ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬

মুকসুদপুরে খ্রিস্টান ধর্মের বড়দিন শান্তিপূর্ণ ভাবে উদযাপন উপলক্ষে প্রশাসনের কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহন


কাজী ওহিদ, মুকসুদপুর photo কাজী ওহিদ, মুকসুদপুর
প্রকাশিত: ২৪-১২-২০২৫ দুপুর ১:৪৫

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় খ্রিস্টান ধর্মের প্রায় ১০ হাজার মানুষ ২৫ ডিসেম্বর বড়দিন পালন করছেন। বড়দিন শান্তিপূর্ণ ভাবে উদযাপন উপলক্ষে মুকসুদপুর প্রশাসন কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহন করেছেন।
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর ১টি পৌরসভা ও ১৬টি ইউনিয়ন নিয়ে মুকসুদপুর উপজেলা গঠিত। এই উপজেলার জলিরপাড় ইউনিয়ন,কাশালিয়া ইউনিয়ন ও ননিক্ষীর ইউনিয়ন মোট ৩টি ইউনিয়নে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের লোকজন বসবাস করে থাকে। মুকসুদপুর উপজেলার অন্য ইউনিয়নগুলোতে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের লোকজনের বসবাস নেই বললেই চলে। জলিরপাড় ইউনিয়নে ১২টি চার্চ (গীর্জা) ও কাশালিয়া ইউনিয়নে ৪টি চার্চ (গীর্জা) মোট ১৬টি গীর্জা রয়েছে। এই উপজেলায় প্রায়-১০ হাজার খ্রিস্টান ধর্মের লোকের বসাবস করেন। 
খ্রিস্টান ধর্মের অভিজ্ঞ ব্যক্তিত্ব বানিয়ারচর গ্রামের বাসিন্দা বিভুদান বৈরাগী জানান- এই এলাকায় প্রথম পতূগীজ মিশনারিরা আনুমানিক প্রায় দুইশত বছর পূর্বে খ্রিস্টান ধর্ম প্রচারের কাজে শুরু করে ছিলেন। এখানে ক্যাথলিক চার্চ,ব্যাপ্টিস্ট চার্চ, অক্সফোর্ড চার্চ,এজি চার্জ,সেভেনথ ডে অ্যাডভান্টেজ চার্চ,হালেলূইয়া মিশন,তালিথা কূমি চার্চ সহ আরো কয়েক একটি ছোট ছোট মিশন রয়েছে। অত্র এলাকায় ক্যাথলিক চার্চ ও প্রটেস্ট্যান্ট চার্চ রয়েছে। ক্যাথলিক চার্চ পোপ মহোদয়ের নিয়ন্ত্রণে বা পরিচালনায় পরিচালিত হয়ে থাকে। ক্যাথলিক চার্চ বাদে অন্যান্য চার্চ এক কথায় বলা হয় প্রটেস্ট্যান্ট চার্চ অর্থাৎ এসব চার্চ পোপ মহোদয়ের নিয়ন্ত্রণে আওতায় নয়। ক্যাথলিক পুরোহিতগণ বিশপ মহোদয়ের অধিন। ক্যাথলিক পুরোহিতদের বলা যাজক বা ফাদার নামে পরিচিত। ক্যাথলিক ও প্রটেস্ট্যান্ট চার্চের ধর্ম শিক্ষা ভিন্ন। ক্যাথলিক ধর্মীয় ক্রিয়াকার্য অভিন্ন। প্রটেস্ট্যান্টদের ভিন্ন ভিন্ন ধর্মীয় ক্রিয়াকার্য।
জলিরপাড় ইউনিয়নের বানিয়ারচর গ্রামের প্রশান্ত কুমার বৈদ্য জানান,জলিরপাড়,কাশালিয়া ও  ননিক্ষীর ইউনিয়নের মুসলিম,হিন্দু ও খ্রিস্টান ধর্মের লোক দীর্ঘকাল হতে একত্রে মিলেমিশে শান্তিতে বসবাস করে আসছে। ২৫ ডিসেম্বর বড়দিন সহ প্রতিটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান সকল ধর্মের লোকের সার্বিক সহযোগিতায় কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই প্রতি বছর পালিত হয়ে থাকে। এবছর বড়দিন শান্তিপূর্ণ ভাবে অনুষ্ঠানের জন্য মুকসুদপুর থানা পুলিশ কর্তৃপক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে  বলে ক্যাথলিক চার্চের ফাদার ডেবিড ঘরামী জানিয়েছেন।
মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদ আশিক কবির ও মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল্লাহ আল-মামুন খ্রিস্টান ধর্মের চার্চের (গীর্জা) ফাদার,পুরোহিত ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের নিয়ে বড়দিন শান্তিপূর্ণ ভাবে উদযাপনের লক্ষে ২৩ ডিসেম্বর আলোচনা সভা করেছেন। মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল্লাহ আল-মামুন বলেন,মুকসুদপুরে বড়দিনে কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেক্ষেত্রে প্রতিটি চার্চে সিসি ক্যামেরা লাগানো,পর্যাপ্ত পুলিশ এবং স্থানীয় ভাবে স্বেচ্ছাসেবক মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া তিনি আরো বলেন, বড়দিন সহ এলাকায় বিশৃঙ্খলার চেস্টা  কেউ করলে তাৎক্ষণিক ভাবে তার বিরুদ্ধে পুলিশ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। 

এমএসএম / এমএসএম

সিংড়ায় প্রশাসনের অভিযানে ৪ লাখ টাকা মূল্যের অবৈধ চায়না দুয়ারি জাল পুড়িয়ে ধ্বংস

উখিয়ায় ডুবন্ত কাঠের ক্যারিয়ারসহ ইয়াবা উদ্ধার, অস্ত্র-গুলিসহ আটক ৩

অভয়নগরে দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত, র‌্যালি ও মহড়া

ডিম উৎপাদন বাড়িয়ে রপ্তানির সক্ষমতা অর্জন করতে হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু

উলিপুরে আন্তর্জাতিক দূর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

অসুস্থতার কথা বললেন অবরুদ্ধ চুয়েট ভিসি, চিকিৎসক বললেন ঠিক আছেন

সাপ্তাহিক দেশজনতার কথার উদ্যোগে 'মধূ শিক্ষা নিকেতনে' মেধাবীদের মাঝে শিক্ষা উপকরন বিতরন

হাটহাজারীতে দূর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

সড়কে দুর্ঘটনা কমাতে চালক, যাত্রী ও পথচারীদের সচেতন হওয়ার আহ্বান এসএমপি কমিশনারের

রাজস্থলীতে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

জয়পুরহাটে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

আদমদীঘিতে দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

লাকসামে আন্তর্জাতিক দূর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত