খোকসা থানায় চলছে রমরমা গ্রেপ্তার বাণিজ্য, অভিযোগের তীর ওসি'র দিকে
কুষ্টিয়া জেলার প্রবেশ দ্বার খোকসা উপজেলা এই উপজেলাটি ঘিরে ৫ই আগস্ট এর পর থেকে রাজনৈতিক সহিংসতা,চাঁদাবাজি, ছিনতাই, চুরি সহ একের পর এক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সংঘটিত হচ্ছে। এতে যেমন আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতি হচ্ছে তেমনি সাধারণ জনগণের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
সারা দেশের মতো ৫ই আগস্ট এর পর থেকে খোকসা উপজেলাতেও রাজনৈতিক পঠ পরিবর্তন হয়েছে, এতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সবাই পলাতক। কিন্তু সাধারণ জনগণের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে গ্রেপ্তার বাণিজ্য'কে কেন্দ্র করে। এই গ্রেপ্তার বাণিজ্যের বিষয়ে দৈনিক সকালের সময়ের অনুসন্ধানে উঠে আসে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য তা হলো ৫ই আগস্ট ২০২৪ খোকসা থানায় হামলা ও নাশকতার মামলায় অজ্ঞাত আসামিদের তালিকায় আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কর্মীদেরকে তদন্তের কথা বলে গ্রেফতার করা হচ্ছে। এতে শুধু আওয়ামী লীগের কর্মীরাই নয় বিএনপির সহ সাধারণ জনগণ কেউ এই হয়রানি করা হচ্ছে। এমন কিছু ভুক্তভোগী দৈনিক সকালের সময়'কে জানান, আমাদেরকে থানায় নিয়ে মোটা অংকের টাকা দাবি করা হয় টাকা না দিলে অস্ত্র মামলা এবং অনেক বড় বড় মামলা দিয়ে চালান করে দেবে এমন কথা বলতে থাকে। এক কথায় টাকা দিলে মামলা ছোট, টাকা না দিলে মামলা বড়।
এ বিষয়ে এক ভুক্তভোগী ওসমানপুর ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য জহুরুল ইসলাম পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বরাবর একটি অভিযোগ করে, অভিযোগে তিনি বলেন, খোকসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি স্যারের নির্দেশে আমাকে বাড়ি থেকে তুলে নেওয়া হয় এবং থানায় যেয়ে ওসি আমার কাছ থেকে এক লক্ষ টাকা দাবি করে, টাকা যদি না দিই তাহলে আমাকে অস্ত্র মামলা দিয়ে চালান দেবে। আমি মামলার ভয়ে তাৎক্ষণিকভাবে আমার বাড়িতে ফোন দিয়ে অনেক কষ্টে এক লক্ষ টাকা জোগাড় করে ওসি সাহেবের হাতে দিই, এরপর ওসি সাহেব আমাকে খোকসা জি আর ২২/২০২৫ নং মামলায় অজ্ঞাত আসামী দেখিয়ে কোর্টে প্রেরণ করে। এবং এই টাকার বিষয়ে কাউকে কিছু বলতে মানা করে।
এমন আরো শত শত অভিযোগ উঠেছে খোকসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মোঃ মঈনুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে।
অনুসন্ধানে আরও উঠেছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বিএনপি কর্মী জানান, রাজন অস্ত্র মামলা সহ একাধিক মামলার আসামি। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এই রাজনের নেতৃত্বে চাঁদাবাজি, মারামারি এমন কোন অপকর্ম নেই যে তিনি করেননি। এই রাজন একসময় ফ্যাসিস সরকারের এমপি সেলিম আলতাব জজের ক্যাডার হিসাবে ছিলো।কিন্তু এই রাজন আজ খোকসায় ওপেনে ঘুরে বেড়ায় কারণ লোকমুখে শোনা যায় প্রত্যেক মাসে রাজন আড়াই লক্ষ টাকা খোকসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে দেয়।
খোকসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মোঃ মাইনুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে শুধু ঘুষ লেনদেনের অভিযোগই নয়, এর আগেও তিনি সমালোচিত হয়েছেন দেশব্যাপী। তা হল খোকসা পৌর বিএনপির উদ্যোগে একটি দলীয় প্রোগ্রামে তিনি একজন সরকারী কর্মকর্তা হয়ে রাজনৈতিক বক্তব্য দেয়ার ফলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও প্রথম শ্রেণীর টেলিভিশনে তার বক্তব্যটি ভাইরাল হয় এরপর থেকেই দেশব্যাপী তাকে নিয়ে আলোচনা সমালোচনা শুরু হয়।
খোকসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মোঃ মাইনুল ইসলামের কাছে তার এ সমস্ত অভিযোগের বিষয় জানতে চাইলে তিনি দৈনিক সকালের সময় কে বলেন, আমার নামে যে সমস্ত অভিযোগ উঠেছে এই অভিযোগগুলো সম্পন্ন মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আওয়ামী লীগের কিছু নেতাকর্মী মিলে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে।
এ বিষয়ে কুষ্টিয়া জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান এর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, খোকসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মোঃ মাইনুল ইসলামের বিরুদ্ধে এমন কোন অভিযোগ যদি কারোর থাকে তাহলে সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রমাণ সহ আমাদের কাছে অভিযোগ দেওয়ার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি এবং আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নিবো।
এমএসএম / এমএসএম
শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত হলেন ঢাকার এডিসি ফারজানা
দুই দিনের সফরে আজ কক্সবাজারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বোদায় ইউএনও'র বিরুদ্ধে প্রায় অর্ধ কোটি টাকার ঠিকাদারী করার অভিযোগ
কাশিমপুরে পানিবন্দী ৫০০ পরিবারের মাঝে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ত্রাণ বিতরণ
সিসি ক্যামেরা ও ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপনে ব্যাপক অনিয়ম
বাগেরহাটে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে
পেকুয়ায় ৮ শতাধিক পরিবার পেল যুবদলের ত্রাণ
ট্যালেন্টপুল বৃত্তিতে কৃতিত্ব দেখাল মুনতাসির আজমাঈন
দেশের একটি মন্দিরেও হামলা হয়নি গত দুই বছরে: চিফ হুইপ
পটিয়ায় বন্যার্তদের মাঝে এনসিপির উপহারসামগ্রী বিতরণ
নড়াইলে কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে বৃত্তিপ্রাপ্তদের সনদ ও পুরস্কার বিতরণ
গোপালগঞ্জে বন্যা মোকাবিলায় প্রশাসনের প্রস্তুতি, জনসচেতনতামূলক প্রচার জোরদার