নোয়াখালীর পক্ষে কোন দালিলিক প্রমান মেলেনি
সন্দ্বীপবাসী ফিরে পাচ্ছে ভাসানচর
সন্দ্বীপ ও নোয়াখালীর মধ্যে সীমানা বিরোধ চলে আসছে অনেক বছর ধরে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ভাসানচর সন্দ্বীপের অংশ তা নিয়ে বার বার বিভিন্ন প্রমান উথ্বাপন করলেও নোয়াখালীর প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যাক্তির ক্ষমতার দাপট ও সন্দ্বীপের রাজনৈতিক নেতাদের ক্ষীনস্বরে প্রতিবাদ (নামমাত্র) তা আটকিয়ে রাখতে পারেনি। ছিনতাই হলো সন্দ্বীপের অংশ। কিন্তু সন্দ্বীপের পক্ষে ২ জন ব্যাক্তি ১.মনিরুল হুদা বাবন ২.বায়রন চেয়ারম্যান দৃঢ় অবস্থান ও রাষ্টপক্ষের কাছে তাদের রিট আবেদন সময়ের ব্যবধানে সন্দ্বীপ অংশে ফিরিয়ে আনতে এখন সত্য প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখছে।
কারন ১০ এপ্রিল দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলো সন্দ্বীপ ও হাতিয়া দ্বীপের মধ্যকার সীমানা নির্ধারণ নিয়ে দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত মিটিং। আলোচিত এই বৈঠকে সংশ্লিষ্ট উভয় পক্ষের প্রতিনিধি, ম্যাপ, গেজেট এবং অন্যান্য সরকারি কাগজপত্র উপস্থাপন করেন।
এতে উঠে আসে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য—যে ভাসানচর (সাবেক ন্যামস্তি ইউনিয়ন), প্রকৃতপক্ষে সন্দ্বীপ উপজেলারই অংশ। সন্দ্বীপবাসীর আন্দোলন ও সংগ্রামের পেছনে ছিল এই ঐতিহাসিক ও ভূ-প্রাকৃতিক দাবি।
প্রসঙ্গত, কয়েক বছর আগে নোয়াখালীর প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, বিশেষ করে তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের নেতা ওবায়দুল কাদেরের একক রাজনৈতিক প্রভাবের মাধ্যমে ভাসানচরকে হাতিয়ার অধীনে যুক্ত করা হয়। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয় সন্দ্বীপবাসী, শুরু হয় আন্দোলন ও আইনি লড়াই।
বৈঠকে সন্দ্বীপিরা শক্ত প্রমাণসহ তাদের দাবি তুলে ধরলেও, হাতিয়া পক্ষ মূলত রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও একটি পুরনো গেজেটের উপর ভিত্তি করেই অবস্থান ব্যাখ্যা করে, যা পর্যাপ্ত প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হয়নি।
মিটিং শেষে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আর কোনও স্থানীয় বৈঠক হবে না। এখন সমস্ত কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে সরকারের ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে পাঠানো হবে, সেখান থেকেই আসবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।সংক্ষেপে বলা যায় কোন ষড়যন্ত্র বা অপশক্তির বাঁধা তৈরি নান হলে নিশ্চিত সন্দ্বীপের পক্ষে রায় আসবে।
সন্দ্বীপবাসীর বিশ্বাস, সত্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে এবার ন্যায়বিচার মিলবে। তাদের দাবি—“যদি কাগজপত্র বলে এটা সন্দ্বীপের ভূমি, তবে তা আমাদের বুঝিয়ে দিন। আর যদি হাতিয়ার হয়, তবে তারাও পাবে তাদের অধিকার। তবে আমরা চাই সত্যিই যেন কাগজপত্রই শেষ কথা বলে, মনগড়া রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়।”
বৈঠক শেষে কমিশনার অফিসের সামনে একত্রিত হন শতাধিক সন্দ্বীপবাসী, হাতে প্ল্যাকার্ড ও মিছিলের স্লোগানে তারা জানান তাদের দৃঢ় প্রত্যয়—“আলো আসবেই, সন্দ্বীপবাসীর ভূমি তারা ফেরত পাবেই।
এমএসএম / এমএসএম
নন্দীগ্রামে শহীদ দিবস ও মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে উপজেলা বিএনপি'র শ্রদ্ধা নিবেদন
কালুয়ায় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত
হাটহাজারীর সন্তান হিসেবে মানুষের সেবায় কাজ করে যেতে চাই-মীর হেলাল
বাজারে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে জেলা পর্যায়ে ন্যায্যমূল্যে দুধ-ডিম-মাংস বিক্রি শুরু
ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত
বগুড়ায় চাঁদাবাজির মামলায় এনসিপি নেতা গ্রেপ্তার
রাণীশংকৈলে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত
ঝিনাইদহে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও মহান শহীদ দিবস পালন
বাঁশখালীতে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপিত
মিরসরাইয়ে মৎস্য ঘেরের মাছ নষ্ট করার প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন
নাগরিক কমিটিকে সম্পৃক্ত করে টিসিবির কার্যক্রম স্বচ্ছ করা হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী
হিসাব চাওয়ায় হামলার অভিযোগ: কাউনিয়ায় বিএনপি নেতা আহত, তাতী দলের নেতার বিরুদ্ধে মামলা