৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা কেজি
সাপাহারে চাষ হচ্ছে থাইল্যান্ডের ‘কাঠিমন’ আম
আম হলো ম্যাঙ্গিফেরা গণের বিভিন্ন প্রজাতির গ্রীষ্মমণ্ডলীয় উদ্ভিদের জন্মানো এক ধরনের সুস্বাদু ফল। পৃথিবীতে আমের কয়েকশ জাত রয়েছে। যেমন- ফজলি, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, খিরসাপাত, অরুনা, আম্রপালি, মল্লিকা, হাঁড়িভাঙ্গা, ছাতাপরা, গুঠলি, লখনা, আদাইরা, কলাবতী ইত্যাদি। আমের ফলের আকার, আকৃতি, মিষ্টতা, ত্বকের রঙ এবং ভেতরের ফলের বর্ণ, জাতভেদে পরিবর্তিত হয়। ভারতের মালদহ ও মুর্শিদাবাদে প্রচুর পরিমাণে আম চাষ হয়ে থাকে। আম ভারত ও পাকিস্তানের জাতীয় ফল এবং বাংলাদেশের জাতীয় গাছ। বাংলাদেশের রাজশাহী, নওগাঁ, দিনাজপুর, নাটোর, সাতক্ষীরা, যশোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে আম চাষ বেশি পরিমাণে হয়ে থাকে। আমকে বলা হয় ‘ফলের রাজা’।
এক সময় আম বছরের একটি নির্দিষ্ট সময় পাওয়া গেলোও এখন বছরজুড়ে বাগানে থাকে আম ও মুকুলের খেলা। কোনো গাছে মুকুল, তো কোনো গাছে আম। আবার পরিপক্ক আমের সাথে গাছে থাকে নতুন মুকুলও। এমন ভাবে বছরে তিন বার ‘কাঠিমন’ জাতের আম পান সাপাহার উপজেলার আম চাষিরা। ‘কাটিমন’ একটি থাই ভ্যারাইটির উন্নতমানের ১২ মাসি আম। এটি থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, মালায়েশিয়ায় বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা হয়। এই বিদেশী আম টি বর্তমানে চাষ হচ্ছে বাংলাদেশে। এমনই একজন ‘কাঠিমন’ আম চাষী সাবেদুর রহমান মঞ্জু। তার ‘কাঠিমন’ জাতের আমের বাগান রয়েছে সাপাহার উপজেলার মানিকুড়া গ্রামে।
সাধারণত মে মাসের মাঝামাঝি থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত সাপাহারে আম উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের মেয়াদকাল ধরা হলেও ব্যতিক্রম ‘কাঠিমন’ আমের বেলাই। বছর জুড়ে মিলবে ‘কাঠিমন’ আম। বর্তমানে আমের মৌসুম শেষ প্রায় ২মাস আগে। তবে ‘কাঠিমন’ জাতের আম বাজারে মিলছে এবং চাহিদা তুঙ্গে। প্রতিমণ ‘কাঠিমন’ আম বাজারে ১৪ থেকে ১৬ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তাহলে প্রতিকেজি আমের মুল্য দাঁড়ায় সাড়ে ৩শ থেকে ৪শ টাকায়।
সাবেদুর রহমান মঞ্জু জানান, প্রায় দুই বছর আগে রংপুরের বিরগঞ্জ থেকে ‘কাঠিমন’ জাতের আমের চারা আনেন। তিনি প্রায় ৩শ চারাগাছ দুইবিঘা জমিতে রোপন করেন। গাছ লাগানোর এক বছর পর থেকেই মুকুল আসতে শুরু করে।
তিনি আরও জানান, এটি মৌসুমি জাতের আম নয়। এই আম সুস্বাদু ও মিষ্ট। বাজারে চাহিদাও বেশি। এই আম অনেকটাই কাঁচামিঠা আমের মতো। কাঁচা অবস্থাতেও খাওয়া যায়। তবে কাঁচামিঠা আম পাকলে তেমন স্বাদ নেই, কিন্তু ‘কাঠিমন’ আম মিষ্টি হয়। কেজিতে ৪ থেকে ৫টি আম ধরে।
সাপাহার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান বলেন, ‘কাঠিমন’ মৌসুমি আম না হওয়ায় চাহিদা বেশি। তার উপরে স্বাদ ভালো। বাড়ির আঙিনায়, ছাদে ড্রামে, পুকুরপাড়ে, বাণিজ্যিক বাগানে এই জাতের আমগাছ লাগানো যায়। বসতবাড়িতে শখ করে দু-একটা গাছ লাগানো যেতে পারে। তবে কেউ যদি দু-এক হেক্টর জমিতেও এ জাতের বাণিজ্যিক বাগান গড়তে চান তো সে ক্ষেত্রে আম্রপালি আমের চেয়ে লাভ কম হবে না। এ জাতের আমের গাছ লাগানোর জন্য চাই উঁচু জমি, যেখানে বন্যা বা বৃষ্টির পানি আটকে থাকে না। বেলে, বেলে দোআঁশ ও উপকূলের লোনা মাটি ছাড়া যেকোনো মাটিতেএই জাতের আম চাষ করা যেতে পারে। চাষ করা যায় লাল মাটি ও পাহাড়েও। তবে দো-আঁশ ও এঁটেল দোআঁশ মাটি সবচেয়ে ভালো। এরূপ মাটিতে জৈবসার ব্যবহার করে চাষ করলে গাছের বাড়তি ও ফলন ভালো হয়।
তিনি আরো জানান, ‘কাঠিমন’ আম আমাদের দেশের আবহাওয়া উপযোগী। আম্রপালির মত ছোট গাছে আম হয়। এই জাতে প্রচুর আম ধরে। একই গাছে একসাথে মুকুল,ছোট,মাঝারি,বড়,পাকা আম থাকে। এই গাছে নতুন কুশি ছাড়লেই মুকুল আসে। এর কোন সিজন আর অফ সিজন নেই।
সাপাহার উপজেলার আমচাষিদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ‘কাঠিমন’ আম ১২মাসি হওয়ায় দাম ভালো পাওয়া যায়। ইতোমধ্যে এই আম চাষ করে লাভবান হচ্ছে অনেকে। তাই এই আমের প্রতি ঝুকছে সাধারণ কৃষকগণ। দিনদিন বাড়ছে সাপাহার উপজেলায় এই আমের চাষ।
জামান / জামান
তাহিরপুরে ধুমধাম করে ১৩ বছরের কিশোরীকে বিয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি ভেঙে দিলেন উপজেলা প্রশাসন।
চবিতে ‘একেএম ফজলুল কাদের চৌধুরী হল’ নামকরণের দাবিতে মানববন্ধন
আনোয়ারায় পূর্ব শত্রুতায় জেরে স্থানীয় যুবদল নেতার উপর হামলার অভিযোগ
পঞ্চগড়ে মাইকে ঘোষণা দিয়ে চা বাগান দখল চেষ্টার অভিযোগ
পেকুয়ায় বন বিভাগের অভিযানে মিশিয়ে দেওয়া হলো অবৈধ বালুর স্তূপ
গুরুদাসপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আব্দুল মতিন গ্রেপ্তার
বেশি দামে সার বিক্রি, দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা
বেনাপোল স্থলবন্দর পরিচালক বদলি,আলোচনায় সাবেক পরিচালক মামুন
গৌরনদী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদকের ওপর হামলার প্রতিবাদে সাংবাদিকদের মানববন্ধন, থানায় মামলা, গ্রেফতার ২
মধুখালীতে নবাগত ইউএনও এর সাথে উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির ফুলের শুভেচ্ছা বিনিময়।
হাটহাজারীতে চাঞ্চল্যকর নুরুল আজিম হত্যার প্রধান আসামী গ্রেফতার
চুয়াডাঙ্গার সিমান্তগুলোতে স্বর্ণ পাচারের বাহকরা ধরা পরলোও অধরাই নেপথ্যের হোতারা