ঢাকা বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬

মুক্তিপণ না দেওয়ায় ক্যামব্রিয়ান কলেজের শিক্ষার্থী সুদীপ্তকে অপহরণের পর হত্যা


কামরুল হাসান, ঠাকুরগাঁও photo কামরুল হাসান, ঠাকুরগাঁও
প্রকাশিত: ১২-১১-২০২৫ দুপুর ১:২০

রাজধানীর দিয়াবাড়িতে পাওয়া যায় সুদীপ্তর লাশ। শিক্ষার্থী সুদীপ্ত রায় (১৭) ঠাকুরগাঁও পৌর শহরের শান্তিনগর এলাকার হিমাংশু রায়ের ছেলে। সে কালেক্টরেট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ২০২৫ সালে এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে বের হয়েছে। অভিযান চালিয়ে অপহরণের সাথে জড়িত কয়েকজনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে একজনের পরিচয় জানা গেছে, তার নাম পিয়াল, যার বাড়ি ঠাকুরগাঁও এবং সে সুদীপ্তের প্রতিবেশী। মঙ্গলবার রাজধানীর দিয়াবাড়ি থেকে ক্যামব্রিয়ান কলেজের শিক্ষার্থী সুদীপ্ত রায়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত ৭ নভেম্বর রাতে অপহরণের শিকার হন সুদীপ্ত। পরে তার পরিবারের কাছে ৮০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীরা। পুলিশ জানায়, গত শুক্রবার রাতে অপহরণের পর ওই শিক্ষার্থীর মায়ের কাছে ফোন করে ৮০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। সুদীপ্ত ক্যামব্রিয়ান কলেজের একাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থী ছিল। ভাটারা থানার শহীদ আব্দুল আজিজ সড়কে ক্যামব্রিয়ান কলেজের হোস্টেলে সে থাকত। শুক্রবার রাতে অপহরণের শিকার হওয়ার পর শনিবার সন্ধ্যায় সুদীপ্তের বাবা হিমাংশু কুমার রায় ভাটারা থানা এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ দায়ের করেন। জিডির তদন্তের সূত্র ধরে ভাটারা থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, চলতি মাসের ৩ তারিখে শাহআলী থানার দিয়াবাড়ী এলাকার একটি নির্মানাধীন দশতলা ভবনের তিন তলার ফ্ল্যাটে দুই শিক্ষার্থী সাবলেট নেয়। দশতলা ভবনটির শুধু তিন তলা একটি ফ্ল্যাট রেডি হয়েছে। ওই দুই শিক্ষার্থী ৮ নভেম্বর শনিবার রুমে তালা দিয়ে চলে যায়। এরপর ওই রুমে কেউ আসেননি। মঙ্গলবার ভোরে সাবলেটের ওই রুম থেকে পঁচা গন্ধ পেয়ে ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে দরজার তালা ভেঙ্গে রুমের বাথরুমে সুদীপ্তের মরদেহ দেখতে পায়। এর আগে তার বাবা হিমাংশু গত শনিবার গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, শুক্রবার বিকেলে সুদীপ্তের মায়ের কাছে ফোন করে জানায় সে হোস্টেল থেকে বের হয়ে ঘুরতে যাবে। ওই দিন রাত সাড়ে ৯টার দিকে সুদীপ্ত তার কলেজের হোস্টেল সুপার সোয়াশ স্যারকে ফোনে জানায় যে, সে রাতে হোস্টেলে ফিরবে না। কিন্তু রাত ১০টার দিকে তার মাকে ফোনে জানায় যে সে মিরপুরে রয়েছে এবং হোস্টেলে ফিরবে। এরপর রাত আড়াইটার দিকে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তি সুদীপ্তের ফোন থেকে তার মাকে ফোন করে জানায়, সুদীপ্ত তাদের জিম্মায় রয়েছে। শনিবার দুপুর ২টার মধ্যে নির্ধারিত স্থানে ৮০ লাখ টাকা না দিলে তাকে মেরে ফেলা হবে। এসময় এ বিষয়ে পুলিশসহ কাউকে না জানানোর হুমকি দেওয়া হয়। হুমকির ঘটনার পর থেকে সুদীপ্তের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এই ব্যাপারে ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ অনিক জানান, তদন্তের ধারাবাহিকতায় পুলিশ ময়মনসিংহের মাধবপুর এলাকা থেকে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে। সর্বশেষ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে, যাদের মধ্যে একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে তাঁর নাম পিয়াল, যিনি সুদীপ্তের ঠাকুরগাঁওয়ের প্রতিবেশী। এ খবর লিখা পর্যন্ত মরদেহ বাসায় আসেনি, আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন।

এমএসএম / এমএসএম

জয়পুরহাটে শিশু অধিকার দিবস ও শিশু মেলা-২০২৬ উদ্বোধন

‎সাভারে ওএমএস অনিয়ম অনুসন্ধানে গিয়ে হামলার শিকার ৪ সাংবাদিক, মিথ্যা মামলায় জেলের অভিযোগ

আদমদীঘিতে বিভিন্ন মামলায় নারীসহ তিনজন গ্রেফতার

পটুয়াখালীতে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা ২১ টন ভারতীয় জিরাসহ কার্গো বোট জব্দ

সখীপুরে স্বামী ও দেবরের নির্যাতনের শিকার গৃহবধূর সংবাদ সম্মেলন

সুনামগঞ্জে শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী ও শিশু সপ্তাহ উদযাপিত: প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনী ভাষণ উপভোগ

ধুনটে ঔষধ সেবনের পর মাদ্রাসাছাত্রীর মৃত্যু

ধামইরহাটে আদালতের রায় অমান্য করে বসতবাড়িতে হামলা ও হয়রানীর বিরুদ্ধে ভুক্তভুগির সংবাদ সম্মেলন

পটিয়ার চক্রশালা কৃষি উচ্চ বিদ্যালয়ের আইসিটি ল্যাবে চুরি

মোহনগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে ৬ জনের কারাদণ্ড

নওগাঁয় ড্রিল মেশিন দিয়ে মাথা ফুটো করে হত্যা, আসামির যাবজ্জীবন

কালিহাতীতে চীন থেকে আমদানিকৃত ব্যতিক্রমী পণ্যের সমাহার নিয়ে ‘নিও চায়না মার্ট’

পাবনায় নিখোঁজের একদিন পর হলুদ ক্ষেত থেকে ব্যবসায়ীর আগুনে ঝলসানো লাশ উদ্ধার