সন্দ্বীপে জলবায়ু পরিবর্তন ও জেন্ডার বৈষম্য মোকাবেলায় স্কুল পর্যায়ে সচেতনতা সভা অনুষ্ঠিত
চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের জেবেননুর সুলতান উচ্চ বিদ্যালয়ে “জলবায়ু পরিবর্তন ও জেন্ডার বৈষম্য মোকাবেলায় সক্ষমতা অর্জন” শীর্ষক এক সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২১ অক্টোবর, সোমবার সকাল ১১টায় বিদ্যালয়ের হলরুমে অনুষ্ঠিত এ সভাটি স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে সচেতনতা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আয়োজন করা হয়। কর্মসূচির আয়োজন করে সোসাইটি ফর ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভস (এসডিআই) ও কোস্ট ফাউন্ডেশন এর পার্টনারশিপে পরিচালিত ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স (সিসিআর) প্রজেক্ট।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাস্টার নীহার রঞ্জন নাথ, আর মূল সেশন পরিচালনা করেন সিসিআর প্রজেক্টের কমিউনিটি মোবিলাইজার ও সাংবাদিক বাদল রায় স্বাধীন।
সভায় বক্তব্য রাখেন সহকারী প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আলী ও সিনিয়র শিক্ষক কাজী আনোয়ার। এসময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক মো. কামরুর রহমান, শম্ভু চন্দ্র দাস, রোকেয়া বেগম, কামরুল হাসান, চন্দন রায়, দীপ্ত কুমার রায়, মাহমুদুর রহমান তানিমসহ বিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থী।
বক্তারা বলেন, সন্দ্বীপ একটি উপকূলীয় এলাকা হিসেবে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব সবচেয়ে তীব্রভাবে অনুভূত হয়। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও নদীভাঙনের কারণে মানুষের বসতভিটা হারিয়ে যাওয়া, জীবিকার অনিশ্চয়তা ও পরিবেশগত ঝুঁকি এখানে নিয়মিত সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। পুরুষরা জীবিকার সন্ধানে এলাকার বাইরে অবস্থান করায় নারীরা ও কিশোরীরা ঘর, সমাজ ও আশ্রয়হীন জীবনে নানা রকম সামাজিক, মানসিক ও যৌন নির্যাতনের ঝুঁকিতে পড়ছেন।
বক্তারা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে এখন অনেক নারী ও কিশোরী বাল্যবিবাহ, নারী পাচার, ধর্ষণ, এসিড নিক্ষেপ, ইভটিজিং, বহুবিবাহ, বিবাহ বিচ্ছেদ, এমনকি দেহ ব্যবসায় বাধ্য হওয়ার মতো ভয়াবহ বাস্তবতার শিকার হচ্ছেন। জলবায়ু বিপর্যয়ের সামাজিক প্রভাব নারী ও শিশুদের ওপর সবচেয়ে বেশি পড়ছে, যা লিঙ্গভিত্তিক নিরাপত্তাহীনতা বহুগুণে বাড়িয়ে তুলছে।
তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় এখনই উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে পড়তে হবে। এজন্য কার্বন নিঃসরণ কমাতে ও টেকসই পরিবেশ নিশ্চিত করতে সবার অংশগ্রহণ প্রয়োজন।তাদের মতে—
কার্বন নিঃসরণ রোধে গাছ লাগানো, সাইকেল ও গণপরিবহন ব্যবহার, নবায়নযোগ্য শক্তি ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহার বাড়াতে হবে।
জলবায়ু দুর্যোগ মোকাবেলায় নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা, দুর্যোগকালীন প্রশিক্ষণ ও ত্রাণ কার্যক্রমে নারী ও কিশোরীদের সম্পৃক্ত করতে হবে।
স্থানীয় পর্যায়ে টেকসই জীবিকা ও পানি ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে হবে যাতে মানুষ জীবিকার তাগিদে এলাকা ছাড়তে না হয়।
শেষে বক্তারা বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় সরকার একা নয়, শিক্ষার্থী, পরিবার ও সমাজ—সবাইকে দায়িত্ব নিতে হবে। সচেতনতা ও প্রস্তুতিই পারে জলবায়ু ঝুঁকি কমাতে এবং নারী ও কিশোরীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে।”
এমএসএম / এমএসএম
ত্রিশাল নাগরিক অধিকার আন্দোলনের সভাপতি ড. রফিক ও সম্পাদক মোখলেছ
বাগেরহাটের পূর্ব-সুন্দরবনে ৬ চোরা হরিণ শিকারি আটক, নিষিদ্ধ জাল ও ফাঁদ উদ্ধার
দোহাজারীতে উপজেলা দাবিতে উত্তাল রাজপথ,অনশন-অবরোধের হুঁশিয়ারি
ফারাক্কা চুক্তি নবায়ন ও পানির ন্যায্য হিস্যা দিয়ে ভারতকে বন্ধুত্বের প্রমাণ দিতে হবে: প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ
রায়গঞ্জে ‘সাত পীরের মাজারের’ জমি নিয়ে বিরোধ, ভাঙার হুমকি ঘিরে দুই পক্ষের উত্তেজনা
জকিগঞ্জে গভীর রাতে পাশাপাশি দুই বাড়িতে সশস্ত্র ডাকাতি
সিংড়ায় উদ্বোধনের পরও নির্মাণকাজ শুরু হয়নি, দুর্ভোগে উদিশা গ্রামের হাজারো মানুষ
বাঙ্গালহালিয়াতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে দুই সপ্তাহব্যাপী কুটিরশিল্প প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন
ভূরুঙ্গামারী ক্রীড়া সংস্থার অফিস দীর্ঘদিন ধরে তালাবদ্ধ,বরাদ্দের হদিস নেই
মুকসুদপুরে দুবাই প্রবাসী মতিয়ার রহমানের উদ্যোগে ৭০০ পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ
দক্ষিণকান্দী কুমার নদে নৌকা বাইচ দেখতে হাজারো মানুষের ঢল
কুতুবদিয়া হাসপাতালে রোগীর উপচে পড়া ভিড়, বাড়ছে হামের রোগী