ঢাকা বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬

অবকাঠামো নির্মাণে ৯৫ ভাগ ক্ষেত্রে বায়ুদূষণ বিধিমালা পালন করা হচ্ছে না, প্রকল্পকে জরিমানা জরুরি


প্রেস বিজ্ঞপ্তি photo প্রেস বিজ্ঞপ্তি
প্রকাশিত: ২৬-৮-২০২৫ দুপুর ১:২

অবকাঠামো নির্মাণকারী অধিকাংশ সরকারী ও বেসরকারী প্রকল্প বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা এবং বায়ুদুষণ নির্দেশিকা মানছে না। বায়ুদূষণসৃষ্টিকারী সরকারী, বেসরকারী প্রকল্পকে জরিমানা ও শাস্তির আওতায় আনা না হলে বায়ুদূষণ কমানো সম্ভব হবে না। জরিমানা ও শাস্তি একধরনের সচেতনতা। পরিবেশ অধিদপ্তরকে আইন প্রয়োগকারী সংস্থায় রুপান্তর করতে হবে, যাতে এ সংস্থা পুলিশের ন্যায় আইন প্রয়োগের কৌশল নিতে পারে। একই সাথে পরিবেশ আদালত আইন ও পরিবেশ সংরক্ষন আইন সংশোধন করা এবং আইনে প্রশাসনিক জরিমানা, নাগরিকদের সরাসরি মামলা অধিকার প্রদান, অধিদপ্তরকে অভিযুক্তদের আর্থিক একাউন্ট বন্ধ করার ক্ষমতা প্রদান করা জরুরি। আজ বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রে সেন্টার ফর ল এন্ড পলিসি এফেয়ার্স, পাবলিক হেলথ ল ইয়ার্স নেটওয়ার্ক আয়োজিত এক সেমিনারে বক্তারা এই অভিমত ব্যক্ত করেন।

সভায় সেন্টার ফর ল’ অ্যান্ড পলিসি অ্যাফেয়ার্স- সিএলপিএ এবং বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্র (ক্যাপস)-র যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত অবকাঠামো নির্মাণে বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা বাস্তবায়ন সংক্রান্ত গবেষনা তুলে ধরেন এডভোকেট সৈয়দ মাহবুবুল আলম। ঢাকা শহরের ১০৮টি ডাটা পয়েন্ট থেকে গবেষণার তথ্য সংগ্রহ করা হয়। গবেষণায় দেখা যায়, অধিকাংশ মনিটরিং কার্যক্রমে দেখা যায় বেসরকারি আবাসিক বা ব্যক্তিগত নির্মাণ (৪১.৬৭%) এবং রাস্তা নির্মাণ বা সংস্কারের (৩১.৪৮%) কারণে বেশি বায়ুদূষণ হচ্ছে।  গবেষণায় সরকারি ভবন নির্মাণ (৮.৩৩%), মাটি খনন (৮.৩৩%), নতুন রাস্তা নির্মাণ (৭.৪১%), ধ্বংসসাধন ও পরিষ্কার কার্যক্রম (২.৭৮%) এবং অন্যান্য বিশেষায়িত প্রকল্প (১২.০৪%) মনিটরিং করা হয়েছে। ৯৫.৩৭% নির্মাণস্থলে উপকরণ যথাযথভাবে ঢেকে রাখা হয়নি, ফলে ধূলিকণা ও ক্ষতিকর কণা বাতাসে ছড়িয়ে পড়েছে। ৮৩.৩৩% অনাচ্ছাদিত নির্মাণস্থলে বাতাসে ধূলিকণা ও বালি পাওয়া গেছে, যা বায়ুদূষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। শুধুমাত্র ৪.৬৩% নির্মাণ প্রকল্পে ধুলো নিয়ন্ত্রণের জন্য পানি ছিটানোর ব্যবস্থা পাওয়া যায়। ৮৭.৯৬% নির্মাণ কাজের ক্ষেত্রে মাটি, বালি ও সিমেন্টের মতো নরম উপকরণ ঢেকে রাখা হয়নি, যার ফলে ধুলা ছড়িয়ে বায়ু দূষণ বৃদ্ধি পেয়েছে। গবেষনার সময় কেবল ১০.১৯% উপকরণ যথাযথভাবে ঢাকা পাওয়া যায়।

সভায় আলোচকরা সুপারিশ করেন, নির্মাণ সাইটগুলির নিয়মিত পরিদর্শন বাধ্যতামূলক করতে হবে, যাতে বায়ুমানের প্রয়োজনীয়তা অনুসরণ নিশ্চিত করা যায়, এবং পরিবেশগত বিধিনিষেধ লঙ্ঘনের জন্য জরিমানা আরোপ করা, নির্মাণ উপকরণ, যেমন মাটি, বালি, সিমেন্ট এবং অন্যান্য খোলামেলা উপকরণগুলির স্থানান্তর ও সংরক্ষণকালে আচ্ছাদিত বাধ্যতামূলক করা, টেকসই প্রযুক্তিতে বিনিয়োগকারী সংস্থাগুলির জন্য প্রণোদনা বা কর সুবিধা প্রদান,  নির্মাণ ব্যবসা, শ্রমিক এবং সাধারণ জনগণকে বায়ু দূষণ ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব এবং বিভিন্ন কৌশল সম্পর্কে জানাতে জনসচেতনতা প্রচারণা এবং  নির্মাণ শ্রমিক এবং পার্শ্ববর্তী বাসিন্দাদের জন্য স্বাস্থ্য মনিটরিং উদ্যোগ গ্রহণ করার সুপারিশ করা হয়।  

প্রফেসর ড. আহমেদ কামরুজ্জামান মজুমদার, পরিচালক ক্যাপস বলেন, নির্মল বায়ু আইনটি দ্রুত পাশ করা জরুরি।  এ আইনের মাধ্যমে বায়ুদূষণকারীদের কঠোর জবাবদিহীতার আনা সম্ভব হবে।  সুলতান মোহাম্মদ বান্না, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোট বলেন, বায়ুদূষণ সৃষ্টিকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর উপর ‘‘সবুজকর’’ আরোপ করা। আদিলুর রহমান, সভাপতি, বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব প্ল্যানার বলেন, বায়ুদূষণ একটি নীরব ঘাতক, এ নিয়ন্ত্রণে কাজ করতে হবে। যে সকল ব্যবসায়ী অর্থনৈতিক উন্নয়নের নামে দেশের পরিবেশ ধ্বংশ করছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা করতে হবে। যারা পরিবেশ ঘাতক, তাদের যেন সিআইপি না করা হয়। যে উন্নয়ন পরিবেশ, স্বাস্থ্য ধ্বংশ করে তা কোনভাবে উন্নয়ন হতে পারে না।   

সভায় প্রফেসর আ ফ ম সারোয়ার উপদেষ্টা, সিএলপিএ-র সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন আদিলুর রহমান, বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব প্ল্যানার শাগুফতা সুলতানা, পরিচালক এইড ফাউন্ডেশন, মোঃ হামিদুল হিল্লোল, প্রোজেক্ট অফিসার, ব্যুরো অব ইকনোমিক রির্সাস, ফাহমিদা ইসলাম, টাউন প্লানার, ওপেন সিসেমিক এর পরিচালক ক্যান কোজাই  সুলতান মোহাম্মদ বান্না, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোট, সৈয়দা রত্না , প্রধান সমন্বয়ক, তেতূলতলা মাঠ আন্দোলন, সৈয়দা অনন্যা রহমান, হেড অব প্রোগাম, ডাব্লিউবিবি ট্রাস্ট, এডভোকেট মমতাজ মৌ, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, পারভীন ইসলাম, সম্পাদক, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ কেন্দ্রিয় কমিটি, আমিনুল ইসলাম, হেড অব প্রোগ্রাম, সিএলপিএ, প্রফেসর ড. আহমেদ কামরুজ্জামান মজুমদার, পরিচালক ক্যাপস।

এমএসএম / এমএসএম

ঈদে ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে মিলিয়নিয়ার হলেন ভালুকার খোকন মিয়া

শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের ২৫তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত

“গ্লোবাট ট্রিপল বোনাস অফার” কনজ্যুমার ক্যাম্পেইনের শুভ উদ্বোধন

শিল্প রক্ষায় পাঁচ দফা দাবিতে পাবনায় বিড়ি শ্রমিকদের মানববন্ধন

এনআরবিসি ব্যাংকের সদ্যনিয়োগপ্রাপ্ত এমটিওদের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

ঈদ উপহার পেলেন ২৮,৩৬৫ জন আনসার-ভিডিপির সদস্য ও কর্মচারী

শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের নির্বাহী কমিটির ৯১৯তম সভা অনুষ্ঠিত

রিয়েলমির ঈদ ক্যাম্পেইনে থাকছে ক্যাশব্যাক, বিশেষ অফার ও নিশ্চিত উপহার

কমিউনিটি ব্যাংকের SICIP উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠিত ব্যবসায়িক দক্ষতা ও টেকসই কর্মসংস্থান সৃষ্টিই লক্ষ্য

বাংলাদেশ ব্যাংক এবং শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি এর মধ্যে দুইটি পুন:অর্থায়ন স্কিমের আওতায় অংশগ্রহণমূলক চুক্তি স্বাক্ষরিত

প্রকৃতি ও জীব-বৈচিত্র্য বেঁচে থাকলে আমরাও বাঁচব- জীব-বৈচিত্র্য দিবসে বক্তারা বলেন

মিলার্স ফর নিউট্রিশন কান্ট্রি কনক্লেভ ২০২৬: পুষ্টিসমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের অঙ্গীকার

বাংলাদেশ ব্যাংক এবং শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি এর মধ্যে দুইটি পুন:অর্থায়ন স্কিমের আওতায় অংশগ্রহণমূলক চুক্তি স্বাক্ষরিত