ঢাকা শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬

দিশাহারা মানুষ

নদীভাঙন : অর্ধশত বসতভিটা পায়রাগর্ভে বিলীন


ওবায়দুর রহমান, দুমকি photo ওবায়দুর রহমান, দুমকি
প্রকাশিত: ২৩-১০-২০২৪ দুপুর ৩:২৪

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের বাহেরচর এলাকার অর্ধশত পরিবারের ঘরবাড়ি সর্বগ্রাসী পায়রার অব্যাহত ভাঙনে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। চলতি মৌসুমে ঘরবাড়ি হারিয়েছে অর্ধশতাধিক পরিবার।

সরেজমিন দেখা গেছে, পশ্চিম আঙ্গারিয়া বাহেরচর এলাকার প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকাজুড়ে পায়রা নদীর অব্যাহত ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙনকবলিত এলাকার লোকজন সরকারি রাস্তার পাশে, বিভিন্ন এলাকায় আত্মীয়স্বজনের গোয়ালঘর বা পাকের ঘরে মানবেতর জীব যাপন করছে। আবার কিছু লোকজন পরিবার-পরিজন নিয়ে অন্যত্র চলে গেছে। দীর্ঘদিন যাবৎ পায়রা নদীর অব্যাহত ভাঙনে ইতোমধ্যে প্রায় আড়াই কিলোমিটার এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এসব এলাকায় ঘরবাড়ি, মসজিদ, মন্দির, রাস্তা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

স্থানীয় ভূক্তভোগী সুধান চন্দ্র মিস্ত্রী (৫০), সুধারঞ্জন চন্দ্র মিস্ত্রী (৮০) বলেন, আমাদের বাড়ি এখান থেকে ২-৩ কিলোমিটার উত্তরে ছিল। পায়রা নদীর অব্যাহত ভাঙনে বাবার আমলে দুবার এবং আমাদের আমলে তিনবার বসতবাড়ি স্থানান্তর করতে হয়েছে। বর্তমানেও ঝুঁকিতে আছি। আমাদের মতো অনেকেই এখন বসতঘরসহ সবকিছু ভেঙে সরকারি রাস্তার পাশে সরিয়ে নিচ্ছি।

আঙ্গারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভাঙনকবলিত ৩নং ওয়ার্ডের সদস্য শাহীন গাজী বলেন, মঙ্গলবার ভয়ংকর একটি ঘটনা ঘটেছে। সকালে খেয়াঘাট এলাকার বেশকিছু এলাকাজুড়ে বিশাল ফাটল ধরে হঠাৎ নদীগর্ভে দেবে যায়। এতে তিনজনকে ট্রলারযোগে উদ্ধার করা হয়। এরমধ্যে একজন মহিলাকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এ যাবৎ এই এলাকার প্রায় ২০০ একর জমিসহ তিন শতাধিক ঘরবাড়ি, তিনটি মসজিদ, চারটি মন্দির ও একটি সরকারি অফিসসহ রাস্তাঘাট পায়রা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙন এলাকার লোকজন অপরের বাড়ির গোয়ালঘর, পাকঘর ও সরকারি রাস্তার পাশে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। কিছু লোক অন্যান্য এলাকায় চলে গেছেন।

আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান জিল্লুর রহমান সোহরাব সরেজমিন পরিদর্শন করে এসে জানান, বাহেরচর মৌজায় দীর্ঘদিন যাবৎ পায়রা নদীর অব্যাহত ভাঙনে আতঙ্কিত এলাকাবাসী। অর্ধশত পরিবার নদীভাঙনে সবকিছু হারিয়ে এখান থেকে চলে গেছে। ভাঙনকবলিত অসহায়দের পুনর্বাসন এবং স্থায়ীভাবে পাইলিং ও ব্লক ফেলে নদীভাঙন রোধে যথাযথ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।

দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহীন মাহমুদ বলেন, এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। দ্রুত নদীভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ ব্যাপারে পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরিফ হোসেন জানান, বাহেরচরের নদীভাঙন রোধে এর আগেও আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। চলতি বছরের নভেম্বর মাসে আবার জিওব্যাগ স্থাপন করা হবে। এছাড়া স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য একটি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।

T.A.S / জামান

টাঙ্গাইলে দেশীয় ফল নিয়ে উৎসব করলো বাতিঘর আদর্শ পাঠাগার

গরমে ছটফটানি আর অন্ধকারের মাঝে রোগীর সেবা

যুব মহিলা লীগ নেত্রীর হানিট্র্যাপের শিকার বিএনপি নেতা, ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল

চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের মাতার ইন্তেকাল, সর্বস্তরের মানুষের গভীর শোক

জুড়ীতে ব্রাকের উদ্যোগে স্বপ্নসারথী কিশোরীদের মাঝে হাঁস-মুরগি বিতরণ

চুয়াডাঙ্গায় আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস পালিত: র‍্যালি ও আলোচনা সভায় মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়

জয়পুরহাটে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস পালিত

দর্শনায় উপড়ে পড়ল শতবর্ষী বটগাছ, ৩ ঘণ্টা পর যান চলাচল স্বাভাবিক

রৌমারীতে ইমারত নির্মান শ্রমিক ইউনিয়রে সদস্যদের নিয়ে বকুল হোসেনের নির্বাচনিয় উঠন বৈঠক

সাভারে ছাত্রদল নেতা কতৃক সনাতন ধর্মাবলম্বী কিশোরকে অপহরণ করে পৈশাচিক নির্যাতন

চরজব্বর ডিগ্রি কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান

মেহেরপুরে আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবসে র‍্যালি ও আলোচনা সভা

বাকেরগঞ্জে ছাত্র-ছাত্রীদের মিড-ডে মিলের খাবারসহ প্রধান শিক্ষিকা ধরা, ব্যাগে মিলল ২৪ ডিম ও ২২পিস রুটি