ঢাকা শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২৬

অবশেষে বারহাট্টার প্রকৃতিতে দেখা মিলল সূর্যের, জনমনে স্বস্তি


বারহাট্টা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি photo বারহাট্টা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৭-১-২০২৬ বিকাল ৫:২৬

টানা কয়েক দিন ধরে ঘন কুয়াশা আর উত্তরের হিমেল হাওয়া বয়ে যাওয়ার পর অবশেষে ঘন কুয়াশার পর্দা ভেদ করে সকাল থেকে সূর্যের কোমল আলো ফুটেছে বারহাট্টার জনপদে।
টানা দুই সপ্তাহ জুড়েই চলছিলো সূর্যের লুকোচুরি। দিনভর কনকনে শীতল হাওয়ার সাথে ঘন কুয়াশায় স্থবির হয়ে পড়েছিল জনজীবন। দুই সপ্তাহ প্রতিক্ষার পর পূর্ব আকাশে ঝলমলে রোদের দেখা পেয়েই চারপাশে ছড়িয়ে পড়েছে উষ্ণতা। তাপমাত্রা বেশি না কমলেও সূর্যের আলোয় উষ্ণতার পরশ পেয়ে স্বস্তি পেয়েছেন সাধারণ মানুষ। কর্মজীবীদের কাজে যেতে বেগ পেতে হয়েছে কম। সূর্যের দেখা পেয়ে কৃষক, দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষসহ সাধারণ মানুষের মনে স্বস্তি এসেছে।
সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সূর্য ওঠার পরে লোকজন ঘরের বাইরে এসে রোদ পোহাচ্ছেন। পাশাপাশি কাজে নেমে পড়তে দেখা গেছে অনেককেই। হাটবাজার ও গ্রামগুলিতে ফিরেছে কর্মব্যস্ততা। সেই সঙ্গে গৃহিণীরা কাপড় ধোঁয়া ও শুকানোর কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। সড়কে বেড়ে গেছে মানুষ ও যান চলাচল।
উপজেলা সদরের গোপালপুর এলাকার রিকশাচালক মৌজ আলী, কাশবন এলাকার অটোচালক আব্দুল করিমসহ কয়েকজনের সাথে কথা বললে তারা সকালের সময়কে বলেন, টানা দুই সপ্তাহ কুয়াশা আর শীতে আটকে ছিলাম। আজ সূর্যের আলো দেখলাম, মনে হচ্ছে জীবন ফিরে এলো। এই রোদ যেন ক্লান্ত শরীর আর হাড়কাঁপানো শীতকে কিছুক্ষণের জন্য হলেও ভুলিয়ে দিলো।
তারা আরও বলেন, গত কয়েক দিনের শীতে যাত্রী কম ও শীতল বাতাস বইছিল তাই রিকশা, অটোরিকশা চালাতে পারছিলাম না। আজ সূর্যের দেখা মিলায় আবহাওয়াটা খুব ভালো লাগছে।
উপজেলা সদরের গোপালপুর এলাকার চা বিক্রেতা গোলাম আজাদ, আন্দাদিয়া এলাকার মিষ্টি ব্যবসায়ী মনসুর আলী, বাউসী এলাকার মুদি দোকানি সজল সরকার, চা বিক্রেতা জজ মিয়ার সাথে কথা বললে তারা জানান, গত কয়েক দিনের ঠান্ডাটা মারাত্মকভাবে মানুষকে কাবু করছে। বাইরে এতটাই ঠান্ডা বাতাস বইছে যে, গরম কাপড় পরেও ঠান্ডা কমছে না। অন্যান্য বছরে এত শীত পড়েনি। আজকে রোদ দেখার সঙ্গে সঙ্গে বাইরে এসে বসে আছি। সূর্যের তাপটা খুবই মিষ্টি লাগছে। যতক্ষণ রোদ থাকে ততক্ষণ একটু শরীরটা গরম করে নেওয়ার চেষ্টা করছি।
সদরের রসুলপুর গ্রামের রাজমিস্ত্রি মিজান, গড়মা গ্রামের কৃষক তপন সরকার বলেন, আমরা প্রতিদিন সকালে কাজে যাই। শীতের প্রখর ঠান্ডায় কাজে যাওয়াটা সত্যিই খুব কষ্টকর। শীতে হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যায়। কয়েকদিন ধরেই এমন শীত ছিল যে, সূর্য দেখা যাচ্ছিল না। কিন্তু কয়েক দিন পর সূর্যের মুখ দেখলাম এবং হালকা আলো ও উষ্ণতা অনুভব করতে পারলাম।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার শীতের প্রকোপ অনেকটাই বেশি। চলতি মৌসুমে টানা কয়েকদিন সূর্যের দেখা না পাওয়ায় জনগণের ভোগান্তি অনেক বেড়েছে। তবে আজকের আবহাওয়াটা মানুষের জন্য স্বস্তির।

এমএসএম / এমএসএম

আন্ধারিঝার ইউনিয়নে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

উল্লাপাড়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সনদ দিতে অর্থ আদায়ের অভিযোগ

বিএনপি প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন নাঃ আইনজীবী

কোম্পানীগঞ্জে এতিমখানা মাদ্রাসায় অভিভাবক সমাবেশ ও হাফেজদের পাগড়ি প্রদান

আল্লাহর মহান আওলিয়াগনের জীবনী তুলে ধরতে ইমাম শেরে বাংলা (রহঃ) সুন্নী কনফারেন্স

নাটোর- ৩ (সিংড়া) আসনে ১১ দলীয় জোটে জামায়াতের শক্ত অবস্থান

রৌমারীতে তিন দিন পর পুকুর থেকে বৃদ্ধনারীর লাশ উদ্ধার

গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে ঝুট গোডাউনে ভয়াবহ আগুন নিয়ন্ত্রণে ৬ ইউনিট

ঠাকুরগাঁওয়ে ‘আলমগীর ফর টুমোরো’ ওয়েবসাইট উদ্বোধন

মুকসুদপুরে ২দিনব্যাপী জাতীয় শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

চন্দনাইশে কার মাইক্রো-হাইচ শ্রমিক সমবায় সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত

ত্রিশালে করিম-বানু ফাউন্ডেশনের শীতবস্ত্র বিতরণ

শেরপুরের শ্রীবরদী সীমান্তে বন্য হাতির পায়ে পিষ্ট হয়ে কৃষকের মৃত্যু