ঢাকা বৃহষ্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬

সন্দ্বীপে জলবায়ু পরিবর্তন ও জেন্ডার বৈষম্য মোকাবেলায় স্কুল পর্যায়ে সচেতনতা সভা অনুষ্ঠিত


বাদল রায় স্বাধীন, সন্দ্বীপ photo বাদল রায় স্বাধীন, সন্দ্বীপ
প্রকাশিত: ২২-১০-২০২৫ দুপুর ২:০

চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের জেবেননুর সুলতান উচ্চ বিদ্যালয়ে “জলবায়ু পরিবর্তন ও জেন্ডার বৈষম্য মোকাবেলায় সক্ষমতা অর্জন” শীর্ষক এক সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২১ অক্টোবর, সোমবার সকাল ১১টায় বিদ্যালয়ের হলরুমে অনুষ্ঠিত এ সভাটি স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে সচেতনতা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আয়োজন করা হয়। কর্মসূচির আয়োজন করে সোসাইটি ফর ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভস (এসডিআই) ও কোস্ট ফাউন্ডেশন এর পার্টনারশিপে পরিচালিত ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স (সিসিআর) প্রজেক্ট।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাস্টার নীহার রঞ্জন নাথ, আর মূল সেশন পরিচালনা করেন সিসিআর প্রজেক্টের কমিউনিটি মোবিলাইজার ও সাংবাদিক বাদল রায় স্বাধীন।

সভায় বক্তব্য রাখেন সহকারী প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আলী ও সিনিয়র শিক্ষক কাজী আনোয়ার। এসময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক মো. কামরুর রহমান, শম্ভু চন্দ্র দাস, রোকেয়া বেগম, কামরুল হাসান, চন্দন রায়, দীপ্ত কুমার রায়, মাহমুদুর রহমান তানিমসহ বিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থী।

বক্তারা বলেন, সন্দ্বীপ একটি উপকূলীয় এলাকা হিসেবে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব সবচেয়ে তীব্রভাবে অনুভূত হয়। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও নদীভাঙনের কারণে মানুষের বসতভিটা হারিয়ে যাওয়া, জীবিকার অনিশ্চয়তা ও পরিবেশগত ঝুঁকি এখানে নিয়মিত সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। পুরুষরা জীবিকার সন্ধানে এলাকার বাইরে অবস্থান করায় নারীরা ও কিশোরীরা ঘর, সমাজ ও আশ্রয়হীন জীবনে নানা রকম সামাজিক, মানসিক ও যৌন নির্যাতনের ঝুঁকিতে পড়ছেন।

বক্তারা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে এখন অনেক নারী ও কিশোরী বাল্যবিবাহ, নারী পাচার, ধর্ষণ, এসিড নিক্ষেপ, ইভটিজিং, বহুবিবাহ, বিবাহ বিচ্ছেদ, এমনকি দেহ ব্যবসায় বাধ্য হওয়ার মতো ভয়াবহ বাস্তবতার শিকার হচ্ছেন। জলবায়ু বিপর্যয়ের সামাজিক প্রভাব নারী ও শিশুদের ওপর সবচেয়ে বেশি পড়ছে, যা লিঙ্গভিত্তিক নিরাপত্তাহীনতা বহুগুণে বাড়িয়ে তুলছে।

তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় এখনই উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে পড়তে হবে। এজন্য কার্বন নিঃসরণ কমাতে ও টেকসই পরিবেশ নিশ্চিত করতে সবার অংশগ্রহণ প্রয়োজন।তাদের মতে—

কার্বন নিঃসরণ রোধে গাছ লাগানো, সাইকেল ও গণপরিবহন ব্যবহার, নবায়নযোগ্য শক্তি ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহার বাড়াতে হবে।

জলবায়ু দুর্যোগ মোকাবেলায় নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা, দুর্যোগকালীন প্রশিক্ষণ ও ত্রাণ কার্যক্রমে নারী ও কিশোরীদের সম্পৃক্ত করতে হবে।

স্থানীয় পর্যায়ে টেকসই জীবিকা ও পানি ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে হবে যাতে মানুষ জীবিকার তাগিদে এলাকা ছাড়তে না হয়।

শেষে বক্তারা বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় সরকার একা নয়, শিক্ষার্থী, পরিবার ও সমাজ—সবাইকে দায়িত্ব নিতে হবে। সচেতনতা ও প্রস্তুতিই পারে জলবায়ু ঝুঁকি কমাতে এবং নারী ও কিশোরীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে।”

এমএসএম / এমএসএম

মনপুরার মেঘনায় নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা: তদারকির অভাবে অবাধে মাছ শিকার

শরণখোলায় প্রথম ‘হাম’ আক্রান্ত শিশু শনাক্ত

ভূরুঙ্গামারীতে উপজেলা প্রকৌশলীর ওপর হামলা,থানায় অভিযোগ দায়ের

জিয়া খাল খনন উদ্বোধন ঘিরে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

কুড়িগ্রামে ১০দিনে ট্রাফিক পুলিশের ১৭ লাখ টাকার বেশি জরিমানা

আত্রাইয়ে রাস্তার মাঝখানে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি: দুই যুগ ধরে জনদুর্ভোগ

সীমান্তে ৫২ বিজিবির অভিযানে পৌনে দুই কোটি টাকার ভারতীয় জিরা ও কসমেটিকস জব্দ

শিবচরে তেলের সংকটে সেচ পাম্প নিয়ে চরম বিপাকে কৃষক

মোহনগঞ্জে সড়কের ইট তুলে বিক্রি, তদন্তে ধীরগতি প্রশাসনের

শান্তিপূর্ণ পরিবেশে চলছে ভোটগ্রহণ, ভোটারদের উপস্থিতি কম

আ. লীগের সাবেক সংসদ সদস্য সফুরা বেগম গ্রেপ্তার

বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের ভোট চলছে

পরিবেশের ছাড়পত্র ছাড়াই চলছে ওষুধ কারখানা, জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে