ঢাকা শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬

তারেক রহমানের বিজয় ইতিহাসে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত


রায়হান আহমেদ তপাদার  photo রায়হান আহমেদ তপাদার
প্রকাশিত: ১৮-২-২০২৬ দুপুর ১১:৪৬

দীর্ঘ সংগ্রামের পর দেশে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত ভোটাধিকার প্রয়োগের মধ্য দিয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও বিশ্লেষকদের মতে, এই দিনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে গণতন্ত্রের বিজয় হিসেবেই চিহ্নিত হয়ে থাকবে। কিন্তু দেশের মানুষ ও গণতন্ত্রের প্রশ্নে আপসহীন যে নেত্রী আজীবন সোচ্চার ছিলেন, সেই বেগম খালেদা জিয়া দেখে যেতে পারলেন না গণতন্ত্রের এই বিজয়। দেখলেন না তাঁর দলের ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তন, সাক্ষী হতে পারলেন না এক ঐতিহাসিক মাহেন্দ্রক্ষণের। বাংলাদেশের জন্ম এক রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে। পাকিস্তানি শাসকদের শোষণ, বৈষম্য ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে বাঙালি জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে স্বাধীনতার স্বপ্ন বাস্তবে রূপ পায়। সেই স্বাধীনতা কেবল একটি ভূখণ্ডের অর্জন নয়, বরং একটি জাতির আত্মমর্যাদার প্রতিষ্ঠা। কিন্তু স্বাধীনতার পর রাষ্ট্র পরিচালনার জটিল বাস্তবতা, রাজনৈতিক বিভাজন এবং অভ্যন্তরীণ সংকট আমাদেরকে দেখিয়েছে যে বিজয় অর্জনের চেয়ে বিজয়কে সুরক্ষিত রাখা আরও কঠিন। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, নেতৃত্বের ভুল, অদূরদর্শিতা কিংবা সুশাসনের ঘাটতি কখনও কখনও ভয়াবহ মূল্য দাবি করে। পরবর্তী সময়ে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি বহুদলীয় রাজনীতির পুনঃপ্রবর্তন, অর্থনৈতিক পুনর্গঠন এবং প্রশাসনিক সংস্কারের উদ্যোগ নিয়ে একটি নতুন ধারার সূচনা করেন। তার শাসনামলকে অনেকেই উন্নয়নের সূচনা হিসেবে দেখেন। রাষ্ট্র পরিচালনায় দৃঢ়তা, দেশপ্রেম এবং কর্মমুখী উদ্যোগ তাকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অধিষ্ঠিত করেছে। তার পরবর্তী সময়ে সামরিক শাসনের দীর্ঘ অধ্যায় দেশকে বিতর্কের মুখেও ফেলেছে।
এই সময়ে অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কিছু সংস্কার হলেও গণতান্ত্রিক চর্চা বাধাগ্রস্ত হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জোটের বিজয় বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে অর্জিত এই বিজয়ের জন্য বিএনপি ও তাদের মিত্রদের আন্তরিক অভিনন্দন। জনগণের রায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলা যায়, এই বিজয় শুধু একটি দলের নয়, বরং একটি প্রত্যাশার বিজয়। দীর্ঘ রাজনৈতিক টানাপোড়েন, আন্দোলন, অস্থিরতা এবং অনিশ্চয়তার পর জনগণ যে রায় দিয়েছে, তা দেশের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই প্রেক্ষাপটে অতীতের দিকে ফিরে তাকানো জরুরি, কারণ ইতিহাসের অভিজ্ঞতা থেকেই ভবিষ্যতের পথরেখা আঁকা সম্ভব। আন্দোলন ও সংগ্রামের মাধ্যমে স্বৈরশাসনের অবসান ঘটিয়ে নব্বইয়ের দশকে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়। বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সংসদীয় শাসনব্যবস্থা পুনরুজ্জীবিত হয় এবং অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে কিছু উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়। ১৯৯১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত রাজনৈতিক পালাবদল, হরতাল, বিরোধ এবং সমঝোতার মধ্য দিয়েও গণতান্ত্রিক কাঠামো টিকে ছিল। তবে এই সময়কালও ছিল সংঘাতময়। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক দুর্বলতা গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তিকে দুর্বল করেছে। পরবর্তীকালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অগ্রগতি সাধন করলেও শাসনব্যবস্থা কর্তৃত্ববাদী হয়ে উঠেছিল। উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষা যে কতটা জরুরি, তা এই সময়ের অভিজ্ঞতা স্পষ্ট করে। ২৪ সালের জুলাই আন্দোলন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। অসংখ্য তরুণ প্রাণের আত্মত্যাগ, নাগরিক সমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং গণমানুষের প্রত্যাশা একটি পরিবর্তনের পথ তৈরি করে। এই আন্দোলনের অবদান অস্বীকারের সুযোগ নেই।
তবে যে কোনো গণআন্দোলনের পরবর্তী সময়ে আবেগ ও প্রতিশোধপরায়ণতার পরিবর্তে প্রজ্ঞা ও সংযমের প্রয়োজন হয়। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যে দেশকে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দিকে নিয়ে যেতে ভূমিকা রেখেছে, তা ইতিহাসে ইতিবাচকভাবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। কারণ গণতন্ত্রের ভিত্তি হচ্ছে অবাধ ভোটাধিকার এবং জনগণের আস্থার পুনঃপ্রতিষ্ঠা। এই প্রেক্ষাপটে বিএনপির বিজয়কে কেবল রাজনৈতিক সাফল্য হিসেবে নয়, বরং একটি নতুন দায়িত্বের সূচনা হিসেবে মূল্যায়ন করা উচিত। ফ্যাসিবাদবিরোধী দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রাম থেকে শুরু করে নির্বাচনকালীন সময় পর্যন্ত দলটির নেতৃত্ব যে ধৈর্য, সংযম ও কৌশলগত প্রজ্ঞার পরিচয় দিয়েছে, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার। টানা পনেরো বছর হামলা, মামলা ও নিপীড়নের মুখোমুখি হওয়ার পরও ৫ আগস্টের পর নানামুখী উসকানি ও প্ররোচনা সত্ত্বেও তারা সংঘাতের পথ পরিহার করে গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক প্রক্রিয়াতেই অবিচল থেকেছে। এ জন্য দলটির নেতৃত্বকে আন্তরিক অভিনন্দন। তবে বিজয়ের উচ্ছ্বাসে আত্মতুষ্টি বা আত্মভোলাভাব যেন স্থান না পায়, এই সতর্কতাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। রাজনৈতিক ইতিহাস আমাদের শিখিয়েছে যে ক্ষমতা মানুষকে পরীক্ষা করে। বিজয়ের পর দলের নেতা কর্মীদের আচরণই জনগণের আস্থা নির্ধারণ করে। অতীতে দেখা গেছে, দলীয় প্রভাব খাটানো, প্রশাসনে অযোগ্যদের পদায়ন, প্রতিহিংসামূলক মনোভাব এবং দুর্নীতির বিস্তার একটি জনপ্রিয় সরকারকেও দ্রুত অজনপ্রিয় করে তুলতে পারে। বিএনপির উচিত হবে অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন এক রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলা। দলীয় স্বার্থের চেয়ে রাষ্ট্রের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে না পারলে এই বিজয় দীর্ঘস্থায়ী হবে না। বিশেষ করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এখন সময়ের দাবি। 
বিচারব্যবস্থা, প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখতে হবে। বিরোধী মতের প্রতি সহনশীলতা প্রদর্শন করতে হবে। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করা একটি শক্তিশালী গণতন্ত্রের পূর্বশর্ত। রাজনৈতিক সহাবস্থান ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। প্রতিপক্ষকে দমন নয়, বরং যুক্তির মাধ্যমে মোকাবিলা করার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও সামনে বড় চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, মুদ্রাস্ফীতি, কর্মসংস্থানের ঘাটতি এবং বিনিয়োগ সংকট মোকাবিলায় বাস্তবসম্মত নীতি গ্রহণ করতে হবে। কৃষি, শিল্প ও প্রযুক্তি খাতে সমন্বিত উন্নয়ন নিশ্চিত করা জরুরি। তরুণ জনগোষ্ঠীর দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি না হলে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা কঠিন হবে। সুশাসন ও স্বচ্ছতা বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াতে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ধর্ম, ভাষা ও সংস্কৃতিগত বৈচিত্র্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র গঠন করতে হবে। কোনো প্রকার উগ্রতা বা বিভাজনমূলক রাজনীতি দীর্ঘমেয়াদে জাতীয় ঐক্যকে দুর্বল করে। বিএনপি যেভাবে বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষের আস্থা অর্জন করেছে, সেই আস্থা অটুট রাখতে দলের ভেতরে সময়োপযোগী ও কার্যকর সংস্কার উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। হয়তো এটা বিএনপির জন্য সর্বশেষ সুবর্ণ সুযোগ। কেননা, এটা মানতেই হবে যে, বিএনপি নেতা-কর্মীরা যদি গতানুগতিক অগ্রহণযোগ্য কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখে, তবে বর্তমান প্রজন্মের কাছে তাদের প্রকৃত গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হবে না। ফলে, দলটি কেবল রাজনৈতিকভাবে নয়, নৈতিক অবস্থান থেকেও দুর্বল হয়ে পড়বে এবং জাতীয় রাজনীতিতে কার্যকর শক্তি হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত রাখার সম্ভাবনাও ক্ষীণ হয়ে যাবে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ইশতেহারে উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলো হচ্ছে: প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে সুরক্ষা দিতে 'ফ্যামিলি কার্ড' চালু করে প্রতি মাসে আড়াই হাজার টাকা অথবা সমমূল্যের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। অর্থ সেবার এই পরিমাণ পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হবে। কৃষকের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে কৃষক কার্ড-এর মাধ্যমে ভর্তুকি, সহজ ঋণ, কৃষি বীমা ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় বাজারজাতকরণ জোরদার করা হবে। মৎস্যচাষি, পশুপালনকারী খামারি ও কৃষিখাতের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও এই সুবিধা পাবেন। দুর্নীতিমুক্ত ও মানবিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে দেশব্যাপী এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করা হবে। জেলা ও মহানগর পর্যায়ে মানসম্মত চিকিৎসা, মা ও শিশুর পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবাসহ রোগ প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে। আনন্দময় ও কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাস্তব দক্ষতা ও মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা হবে। প্রাথমিক শিক্ষায় সর্বাধিক গুরুত্ব, শিক্ষক- শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি সহায়তা ও 'মিড-ডে মিল' চালু করা হবে। তরুণদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কারিগরি ও ভাষা দক্ষতা উন্নয়ন, স্টার্টআপ ও উদ্যোক্তা সহায়তা, বৈশ্বিক ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে যুক্তকরণসহ মেধাভিত্তিক সরকারি নিয়োগ নিশ্চিত করা হবে। ক্রীড়াকে পেশা ও জীবিকার মাধ্যম হিসেবে গড়ে তুলতে জেলা-উপজেলা পর্যায়ে ক্রীড়া অবকাঠামো ও প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা হবে। পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে দেশপ্রেমী জনগণের স্বেচ্ছাশ্রম ও সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যামে ১০ হাজার কিলোমিটার নদী-খালখনন ও পুনঃখনন, পাঁচ বছরে ১৫ কোটি বৃক্ষরোপণ ও আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা চালু করা হবে। ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি সুদৃঢ় করতে সব ধর্মের উপাসনালয়ের ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের জন্য সম্মানী ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালু করা হবে।
তাছাড়াও ডিজিটাল অর্থনীতি ও বৈশ্বিক সংযোগ বাড়াতে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সিষ্টেম চালু, ই-কমার্সের আঞ্চলিক হাব স্থাপন, ও 'মেড ইন বাংলাদেশ' পণ্যের রপ্তানি সম্প্রসারণ করা হবে। বিএনপি বলছে, এই ইশতেহার কেবল নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি নয়, এটি একটি নতুন সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় চুক্তির ঘোষণা। অতএব, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, তরুণ নেতৃত্বের বিকাশ, নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং গণতান্ত্রিক চর্চাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার মাধ্যমে একটি ইতিবাচক পরিবর্তনের পথ রচনা করতে হবে। অতীতের রাজনৈতিক অধ্যায়গুলোর প্রতি সম্মান দেখিয়ে ভবিষ্যতের পথে অগ্রসর হওয়াই হবে পরিণত নেতৃত্বের পরিচয়। ইতিহাসের প্রতিটি অধ্যায়ে যেমন গৌরব আছে, তেমনি ভুলও আছে। সেই ভুলগুলো পুনরাবৃত্তি না করে নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করা এখন সময়ের দাবি। বিজয়ের আনন্দকে দায়িত্বে রূপান্তর করতে পারলেই বিএনপি তাদের এই অর্জনকে স্থায়ী করতে পারবে। মোটকথা, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জোটের বিজয় বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় একটি তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। এই বিজয়ের জন্য দলকে অভিনন্দন জানিয়ে একই সঙ্গে স্মরণ করিয়ে দিতে হয় যে জনগণের প্রত্যাশা অনেক বড়। আইনের শাসন, সুশাসন, স্বচ্ছতা, রাজনৈতিক সহাবস্থান এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতি নিশ্চিত করতে পারলেই এই বিজয় ইতিহাসে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে।
লেখক: গবেষক ও কলাম লেখক, যুক্তরাজ্য 

Aminur / এমএসএম

সীমান্তে রক্তপাত ও পুশইন আর মুখে বন্ধুত্বের বুলি: এই দ্বিচারিতার শেষ কোথায়?

বিশ্ব খাদ্য দিবস: খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি ও টেকসই উন্নয়ন

দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রতিরোধ ও প্রস্তুতিই হোক অগ্রাধিকার

ভারতীয় হাইকমিশনারের বক্তব্যে ভেঙে গেল আ’লীগের পুরোনো বয়ান

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও অসাম্প্রদায়িকতার আজীবন যোদ্ধা: অধ্যাপক ড. নিম চন্দ্র ভৌমিক

হজযাত্রীদের স্বাস্থ্য বীমা: কভারেজ সুবিধা ও বীমা বহির্ভূত ব্যয় পরিশোধের দায়

​বিশ্ব শিক্ষক দিবস: পেছনের গল্প এবং শিক্ষক সমাজের না বলা কথা

কিশোর গ্যাং: বাংলাদেশের তারুণ্য কোন পথে?

প্রবীণদের সুরক্ষায় প্রয়োজন সম্মিলিত প্রচেষ্টা

কন্যা শিশুদের সুরক্ষায় প্রয়োজন সম্মিলিত প্রচেষ্টা

আমি,আমরা কী পড়াচ্ছি, আর শিক্ষার্থীরা কী শিখছে?

লেখকের কষ্ট

বিশ্বমঞ্চে বাবা-মায়ের পদাঙ্কে তারেক রহমান