ঢাকা শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২৬

বারহাট্টায় ধান ক্ষেতে পোকার আক্রমণ, দিশেহারা কৃষক


বারহাট্টা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি photo বারহাট্টা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২৮-১০-২০২৪ দুপুর ২:২৩

টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে গত কয়েক সপ্তাহ আগে দ্বিতীয় ধাপে হওয়া বন্যায় নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কৃষিখাতে অপরিসীম ক্ষতি হয়েছে। খাদ্য নিরাপত্তার শঙ্কার মাধ্যে এবার কৃষকের নতুন ভীতি ফসলে পোকার আক্রমণ।

উপজেলার সাত ইউনিয়নের মধ্যে রায়পুর, আসমা, চিরাম ও সাহতা ইউনিয়নের কৃষকদের জমি বন্যার পানিতে বেশি ক্ষতি হয়েছে। তাদের বেশিরভাগ ফসলী জমিই পানির নীচে তলিয়ে যাওয়ায় ধানের চারা গাছগুলো পঁচে গেছে। শেষ সম্বল উঁচু জমি গুলোতে শীষ বের হয়ে যাওয়া ধানে পোকার আক্রমণ সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে এসব এলাকার কৃষকরা।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, বন্যার পর উঁচু জমিতে ফের ধান লাগিয়েছেন তারা। কৃষি বিভাগের কাছ থেকে এই সময়ে সঠিক পরামর্শ না পেয়ে কীটনাশক বিক্রেতাদের পরামর্শে নানা ধরনের ঔষধ প্রয়োগ করে খরচ বাড়লেও প্রতিকার মিলছে না। ফলে উৎপাদন নিয়ে শঙ্কায় পড়া কৃষকরা ভুগছেন হতাশায়। তবে, ধান ক্ষেতে পোকার আক্রমণ নিয়ে শঙ্কার কোনো কারণ নেই বলে দাবি কৃষি বিভাগের।

চলতি মৌসুমে বারহাট্টায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ৫ হাজার ১১৭ হেক্টর জমি থেকে ৯ হাজার মেট্রিকটন ধান পাওয়ার সম্ভবনা ছিল। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ছিল প্রায় ৪৮ কোটি টাকা। দু'দফা বন্যার ধকল কাটিয়ে যখন ভালো ফলনের আশা করছিলেন কৃষক, তখনই ধান ক্ষেতে মাজরা পোকা, বাদামি ঘাসফড়িং, পাতা মোড়ানোসহ নানা পোকার উপদ্রব দেখা দিয়েছে। ফলে দিশেহারা এ এলাকার কৃষকরা।

রায়পুর ইউনিয়নের উড়াদিঘী গ্রামের কৃষক আয়নাল মিয়া বলেন, আমি প্রথম দফা বন্যার পরে দুই একর জমিতে ধান চাষ করেছিলাম। নিচু জমির অনেকটা ফসলই পানির নীচে তলিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। এখন উঁচু জমির থোর ধরা ধানে পোকা আক্রমণ করেছে। অনেকেই নিষেধ করেছিলেন তারপরও জমিতে কীটনাশক স্প্রে করছি।

সাহতা ইউনিয়নের নরুল্লা গ্রামের কৃষক এরশাদুল হক জানান, বিভিন্ন ধরনের কীটনাশক প্রয়োগ করেও তাঁরা পোকার আক্রমণ ঠেকাতে পারছেন না। ফলে কীটনাশকে ভেজাল আছে কি না তা নিয়েও শঙ্কা আছে।বারহাট্টা বাজারের কীটনাশক ব্যবসায়ী শাহজাহান কবির বলেন, বরাবরের তুলনায় এ বছর পোকার আক্রমণ বেশি। বিশেষ করে মাজরা পোকা ও ঘাসফড়িং পোকার কথা বলছে কৃষকরা। এসব পোকার প্রতিষেধক হিসেবে আমি সিপিডোর প্লাস, বাহাদুর, নাইট্রো, ভিরতাকো, এনসিপিউ নামে তরল কীটনাশক বেশি বিক্রি করছি। এগুলো জমিতে স্প্রে করে কৃষকরা উপকার পাচ্ছে বলে জানিয়েছেন।

বারহাট্টা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ উচ্ছ্বাস পাল বলেন, চলতি মাসের বন্যায় আমাদের হিসাব অনুযায়ী ১৫ হাজার ৮৫ জন কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চলতি মাসের বন্যায় ১০ হেক্টর জমির সবজি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও জানান তিনি।

পোকা আক্রমণের বিষয়ে উচ্ছ্বাস পাল বলেন, 'আমন ধানের ক্ষেতে পোকার আক্রমণ এখনো সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। মাঠ পর্যায়ে আমাদের কর্মকর্তারা সঠিক মাত্রায় কীটনাশক ও সার প্রয়োগের জন্য কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছেন।'

এমএসএম / এমএসএম

আন্ধারিঝার ইউনিয়নে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

উল্লাপাড়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সনদ দিতে অর্থ আদায়ের অভিযোগ

বিএনপি প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন নাঃ আইনজীবী

কোম্পানীগঞ্জে এতিমখানা মাদ্রাসায় অভিভাবক সমাবেশ ও হাফেজদের পাগড়ি প্রদান

আল্লাহর মহান আওলিয়াগনের জীবনী তুলে ধরতে ইমাম শেরে বাংলা (রহঃ) সুন্নী কনফারেন্স

নাটোর- ৩ (সিংড়া) আসনে ১১ দলীয় জোটে জামায়াতের শক্ত অবস্থান

রৌমারীতে তিন দিন পর পুকুর থেকে বৃদ্ধনারীর লাশ উদ্ধার

গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে ঝুট গোডাউনে ভয়াবহ আগুন নিয়ন্ত্রণে ৬ ইউনিট

ঠাকুরগাঁওয়ে ‘আলমগীর ফর টুমোরো’ ওয়েবসাইট উদ্বোধন

মুকসুদপুরে ২দিনব্যাপী জাতীয় শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

চন্দনাইশে কার মাইক্রো-হাইচ শ্রমিক সমবায় সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত

ত্রিশালে করিম-বানু ফাউন্ডেশনের শীতবস্ত্র বিতরণ

শেরপুরের শ্রীবরদী সীমান্তে বন্য হাতির পায়ে পিষ্ট হয়ে কৃষকের মৃত্যু