ঢাকা বৃহষ্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬

জলাবদ্ধতা নিরসনে জেলা প্রশাসকের কাছে চিঠি, মানববন্ধনে এলাকাবাসী


এম এস রহমান  photo এম এস রহমান
প্রকাশিত: ২৬-৬-২০২৫ দুপুর ৩:৬

গাজীপুরের সিটি কর্পোরেশনে১২টি মৌজা নিয়ে ১নং ওয়ার্ড গঠিত হয়েছে। উল্লেখযোগ্য এলাকা হচ্ছে মাধবপুর, দক্ষিণ পানিশাইল, উত্তর পানিশাইল, দাসপাড়া ও কোনাপাড়া। অত্র মৌজার মানুষের চলাচলের প্রধান সড়ক গুলো হচ্ছে। জিরানী বাজার থেকে কাশিমপুর, রেডিয়াল থেকে সফিপুর, এফডিসি রোড থেকে আন্ধারমানিক পশ্চিমপাড়া ও পানিশাইল থেকে নস্করচালা। এই চারটি প্রধান সড়কসহ এলাকার ছোটখাটো রাস্তাগুলোও নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হলেও নেই কোন পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা।  বর্ষায় সামান্য বৃষ্টিতেই জিরানী-কাশিমপুর সড়কে  হাঁটুপানি জমে। এলাকাবাসী বলছেন, পূর্ব পরিচিত শফিউল্লাহর খালটি পুনরুদ্ধার হলে ১নংওয়ার্ডের  সমস্যা মিটে যাবে। 

এব্যাপারে গত ২২/০৬/২০২৫তারিখ ইং একব্যক্তি জেলা প্রশাসক বরাবর চিঠি দিয়েছেন।সেখানে উল্লেখ করেন।অবৈধভাবেখাল দখল হওয়াতে প্রায় এক লক্ষ মানুষ পানি বন্দী, খাল পুনরুদ্ধার জলাবদ্ধতা নিরসনের।

কাশিমপুরের ১ নম্বর ওয়ার্ডে খাল দখলের কারণে জলাবদ্ধতায় প্রায় এক লক্ষ মানুষ, ত্রিশ হাজার  পরিবার পানিবন্দী। যা পলাশ হাউজিং সোনালী পল্লী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হাউজিংয়ের নির্ধারিত ৪০ ফিট চওড়া খাল এবং রাস্তাযর জন্য নির্ধারণ করা যেটি চক্রবর্তী খালের সাথে সংযুক্ত হওয়া উক্ত খালটি।
বর্তমান অবস্থায় তিন ফিটে পরিণত হয়েছে কোথাও কোথাও একেবারে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। যা কিনা বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ভূমিদস্যদের হাতে দখল হয়েছে বর্তমানে কোনো কোনো যায়গায় বাসা বাড়ি দোকান ঘর নির্মাণ কাজ চলমান ফলে খালের স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পানি নিষ্কাশনে বিঘ্ন ঘটে এবং জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এই কারণে ১ নম্বর ওয়ার্ডের মাধবপুর, দক্ষিণ পানিশাইল, উত্তর পানিশাইল, দাসপাড়া ও কোনাপাড়াসহ বেশ কিছু এলাকার বাসিন্দারা প্রতিনিয়ত পানিবন্দি জীবনযাপন করছেন। এই সমস্যা সমাধানে, কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করছি। খাল দখলমুক্ত করে স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে  ব্যবস্থা নিতে মহোদয়ের প্রতি বিনীত অনুরোধ।

 সরেজমিনে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা হয় তারা বলেন । জিরানী বাজার থেকে কাশিমপুরে যাওয়ার পথে প্রায় এক কিলোমিটারের মধ্যেই পড়ে মোল্লা মার্কেট এলাকা। সেখানে রাস্তার দুই পাশে গড়ে উঠেছে বড় বাজার। ওই বাজার এবং স্থানীয় বিভিন্ন কারখানার পাশ দিয়ে একটি খাল চক্রবর্তী এলাকার দিকে চলে গেছে। ওই খালের প্রথম অংশে দক্ষিণ পাশে মার্কেট ও বাড়ি নির্মাণ করে ভাড়া দিয়েছেন ব্যবসায়ী আবদুল হাকিম। আর রাস্তার উত্তর পাশে দোকান বানিয়ে ভাড়া দিয়েছেন। হাকিমের দাবি, তিনি খাল দখল করেননি। খালের ওপর দোকান নির্মাণ করেছেন।  অত্র এলাকার বাসিন্দারা আরো জানান, তাঁদের ওয়ার্ডের সবচেয়ে বড় সমস্যা পানি নিষ্কাশনের একমাত্র খালটি দখল হয়ে যাওয়া। এটি ‘ সফিউল্লার’ খাল নামে পরিচিত ছিল। প্রভাবশালীরা দখল করায় পানি নিষ্কাশনে সমস্যা দেখা দিয়েছে।

একটা স্থানীয় প্রবীন বলেন আমরা ছোটবেলা থেকে দেখে আসছি শফিউল্লাহ খাল যেটা ছিল বর্তমানে মোল্লা মার্কেট থেকে চক্রবর্তী খালের সাথে যুক্ত খালটির কোথাও কোথাও ৫০ ফিট পর্যন্ত ছিল। এক শ্রেণীর ভূমিদস্যরা বড় বড় গার্মেন্টস ফ্যাক্টরির সাথে সঙ্গ দিয়ে খালটি বর্তমানে বন্ধ করে দিয়েছে এমনকি নিজেরাও দখল করে বসে আছে।খাল উদ্ধার করে জলবদ্ধতা নিষ্কাশনের প্রশাসনকে অবগত করতে ২৩ শে মে ২০২৫ রোজ শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে মুসল্লী সহ এলাকাবাসী
মানববন্ধন করেন। উপস্থিত ছিলেন এলাকার সম্মানিত ব্যক্তি আঃ মোল্লা, আঃ কাদের, আল আমিন, সামাল মুন্সি, রমিজ মুন্সি, জিল্লুর রহমান, আনোয়ার মাস্টার, আঃ মান্নান কাজি, জয়নাল মাস্টার, হারুন রশীদ ড্রাইভার, কাদের মুন্সি, শাহা মুন্সি, মোসলেম উদ্দিনসহ পানিবন্দী সাধারণ জনগণ।

স্থানীয়রা জানান, মাছিহাতা সোয়েটার্স লিমিটেডের সামনে থেকে শুরু হয়ে চক্রবর্তী পর্যন্ত বিস্তৃত একটি ৪০ ফিট প্রশস্ত খালটি বহু বছর ধরে পানি নিষ্কাশনের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। এলাকাবাসীর দাবি, এই খালটি পূর্বে তিনটি প্রতিষ্ঠান—পলাশ হাউজিং, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আবাসিক প্রকল্প এবং সোনালী পল্লী—ত্রিমুখী দলিলের মাধ্যমে খাল হিসেবে নির্ধারিত ছিল। কিন্তু বর্তমানে এক শ্রেণির প্রভাবশালী ভূমিদস্যুরা খালটি দখল করে ফেলেছে।

তাদের অভিযোগ, খালের উপর ময়লা-আবর্জনা ফেলে এবং অবৈধভাবে দখল করে খালটি প্রায় বিলুপ্তির পথে নিয়ে গেছে ওই দখলদাররা। এতে করে এলাকায় পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে ব্যাহত হচ্ছে এবং বৃষ্টিপাত বা বন্যার সময় জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। ফলে এলাকাবাসী চরম দুর্ভোগে পড়েছে।

অনুসন্ধান তথ্যে আরও জানা যায় গাজীপুর জেলার ১ নম্বর খতিয়ানের আর এস রেকর্ডে ১২৫ নং দাগ যেখানে সহজ উল্লেখ জনসাধারণের খাল হিসাবে নির্ধারণ করা। ওই দাগের আশেপাশের দাগগুলো সরকার  সম্পত্তি খাস জমি হিসেবে উল্লেখিত।
সবগুলোই ভূমিদস্যদের হাতে দখল প্রায়।

এমএসএম / এমএসএম

বেবিচকে বিমান চলাচলের নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় CATRAC-এর দ্বিতীয় সভা

বিমানবন্দরে ৩১ লাখ টাকার স্বর্ণালংকারসহ নারী আটক

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ড্যাবের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা

গাজীপুরে হেরোইন ও দেশীয় অস্ত্রসহ ২ জন গ্রেপ্তার

বাংলাদেশের হাফেজ জাকারিয়ার বিশ্বজয়

ঢামেক হাসপাতালে আনসারের মানবিক তৎপরতা: ৪ বছরের বাকপ্রতিবন্ধী শিশু নাদিয়া ফিরলো বাবার কোলে

অডিট অধিদপ্তরের সাবেক ডিজির বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করছে দুদক

বেবিচক সদরদপ্তর ও শাহজালালে অগ্নিনির্বাপণ মহড়া

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের প্রতিনিধিদলের গুরুত্বপূর্ণ সভা

ধানমন্ডির ইচিগো রেস্টুরেন্টকে নিরাপদ খাদ্য আইনে ১ লাখ টাকা জরিমানা

খিলগাঁওয়ে নকশার ব্যত্যয়ে রাজউকের কড়া পদক্ষেপ

ফ্লাইট বৃদ্ধি, ভিসা সহজীকরণ ও দক্ষ জনবল উন্নয়নে গুরুত্ব

১৬ ডিসেম্বর থার্ড টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য : বিমানমন্ত্রী