ঢাকা বৃহষ্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬

বরিশাল ৩নং আসনে তৃণমুলের পছন্দের প্রার্থী আঃ ছত্তার খান


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৬-১১-২০২৫ বিকাল ৫:২৭

 বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বিবিসি বাংলার সাক্ষাৎকারে বলেছেন যে, আগামী সংসদ নির্বাচনে দল থেকে তৃণমূলে কর্মীদের সাথে সম্পৃক্ত, সৎ-নিষ্ঠাবান ও জনপ্রিয় ব্যক্তিদেরকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মনোনয়ন দেওয়া হবে। তিনি আরও জানান যে, মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে বিএনপির নীতিনির্ধারণী ফোরাম বিভিন্ন মাধ্যমে জনপ্রিয় প্রার্থীদের চিহ্নিত করে মনোনীত করবে। তারেক রহমানের এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির ১ নম্বর সদস্য, মুলাদী উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এবং সাবেক পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব আঃ ছত্তার খানকে মুলাদীর সাধারণ ভোটাররা সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে এগিয়ে রাখছে। বিভিন্ন সংস্থার জরিপেও এই জননন্দিত নেতাকে জনপ্রিয়তার মাপকাঠিতে এগিয়ে রাখা হয়েছে।

আলহাজ্ব আঃ ছত্তার খান ১৯৮১ সালে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রথমে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলে যুক্ত হন এবং মুলাদী কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে সংগঠনকে শক্তিশালী করেন। এরপর তিনি ১৯৮৬-৮৭ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল মুলাদী উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এবং ১৯৮৮-৮৯ সালে সভাপতি নির্বাচিত হন। নব্বইয়ের স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে তিনি রাজপথে থেকে নেতৃত্ব দেন। ১৯৯৭ সালে মুলাদী সদর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মানুষের প্রত্যক্ষ ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ২০০১ সালে মুলাদী পৌরসভা নির্বাচনে প্রথম মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হয়ে তিনি ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা লাভ করেন। ২০০৩ সালে মুলাদী উপজেলা বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে তিনি সভাপতি নির্বাচিত হন এবং ২০০৯ সালে মুলাদী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

পরবর্তীকালে তিনি বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন সহ বিগত সতেরো বছর ধরে বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মুক্তির আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। বিএনপির কেন্দ্র ঘোষিত হরতাল সহ সকল কর্মসূচি তিনি মুলাদীর মাটিতে বাস্তবায়ন করেছেন এবং বরিশাল বিভাগীয় শহরের সকল কর্মসূচিতেও অংশ নিয়েছেন। ২০১২ সালে বিএনপির কেন্দ্র ঘোষিত 'চলো-চলো ঢাকায় চলো' কর্মসূচি বাস্তবায়নে ঢাকার সদরঘাটে পুলিশি নির্যাতনের শিকার হয়ে কারাবরণও করেন আলহাজ্ব আঃ ছত্তার খান। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের দেওয়া একাধিক মামলা ও হামলার শিকার হয়ে বিভিন্ন সময়ে তাঁকে কারাবরণ করতে হয়েছে। হাজারো নির্যাতনের শিকার হয়েও তিনি কখনও মুলাদী-বাবুগঞ্জ বিএনপির নেতাকর্মীদের থেকে দূরে থাকেননি, বরং সব সময় তাদের পাশে থেকে সাহস জুগিয়েছেন। তাই বর্তমানে এই জনবান্ধব, কর্মীবান্ধব ও আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালনকারী নেতার উপরই ভরসা রাখতে চাইছেন মুলাদী-বাবুগঞ্জ বিএনপির তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।

এমএসএম / এমএসএম

সম্পদ বিলিয়ে আজ অনুতপ্ত ৮৫ বছরের শামসুল, বললেন ‘ভুল করেছি’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বাগেরহাটে আগমনকে ঘিরে বিএনপি ও সাধারণ কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ উদ্দীপনা

পটুয়াখালীতে আনসারের উচ্চতর প্রশিক্ষণের সমাপনী : গণপ্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধির আহ্বান মহাপরিচালকের

তরিকুল ইসলামের ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শালিখায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

শিবগঞ্জে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে বিরোধপূর্ণ জমিতে বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ

কালাইয়ে ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ

বাউফলে ইদ্রিস মোল্লা ডিগ্রি কলেজের এডহক কমিটির সভাপতিকে সংবর্ধনা

রৌমারীতে স্বামীর স্বীকৃতির দাবিতে ৫ দিন ধরে অনশন স্ত্রীর, বিচার প্রতারণায় পরিবার

নবীগঞ্জে মাদ্রাসাবিরোধী অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সমাবেশ

গুরুদাসপুরে কৃষকের বাড়িতে দফায় দফায় অগ্নিকাণ্ড, আতঙ্কে পরিবার

রায়পুরে চরবংশিতে ছুরিকাঘাত, বিএনপি নেতাসহ আহত ৪

বড়লেখায় ১৮ চা বাগানে শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচনে প্রশাসনের প্রস্তুতি শুরু, ভোটার ৪ হাজার

আত্রাইয়ে ৫৬ জন শিক্ষার্থীকে পবিত্র কুরআনের সবক প্রদান