ঢাকা বৃহষ্পতিবার, ১ জানুয়ারী, ২০২৬

স্মার্ট প্রযুক্তির যুগে বিবেক ও নৈতিকতা


রায়হান আহমেদ তপাদার  photo রায়হান আহমেদ তপাদার
প্রকাশিত: ২৭-১২-২০২৫ দুপুর ১১:৩৬

স্মার্ট প্রযুক্তি বা চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের কারণে অতীতের সবকিছু বদলে যাচ্ছে। ইন্টারনেট আবিষ্কারের ফলে নানা ধরনের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের বিকাশ ঘটে দ্রুত গতিতে। স্মার্ট প্রযুক্তি বা চতুর্থ শিল্পবিপ্লবকে কেন্দ্র করে বিশ্বব্যাপী অসংখ্য হাইটেক করপোরেশন ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান যেমন মাইক্রোসফট, অ্যাপল, গুগল, অ্যামাজন, আলীবাবার মতো অসংখ্য প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। প্রযুক্তিকে নির্ভর করে গড়ে উঠেছে কৃষি প্রক্রিয়াকরণ শিল্প প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে মহাকাশে ভ্রমণের জন্য অত্যাধুনিক মহাকাশযান তৈরির প্রতিষ্ঠান। অস্বীকার করার উপায় নেই,এসব প্রতিষ্ঠান প্রতিনিয়ত আমাদের জীবনযাত্রাকে সহজসাধ্য করার জন্য নানারকমের ডিজিটাল উদ্ভাবন ও সেবা দোরগোড়ায় পৌঁছে দিচ্ছে। হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার সব ধরনের সেবা আমরা পাচ্ছি মুহূর্তে। সারা দুনিয়া এখন আমাদের হাতের মুঠোয়। আমাদের প্রাত্যহিক জীবনযাত্রা এদের সেবা ছাড়া অচল। উচ্চবিত্ত থেকে শুরু করে নিুবিত্ত প্রত্যেকেই আমরা ডিজিটাল সেবার আওতাভুক্ত। আমাদের দেশের মোট জনসংখ্যার বৃহৎ একটি অংশ এখন কোনো না কোনোভাবে ডিজিটাল প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত। তবে তাদের উল্লেখযোগ্য একটি অংশ এখনো ডিজিটালি নিরক্ষর। এদের হাতে হাতে এখন ইন্টারনেটের সুবিধাযুক্ত স্মার্টফোন।সামাজিক যোগাযোগের সব মাধ্যম ব্যবহার করে যোগাযোগ স্থাপন বা ভাববিনিময়, মোবাইল ফোনে কথা বলা থেকে কেবল সংযোগের মাধ্যমে টিভিতে সিনেমা দেখা সবই সম্ভব হচ্ছে ডিজিটাল প্রযুক্তির এ যুগে। ইতিহাস অনেক সময় উচ্চৈঃস্বরে কথা বলে না; সে ধীরে, নীরবে কিন্তু দৃঢ়ভাবে শিক্ষা দেয়। সেই শিক্ষার একটি মৌলিক সত্য হলো-যাদের হাতে ক্ষমতা ন্যস্ত হয়, তাদের ব্যক্তিগত চরিত্রের ওপরই একটি রাষ্ট্রের কল্যাণ বা বিপর্যয় নির্ভর করে। 
রাষ্ট্র পরিচালনার কাঠামো যত উন্নতই হোক না কেন, যদি নেতৃত্বে থাকা ব্যক্তিরা নৈতিকতা ও দায়বদ্ধতার অভাবে ভোগেন, তবে সেই কাঠামো দীর্ঘ মেয়াদে টেকসই হয় না। 
নৈতিক শাসনের প্রসঙ্গে ইতিহাস বলছে, যেকোন সরকারের শাসনকাল কোনো রাজনৈতিক প্রচার নয়, বরং ন্যায়, সততা ও দায়িত্ববোধের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। ক্ষমতাকে কখনও ব্যক্তিগত মর্যাদা বা সুযোগ-সুবিধার মাধ্যম হিসেবে দেখা উচিত নয়।বরং ক্ষমতা হচ্ছে দায়িত্ব যা প্রতিটি সিদ্ধান্তের জন্য নিজের বিবেক ও জনগণের কাছে জবাবদিহি করা। এবং শাসন আরোপ করার আগে নিজেকে কঠোর আত্মসংযমের মধ্যে রাখা। রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব্যবহারে সতর্কতা, ব্যক্তিগত জীবনে সরলতা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে ন্যায়পরায়ণতা শাসনকে আলাদা মর্যাদা এনে দেয়। এটি কোনো একক সময়ের বিষয় নয়; বরং নেতৃত্বের সর্বজনীন নৈতিক মানদণ্ড স্থাপন করে। ইতিহাসে দেখা যায়, যখন নেতৃত্বে থাকা ব্যক্তিরা সৎ, দায়িত্বশীল ও সংযমী ছিলেন, তখন সমাজে স্থিতিশীলতা এসেছে, অর্থনীতি বিকশিত হয়েছে এবং নাগরিকদের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা গড়ে উঠেছে। বিপরীতভাবে, যখন নেতৃত্বে এসেছে লোভ, মিথ্যাচার ও ক্ষমতার অপব্যবহার, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দুর্বল হয়েছে, সামাজিক বন্ধন ক্ষয়প্রাপ্ত হয়েছে এবং সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষমতার অপব্যবহার কেবল প্রশাসনিক ব্যর্থতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না; এটি ধীরে ধীরে সমাজের নৈতিক কাঠামো ভেঙে দেয়।যখন মানুষ দেখে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা জবাবদিহির বাইরে থেকে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, তখন আইনের প্রতি শ্রদ্ধা কমে যায়, ন্যায়বোধ দুর্বল হয়ে পড়ে। এই প্রেক্ষাপটে নির্বাচন কেবল আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক প্রক্রিয়া নয়। এটি হলো এমন একটি মুহূর্ত, যেখানে সমাজ ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের বিষয়ে বিবেক ও নৈতিকতা যাচাই করে। এটি ক্ষমতা হস্তান্তরের একটি প্রাতিষ্ঠানিক পদ্ধতি হলেও এর অন্তর্নিহিত তাৎপর্য অনেক গভীর। 
সমাজে সমস্যা প্রায়ই প্রতিভার অভাবে নয়; বরং সমস্যা দেখা দেয় বারবার অযোগ্য, অনৈতিক বা দায়িত্বহীন ব্যক্তিদের দায়িত্বে বসানোর ফলে। ভালো শাসনের জন্য নিখুঁত মানুষ প্রয়োজন নয়; বরং প্রয়োজন এমন নেতা, যারা বোঝেন-ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়, রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয় এবং দায়িত্বের সঙ্গে হিসাবদানের বাধ্যবাধকতা অতি গুরুত্বপূর্ণ। ইতিহাসের বিচার সব সময়ই নিরপেক্ষ। এটি আমাদের কাছে জানতে চায় না-আমরা কোন পক্ষের সমর্থক ছিলাম। ইতিহাসের একমাত্র প্রশ্ন হলো-সুযোগ পেয়েও আমরা বিবেক ও বুদ্ধির আলোকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছি কিনা। এই প্রশ্নের উত্তরই আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নৈতিক ও সামাজিক ভিত্তি নির্ধারণ করে। সুতরাং সৎ নেতৃত্ব ইতিহাসে একেকটি পিলার হয়ে অমর থাকে। তারা শুধু নিজেদের সময়ের নয়, ভবিষ্যতেরও ভিত্তি নির্মাণ করে।
আধুনিক প্রযুক্তি পণ্যের ব্যবহারে মানুষের মূল্যবোধেও পরিবর্তন আসছে। মানুষ মানুষের ওপর আস্থা হারাচ্ছে; সততা ও আদর্শের অভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। আমরা দুর্নীতি,স্বজনপ্রীতি,চরমপন্থা,সহিংসতা ও অনৈতিকতায় জড়িয়ে পড়ছি। নীতি, নৈতিকতা, মানবতা, সহানুভূতি, সহযোগিতা, সহমর্মিতা ও দয়ার মতো মানবিক গুণাবলি দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে, যাকে সমাজবিজ্ঞানীরা সামাজিক পুঁজির সংকট বলে বর্ণনা করেছেন। এ সংকট কতদিন চলবে তা এখনই বলা মুশকিল। তবে এ কথা বলাই যায়, স্মার্ট প্রযুক্তির যুগে এসে আমাদের পূর্বেকার সংস্কৃতি বিলুপ্ত হতে বসেছে। এজন্য এখন আর কেউ সিনেমা হলে গিয়ে সিনেমা দেখতে আগ্রহী হয় না। বাঙালির আবহমান সংস্কৃতি যেমন-গান, নাটক ও সিনেমার ফিউশন তৈরি করা হলেও তা আর আগের মতো আবেদন রাখতে পারছে না। আগে যেসব নাটক, গান, যাত্রাপালা ও সিনেমা আমাদের আকৃষ্ট করত, আমাদের মানবিক হওয়ার শিক্ষা দিত, আত্মিক উন্নতি ঘটাত, সেরকম এখন আর আবেদন সৃষ্টি করতে পারছে না। 
ফলে তরুণ প্রজন্মের অনেকের মধ্যে এক ধরনের আত্মিক ও নৈতিক শূন্যতা বিরাজ করছে। বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর অবস্থাও একই রকম। এ যেন এক ক্রান্তিকাল। কতদিন এ অবস্থা চলবে, সেটা নির্ভর করবে নতুন সংস্কৃতিতে ব্যাপক জনগোষ্ঠীর সম্পৃক্ততার ওপর।
কম বেশি আমাদের সবারই জানা, মানবসভ্যতার ইতিহাসে তিনটি বড় শিল্পবিপ্লব গোটা দুনিয়ার গতিপথ ব্যাপকভাবে পালটে দিয়েছিল। প্রথম শিল্পবিপ্লব ঘটেছিল ১৭৬০ থেকে ১৮৪০ সালের মধ্যে। দ্বিতীয় শিল্পবিপ্লব ঘটেছিল ১৮৭১ থেকে ১৯১৪ সালের মধ্যে। তৃতীয় শিল্পবিপ্লব ঘটে ১৯৬৯ সালে ইন্টারনেটের আবিষ্কার ও ১৯৯০ সালে এর বাণিজ্যিক ব্যবহার অবমুক্ত করার মাধ্যমে। ইন্টারনেটের আবিষ্কার বিপ্লবের গতিকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। সমাজের সব শ্রেণির মানুষ এখন ডিজিটাল বিপ্লবের সুবিধাভোগী। তরুণ প্রজন্ম বিশেষ করে মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের একটি বৃহৎ অংশ ইন্টারনেট প্রযুক্তির সঙ্গে সংযুক্ত। লেখাপড়ার পাশাপাশি তারা অন্যান্য বিষয়েও আসক্ত হচ্ছে। অপরদিকে, ঘরে ঘরে ডিশ বা কেবল সংযোগের মাধ্যমে বিদেশি টিভি চ্যানেলে প্রচারিত নাটক, সিনেমা আমাদের ভাবনাজগতেও পরিবর্তন হচ্ছে। ওটিটি প্লাটফরমে এখন আমরা সিনেমা দেখে অভ্যস্ত হয়ে যাচ্ছি; যেসব সিনেমার বেশিরভাগই আমাদের আবহমান সংস্কৃতির সঙ্গে মানানসই নয়, তবু তাতেই আকৃষ্ট হচ্ছি। ইন্টারনেটের গুগল বা যে কোনো সার্চ ইঞ্জিনে ঢুকলেই সেগুলোর বিজ্ঞাপন অযাচিতভাবেই আমাদের চোখে পড়ছে। কৌতূহলবশত কেউ যদি সেখানে ঢুকে দেখতে চাই, তাহলে খুব একটা দোষ দেওয়া যায় কি? অনেকে পর্নোগ্রাফিতেও আসক্ত হয়ে পড়ছে। এ ছাড়া অনলাইন গেমস ও জুয়াতে আসক্তিও বৃদ্ধি পেয়েছে। এভাবে আমাদের অগোচরেই কিছু বিষয় আমাদের মাথায় ঢুকে যাচ্ছে, যা আমাদের আচার-আচরণে পরিবর্তন আনছে। আমাদের দেশের সিংহভাগ মানুষ এখনো ডিজিটালি সচেতন নয়। ইন্টারনেটে তারা কী দেখছে তা আমরা জানি না।
এ সম্পর্কিত কোনো গবেষণাও আমাদের দেশে হয়েছে বলে জানা নেই। সেইসঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এখনো অবধি ইন্টারনেটের নিরাপদ ব্যবহারসংক্রান্ত কোনো শিক্ষা দেওয়া হয় বলে জানা নেই। সরকারিভাবেও কোনো উদ্যোগ আছে বলে জানা নেই।এসবের একটা নেতিবাচক প্রভাব যে রয়েছে সে বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেছেন। এ যুগে গোপনীয়তা রক্ষা করা খুব কঠিন হয়ে পড়ছে। নতুন এ কঠিন পরিস্থিতিতে গোপনীয়তার সংজ্ঞাও বদলে যাবে। আগের মতো অনেক কিছুকে আর গোপনীয় বলে রক্ষা করতে পারব না আমরা। সবকিছুই খোলামেলা হয়ে গেলে মূল্যবোধকেও নতুন করে সংজ্ঞায়িত করার প্রয়োজন পড়বে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কোনো নৈতিকতা দিয়ে চলবে না, চলবে গাণিতিক নিয়মে। মূল্যবোধহীন যান্ত্রিক মেধার অবারিত বিকাশ সামাজিক দায়বদ্ধতার যেটুকু অবশিষ্ট আছে, তার বিলোপ ঘটাতে পারে। ফলে মূল্যবোধের চর্চার পরিবর্তে গুরুত্ব পাবে বাণিজ্য।বাণিজ্যমনস্কতা আগামীতে আরও প্রকট হতে পারে। যন্ত্রের ওপর নির্ভরশীলতার কারণে মূল্যবোধ ও অবক্ষয়ের ব্যবধান কমে যেতে পারে।এমনকি মানবমনের বিবিধ চাহিদাই হয়ে উঠতে পারে মূল্যবোধের নতুন ভিত্তি। ঔপনিবেশিক রাষ্ট্র যখন উপনিবেশে সংঘাত সৃষ্টি করেছে ও লুটপাট অব্যাহত রেখেছে, তখন ইউরোপের বস্তুবাদী নাগরিক তা নিয়ে মাথা ঘামায়নি, কেননা তাতে আর্থিক মুনাফার যোগ ছিল। আর্থিক মুনাফাই নৈতিকতার সীমা ঠিক করে দিয়েছিল। পশ্চিমা পুঁজিবাদী দেশগুলো এভাবে রূপান্তরের মধ্য দিয়ে গেছে, যার বর্তমান নীতি হলো, ব্যক্তি ও ব্যবসার যে কোনো চাহিদাই নৈতিকতার ভরকেন্দ্র, হোক তা আগের মানদণ্ডে অনৈতিক। আমাদের দেশেও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারকারী বিশাল এক জনগোষ্ঠীর মানস জগতে ঘটে গেছে ব্যাপক পরিবর্তন। ফলে সমাজে প্রচলিত মূল্যবোধ ও নীতি, নৈতিকতার সঙ্গে এক ধরনের সংঘাত তৈরি হয়েছে।
অন্য কথায় বলতে গেলে, বস্তুগত সংস্কৃতি ও অবস্তুগত সংস্কৃতির পার্থক্য থেকে সাংস্কৃতিক ব্যবধান তৈরি হচ্ছে। প্রযুক্তি যেহেতু বস্তুগত সংস্কৃতি, সেই প্রযুক্তির যথার্থ ব্যবহার এখনো আমরা নিশ্চিত করতে পারিনি। কতদিনে এ দুই সংস্কৃতির ব্যবধান দূর হবে তা নির্ভর করছে আমাদের মানস জগতের ইতিবাচক ও প্রগতিমুখী পরিবর্তনের ওপরে। নৈতিকতা ও সামাজিক দায়িত্ববোধ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সুতরাং সামাজিক অনাচার- পাপাচার রোধকল্পে সমাজপতিদের দায়িত্ব অপরিসীম। সুস্থ, চরিত্রবান ও আদর্শ সমাজ গড়ে তোলার জন্য সর্বপ্রকারের অপরাধ নির্মূল করা ছাড়া উপায় নেই। এসব দায়িত্ব পালনে আন্তরিকতা, নিষ্ঠা, কর্মতৎপরতা ও সৎসাহস প্রদর্শন করা একান্ত প্রয়োজন। ব্যক্তিগত থেকে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয়, সর্বত্র নৈতিক শিক্ষার পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। তা হলেই সুন্দর, সফল, কল্যাণকর ও সুখী সমাজ গঠন করা সম্ভব।
লেখক: গবেষক ও কলাম লেখক, যুক্তরাজ্য 

Aminur / Aminur

বঙ্গশারদুল মেজর গনি: বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অবদান

ফিরে দেখা দুই হাজার পঁচিশ

জাতি একজন মহান অভিভাবককে হারালো

পরিবেশ দূষণ ও জনস্বাস্থ্য: বিপন্ন জনপদ ও আমাদের করণীয়

ম্যাডাম খালেদা জিয়া নেই: জাতীয় ঐক্যের এক অভিভাবকের বিদায়

বেগম খালেদা জিয়া: রাষ্ট্র, গণতন্ত্র ও প্রতিরোধের দীর্ঘ ইতিহাস

স্মার্ট প্রযুক্তির যুগে বিবেক ও নৈতিকতা

সংকট কালের স্থিতিশীল নেতৃত্বে তারেক রহমান

স্বদেশে প্রত্যাবর্তন ও রাষ্ট্রচিন্তা: তারেক রহমান এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতি

নিরাপদ বাংলাদেশ বিনির্মাণে তারেক রহমানের স্বপ্ন ও বাস্তবায়ন

স্বৈরাচার মরে না, বারবার ফিরে আসে

আইনশৃঙ্খলা, ন্যায়বিচার ও জনআস্থা: হাদীর রাজনৈতিক দর্শন

গণতন্ত্রে উত্তরণে ঐক্যের বিকল্প নেই