সাপাহারে লকডাউনে কবুতর পালনে সফল শিক্ষক জিল্লুর রহমান
অনেকেই শখ করে কবুতর পালেন। পৃথিবীতে ২০০ প্রজাতির কবুতর রয়েছে। এরমধ্যে বাংলাদেশে ৩০ প্রজাতির কবুতর রয়েছে। পূর্বে এ পাখিটি শখ করে পালন করা হতো। পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই দেখা যায় কবুতর শান্তির প্রতীক। জনপ্রিয় গৃহপালিত পাখি কবুতর। জনশ্রুতি রয়েছে, প্রাচীনকালে গৃহপালিত কবুতর চিঠির আদান-প্রদান করত। বাংলাদেশের জলবায়ু এবং বিস্তীর্ণ শষ্যক্ষেত কবুতর পালনের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। বর্তমানে এটা পরিবারের পুষ্টি সরবরাহ, সমৃদ্ধি, শোভাবর্ধনকারী এবং বিকল্প আয়ের উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এদের সুষ্ঠু পরিচর্যা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সঠিকভাবে প্রতিপালন করে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখা সম্ভব।
বেকারত্ব ঘোচাতে অনেকেই বাণিজ্যিকভাবে কবুতরের খামার স্থাপন করে আজ স্বাবলম্বী। এরকমই একজন সাপাহার উপজেলার গোডাউনপাড়ার মো. জিল্লুর রহমান। লকডাউনের অবসর সময়কে কাজে লাগিয়ে আজ তিনি সফল। তিনি সাপাহার জয়পুর রাজ্যধর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। তিনি পেশায় একজন শিক্ষক হলেও কবুতরের প্রতি রয়েছে অগাদ ভালোবাসা। তার সংগ্রহে থাকা দেশি-বিদেশি কবুতর দেখে আকৃষ্ট হন অনেকে। তিনি বাসার একটি ঘরে গড়ে তোলেন কবুতরের খামার। তার সংগ্রহে রয়েছে- হলুদ ম্যাকপাই, কালো ম্যাকপাই, গিরিবাজ, শুয়াচন্দন, ফিলব্যাক, সার্টিং, মুক্ষী, ম্যাগপাই পোর্টার, ককা, সিলভার সিরাজি, হলুদ সিরাজিসহ বিভিন্ন প্রজাতির কবুতর।
তিনি বলেন, প্রত্যেক জাতের কবুতরের জন্য রয়েছে আলাদা আলাদা খাঁচা। চাল, ছোলা বুট, মটর ডালসহ পরিমিত পানি দিনে দু-তিনবার দিতে হয়। কবুতরের বেশি খাবারেরও প্রয়োজন হয় না। প্রতিদিন দু-তিনবার খাবার ও পানি দিলেই হয়। তবে নিয়মিত এর বিষ্ঠা পরিষ্কার করতে হয়।
জিল্লুর রহমান আরো বলেন, কবুতর পালন করতে একজন লোকের তেমন পরিশ্রম করতে হয় না। অতিরিক্ত কোনো খরচ হয় না। কবুতরকে সহজেই পোষ মানানো যায়। সংসারের যাবতীয় কাজ শেষ করার পর একটু খেয়াল করলেই অতি সহজে যে কোনো বাড়িতে এই কবুতর পালন করা সম্ভব।
সাপাহার উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আশীষ কুমার দেবনাথ বলেন, কবুতর সাধারণত বিভিন্ন প্রকার শস্যদানা যেমন- গম, মটর, খেসারি, সরিষা, ভুট্টা, কালাই, ধান, চাল, কাউন, জোয়ার ইত্যাদি খেয়ে থাকে। কবুতরের খাবারে ১৫%-১৬% আমিষ থাকা প্রয়োজন। মুরগির জন্য তৈরি সুষম খাবার খাওয়ালে সুফল পাওয়া যায়। কবুতরের বাচ্চার দ্রুত বৃদ্ধি, হাড় শক্ত ও পুষ্টি এবং বয়স্ক কবুতরের সুস্বাস্থ্য ও ডিমের খোসা শক্ত হওয়ার জন্য ঝিনুকের খোসার গুঁড়া, চুনাপাথর, শক্ত কাঠ কয়লা গুঁড়া, হাড়ের গুঁড়া, লবণ এসব মিশিয়ে ‘গ্রিট মিকচার’ তৈরি করে খাওয়াতে হবে। প্রতিটি কবুতর প্রতিদিন গড়ে ৩৫-৬০ গ্রাম দানাদার খাদ্য খেয়ে থাকে। এছাড়াও প্রতিদিন কিছু কিছু কাঁচা শাক-সবজি কবুতরকে খেতে দিলে ভালো হয়।
সাপাহার উপজেলার কবুতর পালনকারীদের পরামর্শ প্রদান ও চিকিৎসা সেবাসহ বিভিন্নভাবে সহযোগিতা প্রদান করছে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর বলে জানান সাপাহার উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা।
বাড়ির যে কোনো কোণ বা আঙিনা অথবা বাড়ির ছাদ কিংবা ছোট বা অল্প কোনো জায়গাতেও কবুতর পালন করা যায়। কম পরিশ্রম ও অল্প খরচে কবুতর পালন করে পরিবারের আমিষের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি নিজের বাড়তি আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করতে কবুতর পালনে ঝুঁকছে বর্তমান যুবসমাজ।
জামান / জামান
তাহিরপুরে ধুমধাম করে ১৩ বছরের কিশোরীকে বিয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি ভেঙে দিলেন উপজেলা প্রশাসন।
চবিতে ‘একেএম ফজলুল কাদের চৌধুরী হল’ নামকরণের দাবিতে মানববন্ধন
আনোয়ারায় পূর্ব শত্রুতায় জেরে স্থানীয় যুবদল নেতার উপর হামলার অভিযোগ
পঞ্চগড়ে মাইকে ঘোষণা দিয়ে চা বাগান দখল চেষ্টার অভিযোগ
পেকুয়ায় বন বিভাগের অভিযানে মিশিয়ে দেওয়া হলো অবৈধ বালুর স্তূপ
গুরুদাসপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আব্দুল মতিন গ্রেপ্তার
বেশি দামে সার বিক্রি, দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা
বেনাপোল স্থলবন্দর পরিচালক বদলি,আলোচনায় সাবেক পরিচালক মামুন
গৌরনদী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদকের ওপর হামলার প্রতিবাদে সাংবাদিকদের মানববন্ধন, থানায় মামলা, গ্রেফতার ২
মধুখালীতে নবাগত ইউএনও এর সাথে উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির ফুলের শুভেচ্ছা বিনিময়।
হাটহাজারীতে চাঞ্চল্যকর নুরুল আজিম হত্যার প্রধান আসামী গ্রেফতার
চুয়াডাঙ্গার সিমান্তগুলোতে স্বর্ণ পাচারের বাহকরা ধরা পরলোও অধরাই নেপথ্যের হোতারা