মিরসরাইয়ে বোনের শশুর বাড়িতে গিয়ে নিহত ভাই
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বোনের বাড়িতে বিবেদ মেটাতে গিয়ে মো. মহিউদ্দিন নামের এক প্রবাসীর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার রাত দশটার দিকে উপজেলার কাটাছড়া ইউনিয়নের দারোগারহাট বাজারের নোয়াপাড় এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত মহিউদ্দিন উপজেলা ইছাখালি ইউনিয়নের মদপারঘাট এলাকা নন্দীগ্রামের ফজলুল হকের ছেলে।
নিহত মহিউদ্দিনের স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চার বছর আগে মিরসরাই উপজেলার কাটাছড়া ইউনিয়নের বামন সুন্দর বাজার এলাকার নওয়াপাড়ায় মিসির আহমেদের ছেলে মো. শরীফের সাথে বিয়ে হয় নিহত মহিউদ্দিনের ছোট বোন সেলিনা আক্তারের।শরিফ পেশায় গরু ব্যবসায়ী। তাদের সংসারে দুই বছর ও আট মাস বয়সের দুটি মেয়ে সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই দফায় দফায় বাবার বাড়ি থেকে টাকা আনতে স্ত্রী সেলিনা আক্তারকে চাপ দিত শরীফ।
গত শুক্রবার মহিউদ্দিনের বোন সেলিনা আক্তার ভাইকে বাঁচাতে আসলে মারধর করে তারও একটি পা ভেঙে দেয়। লাথি ও কিল ঘুষির পর ঘটনাস্থলেই লুকিয়ে পড়ে মহিউদ্দিন। পরে মহিউদ্দিনের সাথে থাকা লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন ।এ বিষয়ে মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ফাহিম ফেরদৌস বলেন, শুক্রবার রাত এগারোটার দিকে মো. মহিউদ্দিন নামে একজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। তবে নিহত ব্যক্তির শরীরে জখমের কোন চিহ্ন দেখা যায়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নিহত মহিউদ্দিনের ছোট বোন সেলিনা আক্তার বলেন, শুক্রবার দিনভর বাবার বাড়ি থেকে জমি বিক্রি করে টাকা এনে দেয়ার জন্য আমাকে নির্যাতন করছিল আমার স্বামী। খবর পেয়ে আমার ভাই মারধরের বিষয়ে জানতে ও আমাদের সংসারে শান্তি ফিরিয়ে আনতে আলোচনা করার জন্য আমার স্বামীর বাড়িতে আসলে স্বামী ও শ্বশুর শাশুড়ি এবং তার আত্মীয় স্বজনরা মিলে পিটিয়ে আমার ভাইকে মেরে ফেলেছে। এ সময় আমি বাঁধা দিলে আমাকেও মারধর করে আমার একটি পা ভেঙে ফেলে। আমি আমার ভাইয়ের হত্যার বিচার চাই। এ বিষয়ে জানতে চাইলে নিহত মহিউদ্দিনের লাশ উদ্ধার করে আনা জোরারগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক আরিফ হোসেন বলেন, শুক্রবার রাতে কাটাছড়া ইউনিয়নের দারোগারহাট বাজার এলাকার নোয়াপাড়ায় বোনের বাড়িতে এসে এক প্রবাসীর মৃত্যু হয়েছে এমন খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। প্রাথমিক তদন্তে জানতে পারি নিহত ব্যক্তির ছোট বোনের স্বামী ও তার কয়েকজন আত্মীয়-স্বজন মিলে প্রবাসী মহিউদ্দিনকে লাথি ও কিল ঘুসি মারে। তবে সুরতহালে তার শরীরের কোথাও আঘাতের কোন চিহ্ন পাইনি আমরা। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় নিহত ব্যক্তির পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এ বিষয়ে জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাব্বির মোহাম্মদ সেলিম বলেন, পারিবারিক বিবাদ মিটাতে বোনের বাড়িতে গিয়ে বোনের স্বামী ও তার পরিবারের লোকজনের হাতে মাছ ধরে শিকার হয়ে প্রবাসী মৃত্যুর বিষয়টি সত্য। এই ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে। এই ঘটনার সাথে যুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করতে অভিযান চালাচ্ছি আমরা।
এমএসএম / এমএসএম
মরণফাঁদে পরিণত পাঁচুড়িয়া খাল: দেখার কি কেউ নেই..?
বাগেরহাট শহরে জলাবদ্ধতা, চরম দুর্ভোগে মানুষ কৃষকদের বোরো ধানের ক্ষতির আশংকা
লাকসামে পার্টনার কংগ্রেস ২০২৬ অনুষ্ঠিত
টুঙ্গিপাড়ায় ভেজালমুক্ত খাদ্যের দাবিতে র্যালি-মানববন্ধন
নওগাঁয় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশী অস্ত্রসহ সাত সদস্য গ্রেপ্তার
ঝড়ে লণ্ডভণ্ড কুমিল্লার বিদ্যুৎ ব্যবস্থা, ট্রান্সফরমার-মিটার ব্যাপক ক্ষতি, ক্ষতিগ্রস্ত হাজারো গ্রাহক
কুমিল্লায় বিজিবির অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার
গোদাগাড়ীতে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত
গোবিপ্রবিতে ৯ বিভাগে কেমিক্যাল সরবরাহ, মেডিকেল সেন্টারে নতুন সরঞ্জাম সংযোজন
ভূরুঙ্গামারীতে তিনটি ইউনিয়নে বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে
গোবিপ্রবির দুই প্রকল্প এডিপিতে অন্তর্ভুক্ত
লালপুর গ্রামের রাস্তায় জলবদ্ধতা নিরসনে জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এলাকাবাসী