সার নীতিমালা বহাল রাখার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন
রাজশাহীতে বিদ্যমান সার নীতিমালা বহাল রাখার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার এসোসিয়েশন ( বিএফএ) রাজশাহী জেলা ইউনিট।
সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২ টায় বিএফএ রাজশাহী জেলা ইউনিট কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক সম্ভাব্য ঘোষণাকৃত সার ডিলার নিয়োগ ও সমন্বিত নীতিমালা-২৫ এ বিসিআইসি সার ডিলারদের সমস্যা ও করণীয় সম্পর্কে তারা বলেন, ১) পূর্বের নিয়োগকৃত বিসিআইসি সার ডিলার বহাল রাখতে হবে: রাজশাহী জেলায় মোট ইউনিয়ন ও পৌরসভা ৮৬টি এবং জেলায় বিসিআইসি সার ডিলার রয়েছে ৮৯ জন, বিএডিসি ডিলার ১৩১ জন। সার ডিলার নিয়োগ ও সমন্বিত নীতিমালা ২০০৯ মোতাবেক প্রতিটি ইউনিয়নে ১ জন সার ডিলার নিয়োগের বিষয়ে বলা হয়েছে। বর্তমানে নিয়োজিত বিসিআইসি ডিলাররা তাদের ব্যবসায়িক ইউনিয়নে বিগত ৩০ বছর সুনামের সাথে কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমান সার ডিলাররা
সরকারের সুষ্ঠু সার ব্যবস্থাপনায় এবং জাতীয় খাদ্য উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছেন। ২) বিক্রয় কমিশন বৃদ্ধি করতে হবে: ১৯৯৬ সাল থেকে এখন পর্যন্ত সার বিক্রিতে ডিলারদের কমিশন বৃদ্ধি করা হয়নি। বর্তমানে জ্বালানী তেলের দাম কয়েক দফা বৃদ্ধিতে পরিবহন ব্যয় কয়েকগুণ বেড়েছে। এছাড়া গোডাউন ভাড়া, কর্মচারী বেতন, লোড-আনলোড
খরচ, ব্যাংক সুদ সহ আনুসাংগিক যাবতীয় খরচ বৃদ্ধি পাওয়ার পরও বিক্রির কমিশন বাড়েনি, তাই কমিশন ১০০ টাকা থেকে ২০০ টাকা করার জোর দাবি জানাচ্ছি। ৩) সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রয়: বিসিআইসি ডিলাররা সব সময় সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার বিক্রি করেন। যেমন- ইউরিয়া নির্ধারিত বিক্রি মূল্য ১৩৫০ টাকা, অথচ মাঠ পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে ১৩১০ টাকা থেকে ১৩২০ টাকা। একই সাথে টিএসপি ও এমওপি ও ডিএপি সমুদয় সার সরকার নির্ধারিত মূল্যে ডিলাররা বিক্রি করে থাকেন। ৪)
ব্যক্তি পর্যায়ে দায়ভার বিদ্যমান সার ডিলারদের ডিলারশীপ বহাল রাখতে হবে: একই পরিবারে যদি বাবা-ছেলে, স্বামী-স্ত্রী, ভাই-ভাই পৃথক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থাকে এবং সরকারের চাহিদা মাফিক প্রয়োজনীয় দলিল দস্তাবেজ সরবরাহ করতে সক্ষম হয়, তবে রাষ্ট্রের সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী ডিলারশীপ বহাল রাখতে হবে। যদি তা না করা হয় তাহলে ৩০ বছর ধরে তারা যে ব্যবসা করছে তাদের ব্যাংকের কাছে কোটি কোটি টাকা ঋণ রয়েছে, কৃষকদের কাছে বাকী রয়েছে, গোডাউন এ পর্যাপ্ত মাল অবিক্রিত রয়েছে এগুলোর দায়ভার কে নিবে ? ৫) উৎস কর বৃদ্ধি না করা: সরকার কর্তৃক ভর্তুকি মুল্যে কৃষক পর্যায়ে সার বিক্রি করা হয়। এধরনের সারের উপর কোন ভাবেই উৎস কর নির্ধারণ করা যাবে না এবং পূর্বেও ছিল না। বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে। অন্যথায় সারের বাজার অস্থিতিশীল হবে এবং স্থানীয় পর্যায়ে সারের মূল্য বৃদ্ধি পাবে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, বিএফএ রাজশাহী ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক মো: রবিউল ইসলাম। এসময় বিএফএ সভাপতি মো: আবুল কালাম সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও ডিলাররা উপস্থিত ছিলেন।
এমএসএম / এমএসএম
রেলওয়ে সমবায় ঋণদান সমিতির নির্বাচন বাতিল
বিএসসিতে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, ইউসুফ-জিয়াসহ ৪ জনকে মন্ত্রণালয়ের শুনানিতে তলব
হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, সারজিসসহ আহত অনেকে
জনগনের উপরে যারা ক্ষমতা দেখান তারা জনগনের শত্রু, দেশের শত্রু, সরকারের শত্রু : জহির উদ্দিন স্বপন
বারহাট্টায় মাদক বিরোধী ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত
কুমিল্লায় প্রায় ৫২ কোটি টাকার উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য ধ্বংস করল বিজিবি
মানিকগঞ্জে সোহান হত্যা মামলায় দুই জনের মৃত্যুদণ্ড
ধামরাইয়ে পানিতে ডুবে ৭বছরের শিশুর মৃত্যু
লামায় জেলা পরিষদ কর্তৃক কৃষকদের মাঝে ফলজ ও বনজ চারা বিতরণ
উপকূলের পরিবেশ পুনরুদ্ধারে শ্যামনগরে ১০ লাখ বীজ রোপণ উদ্যোগ
কৃষিপণ্য উৎপাদন ও রপ্তানির সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার: কৃষি মন্ত্রী
চকরাজাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিভাবক সদস্য মিটিং অনুষ্ঠিত