মামদানির ঐতিহাসিক অভিষেক ও ভবিষ্যত চ্যালেঞ্জ
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক নগরের মেয়র নির্বাচনে সবাইকে চমকে দিয়ে ডেমোক্রেটিক দলের প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছিলেন জোহরান মামদানি। আর গত নভেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে গড়েছেন ইতিহাস। যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে জনবহুল নগরীর প্রথম মুসলিম মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। মেয়র নির্বাচনের লড়াইয়ে নামার পর থেকে আলোচিত মামদানি যে ভাষণটি দিয়েছেন, তা এক ঐতিহাসিক দলিল হয়ে থাকবে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম শহর নিউইয়র্কের মেয়র হিসেবে শপথ নিয়ে ঐতিহাসিক এই ভাষণ দেন জোহরান মামদানি। এই শপথের মধ্য দিয়ে ইতিহাসের অংশ হলেন এই ডেমোক্রেট। এই নগরের তিনিই প্রথম মুসলমান মেয়র; এই পদে দক্ষিণ এশিয়া বংশোদ্ভূত ব্যক্তি হিসেবেও তিনিই প্রথম। বছরের প্রথম দিনে পবিত্র কোরআনে হাত রেখে শপথ নেওয়ার পর নিউইয়র্ক সিটি হলে অভিষেক ভাষণ দিতে আসেন মামদানি। ৩৪ বছর বয়সী ডেমোক্রেটিক সোশ্যালিস্ট মামদানিকে শপথ পড়ান ভারমন্টের সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স, যাঁদের রয়েছে আদর্শিক অবস্থানের মিল।বয়সে অপেক্ষাকৃত তরুণ জোহরান মামদানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে নিজের এমন এক অকৃত্রিম ও প্রাণবন্ত ভাবমূর্তি তৈরি করেছেন, যা নিউইয়র্কের মানুষদের আকৃষ্ট করেছে। বিশেষ করে সারা দিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ডুবে থাকা তরুণ প্রজন্মের সমর্থন আদায়ে সফল হয়েছে তাঁর এ প্রচার কৌশল। জোহরান মামদানি শুধু একজন রাজনীতিক নন, তরুণ প্রজন্মের আইকনও। বার্তা সংস্থা এপির একটি জরিপ বলছে, নিউইয়র্কের ৩০ বছরের কম বয়সী ভোটারদের তিন চতুর্থাংশই তাঁকে ভোট দিয়েছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জোহরানের ব্যক্তিত্ব প্রথাগত রাজনীতিকদের চেয়ে একেবারে আলাদা, যা তরুণদের বেশি আকৃষ্ট করেছে। প্রথম মেয়র হিসেবে পবিত্র কোরআন ছুঁয়ে শপথ নিয়ে তিনি ইতিহাস গড়েছেন।
নির্বাচনী প্রচারের সময় ডোনাল্ড ট্রাম্প মামদানিকে উগ্রপন্থী উন্মাদ বলে আখ্যা দিয়েছিলেন। এমনকি তিনি মেয়র হলে নিউইয়র্ক নগরের জন্য ফেডারেল তহবিল বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও এসেছিল হোয়াইট হাউস থেকে। মামদানিও ছেড়ে কথা বলেননি। কিন্ত নভেম্বরে এক রুদ্ধদ্বার বৈঠকের পর সুর কিছুটা নরম হয়েছে দুই নেতারই। বিশ্লেষকেরা বলছেন, নিউইয়র্কের আবাসন সংকট কাটাতে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে মামদানিকে হয়তো বাস্তববাদী পথেই হাঁটতে হবে।আমেরিকান ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক জেন হল বলেন, বয়োজ্যেষ্ঠ ও প্রতিষ্ঠিত প্রার্থীদের নিয়ে হতাশ ছিলেন তরুণ প্রজন্মের ভোটাররা। এমন পরিস্থিতিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শক্তিশালী প্রচার কৌশল জোহরান মামদানিকে তরুণদের কাছে তাঁদের কাঙ্ক্ষিত প্রার্থী হিসেবে উপস্থাপন করেছে। জেন হল আরও বলেন, তরুণ ভোটারদের কাছে টানতে প্রার্থীকে তরুণ হতে হয় না। তবে তাঁর ব্যক্তিত্ব হতে হবে অকৃত্রিম। মানুষের গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাগুলো নিয়ে আধুনিক ও আকর্ষণীয়ভাবে কথা বলতে হবে। নিউ জার্সির রাটগার্স ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক জ্যাক ব্র্যাটিচ বলেন,'মামদানি অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে হালকা মেজাজের রসিকতায় গুরুগম্ভীর বিষয় নিয়ে কথা বলার দক্ষতা দেখিয়েছেন'। নিউইয়র্কের সিরাকিউস ইউনিভার্সিটির যোগাযোগ,রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও অলংকার শাস্ত্রের অধ্যাপক জেনিফার স্ট্রোমার গ্যালে বলেন, 'মামদানির এ প্রাণবন্ত ব্যক্তিত্ব প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নেতিবাচক প্রচারণার একেবারে বিপরীত'।
তবে জোহরান মামদানি হোয়াইট হাউসের সঙ্গে কীভাবে সমন্বয় করবেন এবং প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কেমন হবে-এর ওপরই তাঁর নির্বাচনী এজেন্ডাগুলোর বাস্তবায়ন অনেকাংশে নির্ভর করবে। কিন্তু একটি বৈরী প্রশাসনের অধীন সরকার পরিচালনা করা অনেক বেশি কঠিন। আর এ বিষয়টি মামদানি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ভিডিওতে তুলে ধরা না হলে যে তরুণেরা তাঁকে ভাইরাল করেছেন, তাঁরাই খুব দ্রুত মোহভঙ্গ শেষে তাঁর বিরুদ্ধে চলে যেতে পারেন।গবেষণাপ্রতিষ্ঠান এনওয়াইইউ সেন্টার ফর সোশ্যাল মিডিয়া অ্যান্ড পলিটিকসের সহপরিচালক জোনাথন নাগলার বলেন,'দাপ্তরিক কাজে সফল হতে মামদানিকে তাঁর সমর্থকদের দৈনন্দিন শাসনকাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত রাখতে হবে'। অনেকে বলছেন,ট্রাম্পের বিরোধিতা করে মানুষকে রাস্তায় নামানো সহজ। কিন্তু সিটি কাউন্সিলের আমলাতান্ত্রিক জটিলতা তাঁদের বোঝানো কঠিন। মামদানির আসল পরীক্ষা হবে সেখানেই। তিনি কি পারবেন তাঁর এক লাখ স্বেচ্ছাসেবককে শুধু লাইক-শেয়ারে সীমাবদ্ধ না রেখে মাঠের কাজে সক্রিয় রাখতে? ইতিমধ্যে মামদানির সমর্থকেরা ‘আওয়ার টাইম ফর অ্যান অ্যাফোর্ডেবল এনওয়াইসি’ নামের একটি অলাভজনক সংস্থা গড়ে তুলেছেন। তাঁদের লক্ষ্য, মেয়রের আবাসন নীতি বাস্তবায়নে জনমত গড়ে তোলা। ইতিহাসের সাক্ষী হতে মামদানির শপথ অনুষ্ঠানে ভিড় করেছিলেন অর্ধলাখ মানুষ। তবে অধ্যাপক আইওনা লিটারেট সতর্ক করে বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রতিশ্রুতির সঙ্গে মেয়রের কাজের মিল না থাকলে এই ভাইরাল সমর্থন দ্রুতই ক্ষোভে রূপ নিতে পারে। মামদানি বলেন, পরিবর্তন ও পুনর্গঠনের এমন সুযোগ আমদের খুব কমই আসে। আর আরও বিরল হলো সেই সময়, যখন পরিবর্তনের চাবিগুলো নিজের হাতে ধরে রাখে জনগণই।
মামদানি বলেন, 'আজ থেকে আমাদের প্রশাসন হবে সাহসী। আমরা সব সময় সফল না-ও হতে পারি, কিন্তু সামনে এগিয়ে চলার সাহসের অভাবের কথা যেন কেউ বলতে না পারে'। যাঁরা বলেন, বড় সরকারের যুগ শেষ, আমি তাঁদের স্পষ্ট করে বলতে চাই, নিউইয়র্কবাসীর জীবনমান উন্নত করতে সিটি হল কর্তৃপক্ষ তার ক্ষমতার সবটুকু ব্যবহার করবে। দীর্ঘদিন ধরে আমরা শ্রেষ্ঠত্বের জন্য বেসরকারি খাতের দিকে তাকিয়ে থেকেছি, আর যাঁরা জনগণের সেবা করেন, তাঁদের কাছ থেকে কেবল গড়পড়তা কাজই মেনে নিয়েছি। যাঁরা সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন কিংবা কয়েক দশকের উদাসীনতার কারণে গণতন্ত্রের ওপর যাঁদের আস্থা হারিয়ে গেছে, আমি তাঁদের কাউকে দোষ দিতে পারি না। আমরা একটি ভিন্ন পথে চলার মাধ্যমে সেই বিশ্বাস ফিরিয়ে আনব। এমন এক পথে হাঁটব, যেখানে সরকার কেবল অসহায় মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল হয়েই থাকবে না, বরং যেখানে শ্রেষ্ঠত্ব আর কোনো ব্যতিক্রমী ঘটনা হবে না।আমরা শ্রেষ্ঠত্ব আশা করব মসলা পেষা রাঁধুনিদের কাছ থেকে, ব্রডওয়ের মঞ্চে ওঠা শিল্পীদের কাছ থেকে, ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনের প্রহরীদের কাছ থেকে। সরকারে কাজ করা মানুষের কাছ থেকেও সেটাই চাইব। ‘সিটি হল’ শব্দটিকে আমরা সমাধান ও ফলাফলের প্রতিশব্দে পরিণত করব। ১২ বছর আগে বিল ডি ব্লাসিও ঠিক এখানেই দাঁড়িয়ে এই শহরকে দুই ভাগ করা অর্থনৈতিক ও সামাজিক বৈষম্য শেষ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। ১৯৯০ সালে ডেভিড ডিংকিন্স মামদানির মতোই শপথ বাক্যগুলো পাঠ করেছিলেন, নিউইয়র্ককে বৈচিত্র্যময় শহর হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছিলেন তিনি, যেখানে প্রত্যেকেই সম্মানজনক জীবন যাপন করবে। আর প্রায় ছয় দশক আগে ফিওরেলো লা গার্ডিয়া ক্ষমতায় এসে ক্ষুধার্ত ও দরিদ্র মানুষের জন্য আরও মহান ও সুন্দর শহর গড়ার লক্ষ্য নিয়েছিলেন। এই মেয়রদের কেউ কেউ অন্যদের চেয়ে বেশি সফল ছিলেন।
কিন্তু এই বিশ্বাসে তাঁরা ছিলেন অভিন্ন, তা হলো, নিউইয়র্ক কেবল মুষ্টিমেয় সুবিধাভোগীদের জন্য নয়। এই শহর তাঁদেরও, যাঁরা সাবওয়ে ট্রেন চালান, পার্ক পরিষ্কার করেন; যাঁরা বিরিয়ানি আর বিফ প্যাটি, কিংবা পিকানহা এবং রাই ব্রেডের পাস্তরামি খাইয়ে তৃপ্ত করেন। তাঁরা জানতেন যে এই বিশ্বাস তখনই বাস্তবে রূপ পাবে, যদি সরকার সেসব পরিশ্রমী মানুষের জন্য কঠোর পরিশ্রম করার সাহস দেখায়। আগামী বছরগুলোয় মামদানির প্রশাসন সেই উত্তরাধিকার পুনরুজ্জীবিত করবে। সিটি হল দেবে নিরাপত্তা, সাশ্রয়যোগ্যতা ও প্রাচুর্যের কর্মসূচি, যেখানে সরকার হবে যাদের প্রতিনিধিত্ব করে, তাদের মতো; করপোরেট লোভের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কখনো পিছু হটবে না; আর যেসব চ্যালেঞ্জকে অন্যরা জটিল বলে এড়িয়ে গেছে, সেগুলোর সামনে মাথানত করবে না। এভাবেই মামদানি সেই পুরোনো প্রশ্নের নিজেদের উত্তর দেবেন। এটি কেবল ১ শতাংশের দ্বারা শাসিত এক শহরের গল্প হবে না। আবার ধনী বনাম গরিব-দুটি শহরের গল্পও হবে না। এটি হবে ৮৫ লাখ শহরের গল্প-প্রত্যেকেই একজন নিউইয়র্কবাসী, প্রত্যেকেরই আশা ও ভয় আছে, প্রত্যেকেই একটি মহাবিশ্ব, আর সবাই গাঁথা থাকবে একে অন্যের সঙ্গে। এই ৮৫ লাখ মানুষের খুব কমই এক ঝুড়িতে থাকতে পারবেন। কেউ কেউ হবেন হিলসাইড অ্যাভিনিউ বা ফোর্ডহ্যাম রোডের ভোটার, যাঁরা এক বছর আগে ট্রাম্পকে ভোট দিয়ে নিজেদের দলের ব্যর্থতায় ক্লান্ত হয়ে শেষে মামদানিকে ভোট দিয়েছেন। অধিকাংশই সেই ভাষায় কথা বলবেন না,যেটা আমরা ক্ষমতাবানদের কাছ থেকে আশা করি।মামদানি এই পরিবর্তনকে স্বাগত জানিয়েছেন, যেখানে দীর্ঘদিন ধরে ভদ্রতার সুন্দর বচনে আড়াল করে রাখা হয়েছে নিষ্ঠুরতাকে। তাঁদের অনেকেই প্রতিষ্ঠিত ব্যবস্থার কাছে বিশ্বাসঘাতকতার শিকার হয়েছেন। কিন্তু মামদানির প্রশাসনে তাঁদের কথাও শুনবেন। তাঁদের আশা, স্বপ্ন ও স্বার্থ স্বচ্ছভাবে সরকারের মধ্যে প্রতিফলিত হবে। তাঁরাই গড়বেন নিউইয়র্কের ভবিষ্যৎ।
৩৪ বছর বয়সী জোহরান মামদানি নিজেকে চেনাচ্ছেন এভাবেই, এক বছরেরও বেশি আগে শুরু হওয়া এই আন্দোলন আমাদের নির্বাচনে শেষ হয়নি। আজও শেষ হবে না। এটি বেঁচে থাকবে, প্রতিটি লড়াইয়ে আমরা একসঙ্গে লড়ব; প্রতিটি তুষারঝড় ও বন্যা একসঙ্গে মোকাবিলা করব; প্রতিটি আর্থিক সংকট অতিক্রম করব একসঙ্গে, উচ্চাকাঙ্ক্ষা দিয়ে, কৃচ্ছ্রসাধন নয়; আর শ্রমজীবী মানুষের স্বার্থে প্রতিটি পরিবর্তন একসঙ্গে সাধন করব, তবে তাদের ক্ষতির বিনিময়ে নয়। আজ থেকে আমরা বিজয়কে খুব সহজভাবে সংজ্ঞায়িত করব, এমন কিছু যা জীবন বদলে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে, এবং এমন কিছু যা অর্জনের জন্য আমাদের প্রত্যেককে প্রতিদিন প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। আমরা একসঙ্গে যা অর্জন করব,তা স্থানীয় কাউন্সিল জুড়ে প্রতিধ্বনিত হবে এবং তার বাইরেও ছড়িয়ে পড়বে। অনেকে তাকিয়ে আছে। তারা জানতে চায়, বামপন্থা কি শাসন করতে পারে? তারা জানতে চায়, তাদের যন্ত্রণা কি উপশনযোগ্য? তারা জানতে চায়, আবার আশাবাদী হওয়া কি ঠিক হবে?তাই পেছনে নেওয়ার হাওয়ার সামনে আমরা একসঙ্গে দাঁড়িয়ে আমরা এমন কিছু করব, যা নিউইয়র্কবাসীরা সবার চেয়ে ভালো পারেন, আমরা বিশ্বের সামনে নজির তুলে ধরব। যদি সিনাত্রার কথা সত্য হয়, তবে প্রমাণ করি নিউইয়র্কে যে কেউ সফল হতে পারে, আর অন্য জায়গাতেও।
লেখক: গবেষক ও কলাম লেখক, যুক্তরাজ্য
Aminur / Aminur
রাজনীতি মানেই কি ক্ষমতার লড়াই?
অধিক আসনের হিসাব না গ্রহণযোগ্য নির্বাচন- তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি কোন পথে?
মামদানির ঐতিহাসিক অভিষেক ও ভবিষ্যত চ্যালেঞ্জ
বঙ্গশারদুল মেজর গনি: বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অবদান
ফিরে দেখা দুই হাজার পঁচিশ
জাতি একজন মহান অভিভাবককে হারালো
পরিবেশ দূষণ ও জনস্বাস্থ্য: বিপন্ন জনপদ ও আমাদের করণীয়
ম্যাডাম খালেদা জিয়া নেই: জাতীয় ঐক্যের এক অভিভাবকের বিদায়
বেগম খালেদা জিয়া: রাষ্ট্র, গণতন্ত্র ও প্রতিরোধের দীর্ঘ ইতিহাস
স্মার্ট প্রযুক্তির যুগে বিবেক ও নৈতিকতা
সংকট কালের স্থিতিশীল নেতৃত্বে তারেক রহমান
স্বদেশে প্রত্যাবর্তন ও রাষ্ট্রচিন্তা: তারেক রহমান এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতি