ডিলারের বিরুদ্ধে বাড়তি টাকা নেয়ার অভিযোগ
মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার দিঘি ইউনিয়নের এক ডিলারের বিরুদ্ধে সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির এক পাতার বইয়ের জন্য ২০০ টাকা করে আদায় করার অভিযোগ উঠেছে। মো. আলতাফ হোসেন মোল্লা নামে ওই ডিলার দিঘি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মতিন মোল্লার ভাতিজা। তবে টাকা আদায়ের অভিযোগ অস্বীকার করে আওলাদ হোসেন বলেছেন, আমি কারো কাছে টাকা চাইনি। কার্ডধারীরা নিজেরাই আমাকে টাকা দিয়েছেন।
জানা যায়, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ১০ টাকা কেজি দরে একজন সুবিধাভোগীকে ৩০ কেজি করে চাল দেয় সরকার। বছরে পাঁচ মাস এই চাল দেয়া হয়। এজন্য সুবিধাভোগীদের একটি করে কার্ড দেয়া হয়। প্রতিবার চাল উত্তোলনের সময় ওই কার্ডে তারিখ ও কার্ডধারীর টিপসই নেয়া হয়। এক পাতার ওই কার্ডে সর্বোচ্চ ২৪ বার চাল উত্তোলন করা যায়। ডিলার আওলাদ হোসেনের কাছ থেকে ৫, ৬, ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মোট ৪২৫ জন সুবিধাভোগী চাল উত্তোলন করেন। এদের কার্ডের ২৪টি ঘর পূরণ হয়ে যাওয়ায় নতুন করে কার্ডের প্রয়োজন হয়। ফলে এক পাতার ওই কার্ডের জন্য প্রত্যেক সুবিধাভেবাগীর কাছ থেকে ২০০ টাকা করে আদায় করেন ডিলার আওলাদ হোসেন। এতে ৮৫ হাজার টাকা অতিরিক্ত আদায় করেন তিনি।
গত মঙ্গলবার ইউনিয়নের ডাউটিয়া বাজারে এই চাল দেয়া হয়। এ সময় আনোয়ারা বেগম, কুলসুম ও রোজিনা বেগমসহ একাধিক সুবিধাভোগী জানান, কার্ড শেষ হয়ে যাওয়ায় ডিলার ২০০ টাকা করে দাবি করেন। ২০০ টাকা না দিলে নতুন কার্ড পাওয়া যাবে না বলে জানানো হয়। বাধ্য হয়ে ডিলারকে টাকা দেই আমরা।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয়রা জানান, সকলের সামনেই তিনি ২০০ টাকা করে নিচ্ছেন। যারা যারা টাকা দিয়েছেন, তাদের পুরাতন কার্ডে ২০০ টাকা পিনআপ করে রাখা হয়েছে। চেয়ারম্যানের ভাতিজা হওয়ায় কেউ তার বিরুদ্ধে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না।
৫ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার শহিদুল ইসলাম বলেন, আমি ঘুমে ছিলাম। কয়েকজন সুবিধাভোগী আমার বাড়িতে গিয়ে ২০০ টাকা করে ধার চাচ্ছেন। আমি তাদের জিজ্ঞাসা করলে তারা জানান, নতুন কার্ডের জন্য ডিলার ২০০ টাকা করে দিতে বলেছেন। পরে আমি সবাইকে ২০০ টাকা করে দিয়েছি।
টাকা নেয়ার বিষয়ে চেয়ারম্যান মতিন মোল্লাকে অবহিত করলে তিনি তার ভাতিজা ডিলার আওলাদ হোসেনকে ফোন করে প্রত্যেকের টাকা ফেরত দিতে বলেন।
সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের উপ-পরিদর্শক (ফুড) রাশেদ খান ও উচ্চমান সহকারী ফজলুর রহমান জানান, সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সুবিধাভোগীদের এক পাতার একটি কার্ড দেয়া হয়।
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক শেখ রিয়াদ কামাল রনি বলেন, কারো কার্ড শেষ হয়ে গেলে পুনরায় কার্ড দেয়ার দায়িত্ব খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিসের। ডিলারের কার্ড দেয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। আর ২০০ টাকা নেয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না। তিনি এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন জানিয়ে এই প্রতিবেদককে রিপোর্ট না করার অনুরোধ জানান। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। ডিলার কার্ডধারীদের টাকাও ফেরত দেননি।
এমএসএম / জামান
নেত্রকোণার দুর্গাপুরে জন্ম থেকেই ১৩ বছর বয়স জুয়েলের হার্টে ছিদ্র-চিকিৎসার অভাবে থমকে আছে জীবন
খালিয়াজুরীর হত্যা মামলায় দুই আসামি ময়মনসিংহে আটক
টঙ্গীতে ১০ কেজি গাঁজাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করলেন কৃষক হত্যায় অভিযুক্ত যুবক
তিন মাস যাবৎ রাকাব চেয়ারম্যান পদ শূন্য থাকায় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আটকে আছে
সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে কাউনিয়ায় বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ
কুমিল্লায় ৪৩ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ
জুড়ীতে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অভিযোগে এক মাদ্রাসা শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত
পটুয়াখালীতে ইয়াবার টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বে জাকারিয়া হত্যা, গ্রেফতার ৩, চোরাই মালামাল উদ্ধার
সুবর্ণচরে আইন শৃঙ্খলা সভা ও বাজার উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
চুনা ম্যানগ্রোভকে (ওইসিএম) হিসেবে স্বীকৃতির উদ্যোগে স্থানীয় জনগণের সম্মতি
দ্রুত রামেসু বাজারে সংগঠিত হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবী