ঢাকা শনিবার, ২ মে, ২০২৬

সারাবছর-ই সম্মানের আসনে থাকুক শ্রমিক


এসএম পিন্টু photo এসএম পিন্টু
প্রকাশিত: ১-৫-২০২৬ বিকাল ৫:২০

মুখে অনেকেই শ্রমিকের সম্মানের কথা বলে অস্থির, বাস্তবে যারা মাইকে গলা ফাটায় তারাই আবার কোন না কোনভাবে শ্রমিক নির্যাতনের পেছনের কারিগর হয়ে যান। আর মে দিবস আসলেই শ্রমিক সম্পর্কিত সঠিক ধারণা ও সম্মান করা হয়। অনেকেই আবার তাদের একদিনের জন্য ’রাজা’ বানিয়ে দেন।  বাকি ৩৬৪ দিনই থাকে চরম অবহেলা আর নিপীড়ন। তবে আমাদের প্রয়োজনেই তাদের ’রাজা’ বানিয়ে রাখা উচিৎ, যদিও কোন শ্রমিক কখনো রাজা হতে চায় না। তারা নিজের প্রাপ্য সম্মানটুকু চায়। নিজের অধিকার ও পরিবার পরিজন নিয়ে সুন্দরভাবে বাঁচার পাশাপাশি সোনার দেশ গড়তে চায়। দেশবাসির সুখের জন্য নিজের সুখকে জলাঞ্জলি দিতে পারে যে শ্রমিক আমরা তাকেই অবহেলা করি সারাটি বছর। তাই আমার দাবি শ্রমিক যেন একদিনের রাজ না হয়ে প্রতিদিন তাদের প্রাপ্য সম্মান এবং অধিকার নিয়ে বাঁচতে পারে তা নিশ্চিত করতে হবে সরকারকে। কারণ আজকের বিলাসিতা মুহুর্তেই ধুলিস্যাত হয়ে যাবে যদি এই শ্রমিক না থাকে। তাই শ্রমিক প্রতিটি ক্ষেত্রে কত মূল্যবান তা শুধু তারাই জানেন যারা এর সুফলভোগী।
 মানবসভ্যতার ইতিহাসে শ্রমিক শ্রেণির অবদান এতটাই গভীর ও বিস্তৃত যে তা আলাদা করে ব্যাখ্যা করার প্রয়োজন পড়ে না, তবুও বাস্তবতা আমাদের বাধ্য করে এই প্রসঙ্গে ফিরে আসতে। সভ্যতার প্রতিটি ইট, প্রতিটি সেতু, প্রতিটি শিল্পকারখানা, প্রতিটি ফসলের ক্ষেত, সবকিছুর পেছনেই আছে শ্রমিকের ঘাম, পরিশ্রম ও আত্মত্যাগ। কিন্তু নির্মম সত্য হলো, এই শ্রমিক শ্রেণিই সবচেয়ে বেশি অবহেলিত, বঞ্চিত ও শোষিত। বছরের ৩৬৪ দিন যাদের কণ্ঠস্বর শোনা যায় না, যাদের অধিকার উপেক্ষিত হয়, যাদের জীবন কাটে অনিশ্চয়তা ও সংগ্রামে, তারাই আবার ১লা মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসে হঠাৎ করে হয়ে ওঠে ‘সম্মানের প্রতীক’। এই একদিনের আনুষ্ঠানিক সম্মান যেন বাকি বছরের অবহেলাকে ঢাকার এক প্রথাগত আয়োজন না হয়। তাই আসুন শ্রমিকদের ভালোবাসতে ও সম্মান করতে শিখি। বাস্তবে প্রয়োজনের দিক বিবেচনা করলে বুঝতে সহজ হবে শ্রমিকরাই প্রকৃত ’রাজা’। তবে সেটা একদিনের জন্য না হয়ে প্রতিদিনের রাজা হলে দেশ ও জাতির জন্য আরো মঙ্গল বয়ে আনবে।
যুগে যুগে নিপিড়িত হয়ে আসছে শ্রমিক। এই নিপিড়ণ ও বৈপরীত্যের দেয়াল ভেঙে একদিনের সম্মানের প্রতীক হওয়ার পেছনেও  রয়েছে দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাসে। ১৮৮৬ সালের শিকাগো শহরের হে মার্কেট আন্দোলনের মাধ্যমে শ্রমিকরা আট ঘণ্টা কর্মদিবসের দাবিতে রক্ত দিয়েছিলেন। সেই আন্দোলনের ফলেই আজকের মে দিবসের সূচনা। কিন্তু প্রশ্ন হলো, শ্রমিকদের সেই আত্মত্যাগের চেতনা কি আজ বাস্তব জীবনে প্রতিফলিত হচ্ছে? নাকি আমরা কেবল সেই ইতিহাসকে স্মরণ করি, কিন্তু তার মূল শিক্ষাকে বাস্তবায়ন করতে ব্যর্থ হই?
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই প্রশ্ন আরও গভীর। দেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তিগুলোর মধ্যে অন্যতম তৈরি পোশাক শিল্প, যেখানে প্রায় লাখ লাখ শ্রমিক কাজ করেন। এই শ্রমিকদের অধিকাংশই নারী, যারা প্রতিদিন দীর্ঘ সময় কাজ করে দেশের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছেন। কিন্তু তাদের জীবনযাত্রার মান এখনো অনেক ক্ষেত্রে মানবিক মানদণ্ডে পৌঁছায়নি।
উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ২০১৩ সালের রানা প্লাজা ধসের ঘটনা, যেখানে এক হাজারেরও বেশি শ্রমিক প্রাণ হারান। এই ঘটনা শুধু বাংলাদেশের নয়, পুরো বিশ্বের সামনে শ্রমিক নিরাপত্তার ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরে। এরপর কিছু সংস্কারমূলক উদ্যোগ নেওয়া হলেও এখনো অনেক কারখানায় নিরাপত্তা মান বজায় রাখা হয় না। অনেক শ্রমিক জানেন যে ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ, তবুও জীবিকার তাগিদে সেখানে কাজ করতে বাধ্য হন।
আরেকটি বাস্তব উদাহরণ হলো ন্যুনতম মজুরি নিয়ে আন্দোলন। পোশাক শ্রমিকদের বহুবার রাস্তায় নামতে হয়েছে তাদের ন্যায্য মজুরির দাবিতে। ২০২৩ সালেও মজুরি বৃদ্ধি নিয়ে আন্দোলন হয়েছে, যেখানে অনেক শ্রমিক আহত হয়েছেন, কেউ কেউ চাকরি হারিয়েছেন। নিজেদের প্রাপ্য বেতন যথাসময়ে পাওয়ার জন্য অনেক সময় তাদের রাস্তায় নামতে দেখা গেছে। এটি প্রমাণ করে যে শ্রমিকদের অধিকার আদায় এখনো সহজ নয়।
নির্মাণ খাতে শ্রমিকদের অবস্থাও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। ঢাকার বিভিন্ন নির্মাণ প্রকল্পে প্রায়ই দুর্ঘটনার খবর পাওয়া যায়, যেখানে নিরাপত্তা সরঞ্জামের অভাবে শ্রমিকরা আহত বা নিহত হন। অনেক ক্ষেত্রে তাদের পরিবার যথাযথ ক্ষতিপূরণ পায় না। একটি সাধারণ উদাহরণ, একজন নির্মাণ শ্রমিক প্রতিদিন উঁচু ভবনে কাজ করেন, কিন্তু তার কাছে নেই কোনো সেফটি বেল্ট বা হেলমেট। দুর্ঘটনা ঘটলে তার পরিবার এক নিমিষেই পথে বসে যায়।
কৃষি খাতেও শ্রমিকদের অবস্থা খুব একটা ভিন্ন নয়। তারা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন, কিন্তু নিজেরাই ন্যায্য মূল্য পান না। ধান কাটার মৌসুমে শ্রমিকের মজুরি কিছুটা বাড়লেও বছরের বাকি সময় তারা কাজের অভাবে ভোগেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন বন্যা বা খরা তাদের জীবনে আরও অনিশ্চয়তা নিয়ে আসে।
একটি বাস্তব চিত্র কল্পনা করা যাক, একজন কৃষি শ্রমিক সারাদিন মাঠে কাজ করে ৫ থেকে ৬০০ টাকা আয় করেন, কিন্তু সেই আয়ে তার পরিবারের খাবার, সন্তানের শিক্ষা, চিকিৎসা, সবকিছু চালানো সম্ভব হয় না। ফলে তিনি ঋণের ফাঁদে পড়েন, যা তাকে আরও অসহায় করে তোলে। একইভাবে রিকশা শ্রমিক, মোটর শ্রমিক, হোটেল শ্রমিকসহ অন্যান্য দিনমজুররাও অবহেলিত। পরিশ্রমের তুলনায় আয় কম।
প্রবাসী শ্রমিকদের ক্ষেত্রেও একই ধরনের বাস্তবতা দেখা যায়। মধ্যপ্রাচ্য বা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে কাজ করতে গিয়ে তারা প্রায়ই অমানবিক পরিবেশে পড়েন। অনেক সময় পাসপোর্ট জব্দ করে রাখা হয়, নির্ধারিত মজুরি দেওয়া হয় না, অতিরিক্ত কাজ করানো হয়। তবুও তারা চুপ থাকেন, কারণ দেশে ফিরে আসলে তাদের পরিবার অর্থনৈতিক সংকটে পড়বে।
উদাহরণ হিসেবে, অনেক বাংলাদেশি শ্রমিক সৌদি আরব, দুবাই বা কাতারে নির্মাণ কাজে যুক্ত থাকেন, যারা প্রচণ্ড গরমে ১০-১২ ঘণ্টা কাজ করেন। তাদের থাকার জায়গা অস্বাস্থ্যকর, খাবার সীমিত, চিকিৎসা সুবিধা অপ্রতুল। কিন্তু মে দিবসে তাদের ‘রেমিট্যান্স যোদ্ধা’ হিসেবে সম্মান জানানো হয়, যা বাস্তব জীবনের সঙ্গে একটি বড় বৈপরীত্য তৈরি করে।
আন্তর্জাতিক পর্যায়েও শ্রমিকদের অবস্থা খুব একটা আলাদা নয়। উন্নত দেশগুলোতে শ্রমিকদের কিছু অধিকার নিশ্চিত হলেও, সেখানে নতুন ধরনের সমস্যা তৈরি হয়েছে। যেমন, গিগ ইকোনমি। উবার, ফুড ডেলিভারি বা ফ্রিল্যান্স কাজের সঙ্গে যুক্ত শ্রমিকরা স্থায়ী চাকরির সুবিধা পান না। তাদের কোনো পেনশন নেই, স্বাস্থ্যবীমা নেই, চাকরির নিরাপত্তা নেই।
একটি উদাহরণ, একজন ফুড ডেলিভারি কর্মী প্রতিদিন ১০-১২ ঘণ্টা কাজ করেন, কিন্তু তিনি একজন ‘কর্মচারী’ হিসেবে স্বীকৃতি পান না। ফলে তিনি কোনো আইনি সুবিধা বা সুরক্ষা পান না। এটি আধুনিক বিশ্বের এক নতুন ধরনের শ্রমিক শোষণ।
আফ্রিকা বা দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশে শিশু শ্রম এখনো একটি বড় সমস্যা। দরিদ্র পরিবারের শিশুরা স্কুলে যাওয়ার পরিবর্তে কারখানা বা খামারে কাজ করতে বাধ্য হয়। আন্তর্জাতিকভাবে এটি নিষিদ্ধ হলেও বাস্তবে এটি পুরোপুরি বন্ধ করা যায়নি।
এই বাস্তবতায় মে দিবস অনেক সময় একটি প্রতীকী আয়োজন হয়ে দাঁড়ায়। এই দিনে শ্রমিকদের নিয়ে বক্তৃতা হয়, শোভাযাত্রা হয়, পোস্টার তৈরি হয়, কিন্তু বছরের বাকি দিনগুলোতে তাদের সমস্যাগুলো অমীমাংসিতই থেকে যায়। ফলে মে দিবস এক ধরনের আনুষ্ঠানিকতা হয়ে দাঁড়ায়, যা বাস্তব পরিবর্তন আনতে ব্যর্থ।
এই পরিস্থিতি পরিবর্তনের জন্য কিছু মৌলিক পদক্ষেপ প্রয়োজন। প্রথমত, শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করতে হবে, যা জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। দ্বিতীয়ত, কর্মস্থলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর আইন প্রয়োগ করতে হবে। তৃতীয়ত, শ্রমিকদের স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও আবাসনের ব্যবস্থা উন্নত করতে হবে। চতুর্থত, শ্রমিক সংগঠন গঠনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে মালিক ও এলিট শ্রেণির দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তণ। এমন অনেক এলিট শ্রেণির লোক আছেন (সবাই নয়) যারা শ্রকিদের জীবনকে অভিশপ্ত মনে করেন। সবসময় তাদের সাথে খারাপ আচরণ করেন। সামাজিক অবস্থানে শ্রমিকদের রাখা হয় পেছনের সারিতে। কোন সমাজিক আচার অনুষ্ঠানে তাদেরকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করা হয়। এলিটের তুলনায় নিম্নমানের খাবার পরিবেশন করা হয়। যেখানে শ্রমিকদের সাথে অন্যদের একটা পার্থক্য প্রকাশ করে। তারা এটা ভুলেই যায় যে শ্রমিকের কঠোর পরিশ্রমের ফলেই এলিটরা তাদের ঐতিহ্য ধরে রাখতে পেরেছে। তাই আমার আজকের দাবি সমাজের এই পার্থক্য তৈরি করে বৈষম্য সৃষ্টি করা বন্ধ করতে হবে।
এর জন্য সরকারের পাশাপাশি মালিকপক্ষেরও দায়িত্ব রয়েছে। তারা যদি শ্রমিকদের শুধুমাত্র উৎপাদনের একটি উপাদান হিসেবে না দেখে, একজন মানুষ হিসেবে বিবেচনা করেন, তাহলে অনেক সমস্যার সমাধান সহজ হবে। একই সঙ্গে ভোক্তাদেরও সচেতন হতে হবে, আমরা যে পণ্য ব্যবহার করি, তা তৈরির পেছনে শ্রমিকদের কী অবস্থা, তা জানা এবং সে অনুযায়ী দায়িত্বশীল আচরণ করা জরুরি।
সমাজের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের বুঝতে হবে, শ্রমিক কোনো দয়া বা সহানুভূতির পাত্র নয়, তিনি অধিকারপ্রাপ্ত নাগরিক। একজন শ্রমিকের সম্মান মানে একটি দেশের সম্মান।
সবশেষ বলতে চাই, মে দিবসের প্রকৃত তাৎপর্য তখনই বাস্তবায়িত হবে, যখন বছরের প্রতিটি দিন শ্রমিকদের জন্য ন্যায়, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। ৩৬৪ দিনের অবহেলা ঢাকতে একদিনের সম্মান যথেষ্ট নয়। শ্রমিকদের ‘রাজা’ বানাতে হলে প্রতিদিনই তাদের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। যেন তারা একদিনের নয় প্রতিদিনের ’রাজা’ হয়, এতে তারা সন্তুষ্ট হলেই দেশের উন্নতির চাকার গতি বাড়বে দ্রুত গতিতে।
একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়তে হলে আমাদের দ্বিচারিতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। শ্রমিকদের শুধু মে দিবসে নয়, প্রতিদিন সম্মান দিতে হবে, কথায় নয়, কাজে। তবেই আমরা বলতে পারব, আমরা সত্যিই শ্রমিকদের মূল্যায়ন করতে শিখেছি।
লেখক: কবি, সাংবাদিক ও প্রাবন্ধিক, সভাপতি রেলওয়ে জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন।

এমএসএম / এমএসএম

সারাবছর-ই সম্মানের আসনে থাকুক শ্রমিক

শক্তিই যখন ন্যায় নির্ধারণের মানদণ্ড হয়

ঢাকার প্রশাসনিক ইতিহাসে নতুন দিগন্ত: প্রথম নারী জেলা প্রশাসক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্রগঠনের প্রত্যাশা

দায়িত্বশীল নেতৃত্বের এক ইতিবাচক দৃষ্টান্ত মেয়র শাহাদাত

​শোষিত মানুষের অকৃত্রিম বন্ধু: শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক

ইতিহাসের ভয়াবহতম খাদ্য সংকটে ৩০০ কোটির বেশি মানুষ

চাপের বহুমাত্রিক বলয়ে বর্তমান সরকার

অসাম্প্রদায়িক ও শোষিত মানুষের কণ্ঠস্বর পঙ্কজ ভট্টাচার্য

শিরোনাম- রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধকরণ! ভবিষ্যতের জন্য সুফল নাকি ঝুঁকি বাড়াবে

আকাশপথে স্বাধীনতার নতুন দিগন্ত: শাহজালাল বিমানবন্দরে ফ্রান্সের অত্যাধুনিক রাডারের যাত্রা শুরু

চট্টগ্রামে আধুনিক হাসপাতাল স্থাপন অপরিহার্য

বিদেশে ক্রুড অয়েল টোল ব্লেন্ডিং: জ্বালানি নিরাপত্তার সঙ্গে ৫০০০ কোটি টাকা সাশ্রয়ের কৌশল!

কৃষি কার্ড ভালো উদ্যোগ, তবে চ্যালেঞ্জও আছে