপকর্ম। 
এ অনুসন্ধানে আরো উঠে এসেছে, যুবদল নেতা কামাল উদ্দিন নিজেও গরু-মহিষ চোরা কারবারির সদস্য। তাদের মাধ্যমে মায়ানমার থেকে আসা গরু মহিষ দেশের বিভিন্ন জায়গায় পাচার কাজে এসব অবৈধ রশিদবই ব্যবহার করতেন। 
স্বৈরাচার সরকার পতনের পর এসব অবৈধ চোরাই কারবারি ও চাদাঁবাজির মধ্যে রাজত্ব কায়েম করছেন এই কামাল উদ্দিন। 

অভিযুক্ত যুবদল নেতা কামালের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, কামাল নামে অনেক ব্যক্তি থাকতে পারে। আমি কোন চাদাঁবাজিতে লিপ্ত নই।

কুতুপালং কোন গরু বাজার নেই বলে জানিয়েছেন উখিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানভীর হোসেন। তিনি প্রতিবেদক কে বলেন, উখিয়া গরু বাজারের নাম দিয়ে কুতুপালং কোন ব্যাক্তি রশিদ ব্যবহার করতে পারবে না। কামাল নামে কোন ব্যাক্তি উখিয়া গরুবাজার ডাক নেয়নি। নুরুল আমিন দপা নামে এক ব্যাক্তি উখিয়া গরুবাজারের ইজারা ডাককারি। তিনি শুধুমাত্র উখিয়া যে গরুর হাট রয়েছে সেখানেই রশিদ বই ব্যবহার করতে পারবেন। কুতুপালংয়ে কোন এই রশিদ ব্যবহার করতে পারবেন না। উখিয়া গরুবাজারের রশিদ বই কুতুপালং কিভাবে ব্যবহার করছে সেটি খতিয়ে দেখা হবে।

T.A.S / T.A.S

বাউফলে বিয়ের দুই মাসেই নববধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

সোহেল মঞ্জুরের উদ্যোগে সন্ধ্যা নদীতে সেতু নির্মাণে অগ্রগতি, সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শনে সেতু সচিব

নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ ধরায় খালিয়াজুরীতে একজনের কারাদণ্ড, অপরজনকে জরিমানা

বাঁশখালীতে বন্যার্তদের মাঝে হাদীর পাড়া স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ত্রাণ বিতরণ

সিংড়ায় খাতুন জান্নাত মহিলা মাদ্রাসার সূধি সমাবেশ অনুষ্ঠিত

আদমদীঘি গৃহশ্রমিক ইউনিয়নের তরুনদের মাঝে ফুটবল বিতরণ

প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় ফের চালু, স্থগিত চেয়ে আবেদন

বাঙ্গালহালিয়াতে টানা বৃষ্টিতে প্লাবিত পোল্ট্রি ফার্মের ৫ লক্ষ টাকার মুরগী ক্ষয় ক্ষতি হলেন সাদেক র্ফাম

কুড়িগ্রামে জৈব সারের ব্যবহারে লাভবান হচ্ছে কৃষক

‎ত্রিশাল বাসস্ট্যান্ডে যানজট নিরসনে রাস্তার উপর কাঁচাবাজার উচ্ছেদ : সাধারণ মানুষের প্রশংসা

বাঘার চকরাজাপুরে পুলিশ ফাঁড়ির উদ্বোধন: অপরাধীদের কোনো ছাড় নেই

কারিগরি শিক্ষা গ্রহণ করে এগিয়ে নিতে হবে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ

সন্দ্বীপে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী যমুনা কবির গ্রেফতার