ঢাকা বৃহষ্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পেতে ২৫ হাজার টাকা ঘুস দাবি, ৫ হাজারে সেবা


আরাফাত হাসান, মাদারীপুর photo আরাফাত হাসান, মাদারীপুর
প্রকাশিত: ২৪-৭-২০২৫ দুপুর ১২:১৪

উচ্চ শিক্ষার সুযোগ পেতে বা অনেক কোম্পানীতে চাকুরি কিংবা ভিসা ও ইমিগ্রেশনের জন্য প্রয়োজন হয় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট। মূলত একটি সরকারি নথি যা প্রমাণ করে, কোনো ব্যক্তি কোনো অপরাধমূলক কাজের সাথে জড়িত নয় এবং তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। কিন্তু পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পেতে পদে পদে হয়রানীর অভিযোগ উঠেছে। এমনকি মোটা অংকের ঘুস দাবি করা হয়। পরে টাকা দিলে পাওয়া যায় এই সার্টিফিকেট।
এমন ঘটনার শিকার মাদারীপুরের বালিগ্রাম ইউনিয়নের বাসিন্দা শফিক মুন্সি (ছদ্মনাম) কথা হয় তার সাথে। তিনি জানান, পাসপোর্টে তার থানার ঠিকানা কালকিনি আর ভোটার আইডি কার্ডে থানা দেয়া ডাসার। অনলাইনে পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য আবেদন করেন তিনি। কয়েক দফা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ও ডাসার থানায় গিয়েও পাননি সেবা। শেষমেষ চলে আসেন কালকিনি থানায়। সেখানে যোগাযোগ করেন কালকিনি থানার কম্পিউটার অপারেটর মো. সোহেল খানের সাথে। গ্যারান্টি দেন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট দেয়ার। এজন্য পুলিশের এই সদস্যকে দিতে হবে ২৫ হাজার টাকা। টাকা না দিলে কোন অবস্থাতেই মিলবে না এই সার্টিফিকেট। এমন কি অন্যকেউ শফিক মুন্সিকে সহযোগিতাও করবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন পুলিশ সদস্য। শেষমেষ ৫ হাজার টাকা নগদ সোহেলের হাতে তুলে দিলে পহেলা জুলাই অনলাইনে আবেদন করিয়ে ১৫ দিনের মধ্যে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট দেয়ার প্রতিশ্রুত দেন থানার এই কম্পিউটার অপারেটর। গত ২০ জুলাই জেলার পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট গ্রহণ করেন এই ভুক্তভোগী।
অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য মো. সোহেল খান বলেন, ‘আমি কার কাছ থেকে কোন টাকা নেয়নি। আপনার কোন কথা থাকলে থানার ওসি স্যারের সাথে থানায় এসে কথা বলেন।’
কালকিনির থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোহেল রানা বলেন, ‘যে ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা নিয়েছে তাকে থানায় আসতে বলেন। আমি তার সাথে কথা বলি, বিষয়টি কি হয়েছে জানার চেষ্টা করি। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পেতে কোন টাকা লাগার কথা নয়।’
মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, ‘অভিযোগের বিষয়টি পুলিশ গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। ওই পুলিশ সদস্য কোন অপরাধের সাথে জড়িত থাকলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
প্রসঙ্গত, কালকিনি উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত হয় ডাসার থানা। পরে ঘোষণা হয় ডাসার উপজেলারও। জক্কিঝামেলা এড়াতে ডাসার থানার অনেক পাসপোর্টধারী পুরনো ঠিকানা অর্থাৎ কালকিন থানা ব্যবহার করছেন। এতেই পড়তে হচ্ছে নানাবিধ সমস্যায়। এক বছর ধরে কালকিনি থানার কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে আছেন পুলিশ সদস্য মো. সোহেল খান।

এমএসএম / এমএসএম

মাগুরায় আওয়ামী লীগের দলীয় পতাকা উত্তোলন করে অফিস উদ্বোধন, আটক ৩

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিয়োগ নিয়ে অপপ্রচারের নিন্দা কান্ডারীর

ঠাকুরগাঁওয়ে ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার

৩টি খাল খনন উদ্বোধন ও বিজিএফ’র চাল বিরতণ করলেন এমপি মালিক

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চাঁদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির বিএনপি প্যানেল বিজয়ী

রমজান উপলক্ষে ইয়ারা গ্রুপের উদ্যোগে ৩ শতাধিক পরিবারের মাঝে ইফতার ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ

শ্যামনগরে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন, এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা

টাঙ্গাইল জেলায় কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা : ভোরের আলো ফুটতেই হাসছে সূর্যমুখী ফুল

বরগুনায় বিশেষ অভিযানে ইয়াবাসহ যুবক আটক

ভোক্তা অধিকার আইন লঙ্ঘন করায় চাঁদপুরে ৫ প্রতিষ্ঠানের জরিমানা

নোয়াখালীতে আব্দুল হালিম মানিক ট্রাস্ট্রের উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ

রায়পুরে অটোরিকশা চালকের ঘুষিতে যুবদল নেতার মৃত্যু

রাণীশংকৈলে কৃষি প্রযুক্তি মেলার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ