ঢাকা রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫

ইউরোপ আমেরিকার সম্পর্কের টানাপোড়েন


রায়হান আহমেদ তপাদার  photo রায়হান আহমেদ তপাদার
প্রকাশিত: ২৯-১১-২০২৫ দুপুর ১১:২৪

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ময়দান থেকে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের শুরু। আত্মপ্রকাশ ঘটে ভূ-রাজনৈতিক ব্লকের। যুদ্ধ পরবর্তী বিশ্বে সমাজতান্ত্রিক ব্লক সোভিয়েত ইউনিয়নের বাড়-বাড়ন্তে উদ্বেগ বাড়তে থাকে ওই ব্লকের। বাড়তে থাকে উত্তেজনা। শুরু হয় একে অপরের মধ্যকার বহুমাত্রিক প্রতিযোগিতা। উভয় ব্লকেরই দাবি ছিল, বিপরীত ব্লক তাদের ভেতরকার ঐক্য ধ্বংস করতে চায়।  যুক্তরাষ্ট্রের সেনাদল যেমন পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোতে অবস্থান নিতে পারত না, তেমনি সোভিয়েত ট্যাঙ্কগুলোও প্রুশিয়ান ময়দানে প্রবেশ করতে পারত না যুক্তরাষ্ট্রের কারণে। তখন ইউরোপ থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে বিচ্ছিন্ন করার এই প্রক্রিয়াকে তখন ‘ডিকাপলিং’ বলা হত। উভয় ব্লকের কয়েক দশকের দ্বন্দ্ব যা করতে পারেনি, তা এখন কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই করতে চলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ডোনাল্ড ট্রাম্পের মার্কিন সরকার ক্ষমতাসীন হওয়ার এক বছরও হয়নি, এর মধ্যেই তারা বিশ্বজুড়ে রণহুঙ্কার ছাড়ছে। নিজেদের অর্থনৈতিক সুবিধা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র ইচ্ছাকৃতভাবে ইউরোপ তথা ইউরোপীয় ইউনিয়নকে দুর্বল ও বিভাজন তৈরির চেষ্টা করছে বলে বলা হচ্ছে। চলতি বছরে জার্মানির মিউনিখে  সমাপ্ত নিরাপত্তা সম্মেলনে সেই বার্তাই পেয়েছেন ইউরোপীয় নেতারা। তিন দশক আগেই পূর্ব আর পশ্চিমের মধ্য স্নায়ুযুদ্ধ শেষ হয়েছে। তবু এখন ইউক্রেন আর গাজা উপত্যকার যুদ্ধকে কেন্দ্র করে বড় অশান্তি তৈরি হয়েছে দুনিয়াজুড়ে। এর প্রতিক্রিয়ায় ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে। নব্বইয়ের দশকে স্নায়ুযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক অবসানের আগেই জার্মানির রাজনীতিক ও বুদ্ধিজীবী সমাজ শান্তি ও নিরাপত্তার পক্ষে নানা উদ্যোগ নিতে শুরু করে।এমনকি তীব্র স্নায়ুযুদ্ধের কালেও ১৯৬৩ সালে রাজনীতিক, গবেষক ও নাগরিক সমাজকে নিয়ে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার বিষয়ে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের উদ্যোগ শুরু হয়।

চলতি বছরের ২৭ জুলাই স্কটল্যান্ডের টার্নবেরিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এক প্রাথমিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ চুক্তি ঘোষণা করে। কিন্তু আসলে কোনো চুক্তি সই হয়নি। এমনকি যদি সই হতোও, সেটির খুব একটা মূল্য থাকত না। কারণ, ট্রাম্প তাঁর আগের মেয়াদেই কানাডা ও মেক্সিকোর সঙ্গে একটি আনুষ্ঠানিক বাণিজ্যচুক্তি করেছিলেন, কিন্তু পুনরায় ক্ষমতায় ফেরার সঙ্গে সঙ্গেই সেটি নিজেই বাতিল করে দেন।তাই ট্রাম্পের সঙ্গে যেকোনো চুক্তিই আসলে একধরনের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি, যতক্ষণ না যুক্তরাষ্ট্রের এই খামখেয়ালি নেতা হঠাৎ কোনো বিষয়কে নতুন নীতিতে পরিণত করেন। তবু টার্নবেরি চুক্তির খুঁটিনাটি মনে রাখার মতো। কারণ, সেগুলো ছিল বেশ অদ্ভুত। ইউরোপের জনসংখ্যা যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে প্রায় ৩০ শতাংশ বেশি। আর অর্থনীতি কেবল সামান্য ছোট। সেই হিসাবে কোনো বাণিজ্যচুক্তি হলে সেটি আনুমানিকভাবে সমান বা ভারসাম্যপূর্ণ হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু টার্নবেরির চুক্তি ছিল সম্পূর্ণ একপেশে। চুক্তি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপীয় পণ্যের ওপর অন্যায্য শুল্ক আরোপ করবে। আর ইউরোপ যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগ করতে এবং মার্কিন জ্বালানি কিনতে প্রতিশ্রুতি দেবে। কিন্তু বাস্তবে ইইউ এমন কোনো প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারে না। যেহেতু ইউরোপ এখনো কোনো কেন্দ্রীয়ভাবে পরিকল্পিত অর্থনীতি নয়। অর্থাৎ, তারা নাগরিক বা কোম্পানিগুলোকে নির্দিষ্ট বিনিয়োগ বা ক্রয় করতে বাধ্য করতে পারে না। এই সংখ্যাগুলো আসলে ট্রাম্পকে খুশি করার জন্যই দেখানো হয়েছিল, যাতে তিনি দাবি করতে পারেন যে, ‘আমেরিকা আবারও নিজের ক্ষমতা দেখিয়ে বিশ্ব সরবরাহব্যবস্থার আরও বড় অংশ দখল করেছে।’ আন্তর্জাতিক আইন এতে লঙ্ঘিত হোক বা না হোক, ট্রাম্পের কাছে তাতে কিছু আসে যায় না। তাঁর ধারণা, বড় শক্তিগুলো তো এমনটাই করে। যেমন একটি শান্তিপ্রিয় প্রতিবেশী দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে রাশিয়া এটি করছে। সেই ধারণাই ঠিক প্রমাণিত হলো। এই যুদ্ধবিরতি টিকল না। মাত্র এক মাসের মধ্যে ট্রাম্প আবার ইউরোপকে হুমকি দিতে শুরু করলেন। এবার হুমকি দিলেন ইইউর ডিজিটাল মার্কেটস অ্যাক্ট ও ডিজিটাল সার্ভিসেস অ্যাক্ট নিয়ে। এই আইনগুলোর উদ্দেশ্য হলো ইউরোপের বাজারে ন্যায্য প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করা এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোর নেতিবাচক প্রভাব কমানো। 
ট্রাম্প ভাবছেন, আসলে এই আইনগুলো যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী নয়। এগুলো ইউরোপে কার্যরত সব কোম্পানির জন্যই সমানভাবে প্রযোজ্য। এই আইনগুলো এসেছে এক দীর্ঘ আলোচনার ও পর্যালোচনার প্রক্রিয়া থেকে। সেখানে ইউরোপীয় আইনপ্রণেতা ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো দ্রুত বদলে যাওয়া প্রযুক্তির যুগে বিভিন্ন দিক ভালোভাবে বিবেচনা করেছে। অবশ্য মতানৈক্যও ছিল। অনেকে বলেছিলেন, নিয়মগুলো অতিরিক্ত কঠোর। কিন্তু আসলে নিয়মগুলো যথেষ্ট কঠোর নয়। প্রযুক্তি জায়ান্টরা এখনো অত্যধিক বাজারক্ষমতা ধরে রেখেছে। তারা কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণ করে নাগরিকদের গোপনীয়তার অধিকারকে এখনো লঙ্ঘন করছে। এর ফলে ইউরোপীয় সমাজ, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম এবং গণতন্ত্র মারাত্মক- ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এখন ইউরোপের সামনে মূল প্রশ্ন হলো: তারা কি প্রযুক্তি-অলিগার্কদের দ্বারা পরিচালিত এক স্বেচ্ছাচারী, জনতুষ্টিবাদী নেতার চাপে নিজেদের সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক নীতিকে ত্যাগ করবে? ট্রাম্প বারবার দেখিয়েছেন, তিনি নিজের পরিবার ও ঘনিষ্ঠ ধনকুবের সমর্থকদের স্বার্থে কাজ করেন, আমেরিকার জনগণের নয়। আর ইউরোপের স্বার্থের তো নয়ই। আমরা জানি, একবার নতি স্বীকার করলে পরবর্তী সময়ে ট্রাম্পের দিক থেকে আরও বড় আবদার আসবে। তাই ট্রাম্পের মতো ব্যক্তিগত আবেগ, ভুল অর্থনৈতিক ধারণা ও অপূরণীয় ক্ষোভে চালিত এক প্রেসিডেন্টরূপী রাজার সঙ্গে আপস করার কোনো মানে হয় না। ইউরোপের মূল্যবোধ এত সস্তা নয় যে তা বিক্রি করে দেওয়া যায়। হ্যাঁ, ট্রাম্পের বিরোধিতা করলে কিছু স্বল্পমেয়াদি ক্ষতি হতে পারে। বিশেষ করে সেই সব প্রতিষ্ঠানের জন্য এই ক্ষতি হতে পারে,যারা মার্কিন বাজারের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু অর্থনীতির মৌলিক নিয়ম বলছে, বাণিজ্যে লাভ তখনই হয়, যখন তা ন্যায্য শর্তে হয়। আর ট্রাম্প যা করছেন, তা হলো বিশ্ব সরবরাহ চেইন থেকে যতটা সম্ভব মূল্য ‘নিংড়ে নেওয়ার’ চেষ্টা। এতে ইউরোপের লাভ কমে গিয়ে উল্টো ক্ষতিতেও পরিণত হতে পারে। আসলে ইউরোপের অর্থনীতি যথেষ্ট শক্তিশালী। সে ট্রাম্পের শুল্কনীতি সামলাতে পারবে। 
বিশেষ করে এখন, যখন ইউরোপ ইউক্রেন যুদ্ধে জেতার জন্য সামরিক বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে, তখন বোঝা যাচ্ছে এই ধাক্কা তারা সামলাতে পারবে। আর মনে রাখতে হবে, ট্রাম্পকে মেনে চলার চেয়ে তাঁর বিরোধিতা করায় মাশুল অনেক কম দিতে হবে। কারণ, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের যে নীতি, সেই নীতিই বৈশ্বিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতার নিশ্চয়তা দিয়েছে। কারণ আইনের শাসন ভেঙে গেলে বাজার আর ন্যায়সংগত বা কার্যকর ফল দেয় না। বিনিয়োগ কমে যায়, প্রবৃদ্ধি থেমে যায় আর গণতন্ত্র দুর্বল হয়ে পড়ে। চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিন পিং যখন ট্রাম্পের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছিলেন, ট্রাম্প তখন পিছু হটেছিলেন। আর সম্প্রতি ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুই ইনাসিও লুলা দা সিলভাও বলেছেন, সার্বভৌমত্ব, মর্যাদা, আইনের শাসন ও গণতন্ত্রের মতো কিছু বিষয় কখনোই আপসযোগ্য নয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নেরও তাই করা উচিত। তাকে নিজের নীতি, সম্মান ও গণতন্ত্র রক্ষার জন্য অটল থাকতে হবে।এখন ইউরোপের প্রতি ট্রাম্প প্রশাসনের অবজ্ঞাকে মাথায় রেখে ডেনমার্কের সমর্থনে ইউরোপীয় নেতাদের কথা বলতে হবে। ইউরোপের নেতারা যদি দুর্বল প্রতিক্রিয়া দেয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে চরম বাজে ধরনের চাপ আসবে।এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ইউক্রেন। এমানুয়েল মাখোঁ ও কিয়ার স্টারমারের নেতৃত্বে ইউরোপের অন্য সক্ষম ও ইচ্ছুক নেতারা জেলেনস্কিকে সঙ্গে নিয়ে ইউক্রেনকে সমর্থন দেওয়ার একটি পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে। কিন্তু এটা ক্রমাগতভাবে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে ইউরোপীয় নেতাদের সেটা করতে হবে শুধু যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াই নয়, সম্ভবত দেশটির বিরুদ্ধেও। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তার ওপর নির্ভর করা যাবে না। ইউরোপের সবচেয়ে বড় শক্তিগুলো যেহেতু ইউক্রেনকে অর্থনৈতিক ও সামরিক সহায়তা বৃদ্ধির পরিকল্পনা নিয়েছে এবং একই সঙ্গে তারা ইউক্রেনীয় বাহিনীগুলোকে প্রশিক্ষণ ও সহায়তার যে পরিকল্পনা নিয়েছে, সেটা তাদের এগিয়ে নিতে হবে, এই বাস্তবতা মেনে নিয়েই যে তাদের পেছনে আর যুক্তরাষ্ট্র নেই। গোয়েন্দা তথ্য ও লজিস্টিক সমর্থন আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে ইউরোপের নেতাদের যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যেতে হবে। 
কিন্তু ওয়াশিংটন যদি অনাগ্রহী হয়, তাহলে ইউরোপ ও ইউক্রেনকে অবশ্যই বের করতে হবে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন ছাড়াই কীভাবে এগিয়ে যেতে হবে।রাশিয়ার নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে ইউরোপকে সম্ভবত যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কাজ করতে হবে। এখন পর্যন্ত ইউরোপীয় সরকারগুলো দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন কৃষ্ণসাগরে যুদ্ধবিরতির পূর্বশর্ত হিসেবে কৃষি-খাদ্য খাতে আর্থিক নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করার রাশিয়ার দাবি জোরালোভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। এ ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ মোকাবিলায় ইউরোপকে প্রস্তুত থাকতে হবে। নীতি প্রণয়নে ট্রাম্প অস্থির হলেও গণতান্ত্রিক দেশগুলোর উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। তবে অভিবাসন নীতি ও শুল্ক নিয়ে এশিয়া ও ইউরোপ চাপে পড়তে পারে বলে মন্তব্য বিশেষজ্ঞদের। পশ্চিম শব্দটির মানে এখন স্পষ্ট নয়। বহু বছর ধরে কখনও কখনও ইউরো-আমেরিকান উত্তেজনা সত্ত্বেও, এটি একটি একক কৌশলগত শক্তিকে নির্দেশ করত। উদার গণতন্ত্রের মূল্যবোধে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিল যে অংশটি। এখন আছে ইউরোপ, রাশিয়া, চীন ও যুক্তরাষ্ট্র। পশ্চিম ধারণাটি এখন শূন্য হয়ে গেছে। কীভাবে এই শূন্যস্থান পূর্ণ হবে তা স্পষ্ট নয়। তবে একটি সাধারণ সম্ভাবনা হলো সহিংসতা। এতে বড় শক্তিগুলো একে অপরের বিরুদ্ধে লড়তে পারে। ট্রাম্পকে একজন জাতীয়তাবাদী ও কর্তৃত্ববাদী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দেখানো হচ্ছে। তার শুল্ক রাজনীতিতে প্রতিদিন পাল্টাচ্ছে বাস্তবতা। লেনদেনের সূত্র ধরে তিনি নিজের বক্তব্য থেকে শুরু করে গতিপথও পাল্টান। ২০১৭ সালে তার প্রথম মেয়াদে পোল্যান্ডে এক সফরে ট্রাম্প বলেছিলেন, 'আমি আজ ঘোষণা করছি যাতে পৃথিবী শুনতে পায়, পশ্চিম কখনোই ভেঙে যাবে না। আমাদের মূল্যবোধ জয়ী হবে'।এরপর ট্রাম্প নিজেকে গতানুগতিক চিন্তা ও সেই চিন্তাকে সমর্থনকারী প্রথাগত রিপাবলিকান দলের প্রভাব থেকে মুক্ত করেছেন। তিনি এখন একজন স্বাধীন নেতার মতো কাজ করছেন বলেই মনে করছেন অনেকে। ইউরোপের জন্য সমস্যা হলো, ট্রাম্প যা করছেন তা কি কৌশল, না কি আমেরিকার একনায়কত্বের নতুন রূপরেখা, সেটা বোঝা।
লেখক: গবেষক ও কলাম লেখক, লন্ডন থেকে 

Aminur / Aminur