ঢাকা বৃহষ্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬

অবশেষে বারহাট্টার প্রকৃতিতে দেখা মিলল সূর্যের, জনমনে স্বস্তি


বারহাট্টা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি photo বারহাট্টা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৭-১-২০২৬ বিকাল ৫:২৬

টানা কয়েক দিন ধরে ঘন কুয়াশা আর উত্তরের হিমেল হাওয়া বয়ে যাওয়ার পর অবশেষে ঘন কুয়াশার পর্দা ভেদ করে সকাল থেকে সূর্যের কোমল আলো ফুটেছে বারহাট্টার জনপদে।
টানা দুই সপ্তাহ জুড়েই চলছিলো সূর্যের লুকোচুরি। দিনভর কনকনে শীতল হাওয়ার সাথে ঘন কুয়াশায় স্থবির হয়ে পড়েছিল জনজীবন। দুই সপ্তাহ প্রতিক্ষার পর পূর্ব আকাশে ঝলমলে রোদের দেখা পেয়েই চারপাশে ছড়িয়ে পড়েছে উষ্ণতা। তাপমাত্রা বেশি না কমলেও সূর্যের আলোয় উষ্ণতার পরশ পেয়ে স্বস্তি পেয়েছেন সাধারণ মানুষ। কর্মজীবীদের কাজে যেতে বেগ পেতে হয়েছে কম। সূর্যের দেখা পেয়ে কৃষক, দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষসহ সাধারণ মানুষের মনে স্বস্তি এসেছে।
সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সূর্য ওঠার পরে লোকজন ঘরের বাইরে এসে রোদ পোহাচ্ছেন। পাশাপাশি কাজে নেমে পড়তে দেখা গেছে অনেককেই। হাটবাজার ও গ্রামগুলিতে ফিরেছে কর্মব্যস্ততা। সেই সঙ্গে গৃহিণীরা কাপড় ধোঁয়া ও শুকানোর কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। সড়কে বেড়ে গেছে মানুষ ও যান চলাচল।
উপজেলা সদরের গোপালপুর এলাকার রিকশাচালক মৌজ আলী, কাশবন এলাকার অটোচালক আব্দুল করিমসহ কয়েকজনের সাথে কথা বললে তারা সকালের সময়কে বলেন, টানা দুই সপ্তাহ কুয়াশা আর শীতে আটকে ছিলাম। আজ সূর্যের আলো দেখলাম, মনে হচ্ছে জীবন ফিরে এলো। এই রোদ যেন ক্লান্ত শরীর আর হাড়কাঁপানো শীতকে কিছুক্ষণের জন্য হলেও ভুলিয়ে দিলো।
তারা আরও বলেন, গত কয়েক দিনের শীতে যাত্রী কম ও শীতল বাতাস বইছিল তাই রিকশা, অটোরিকশা চালাতে পারছিলাম না। আজ সূর্যের দেখা মিলায় আবহাওয়াটা খুব ভালো লাগছে।
উপজেলা সদরের গোপালপুর এলাকার চা বিক্রেতা গোলাম আজাদ, আন্দাদিয়া এলাকার মিষ্টি ব্যবসায়ী মনসুর আলী, বাউসী এলাকার মুদি দোকানি সজল সরকার, চা বিক্রেতা জজ মিয়ার সাথে কথা বললে তারা জানান, গত কয়েক দিনের ঠান্ডাটা মারাত্মকভাবে মানুষকে কাবু করছে। বাইরে এতটাই ঠান্ডা বাতাস বইছে যে, গরম কাপড় পরেও ঠান্ডা কমছে না। অন্যান্য বছরে এত শীত পড়েনি। আজকে রোদ দেখার সঙ্গে সঙ্গে বাইরে এসে বসে আছি। সূর্যের তাপটা খুবই মিষ্টি লাগছে। যতক্ষণ রোদ থাকে ততক্ষণ একটু শরীরটা গরম করে নেওয়ার চেষ্টা করছি।
সদরের রসুলপুর গ্রামের রাজমিস্ত্রি মিজান, গড়মা গ্রামের কৃষক তপন সরকার বলেন, আমরা প্রতিদিন সকালে কাজে যাই। শীতের প্রখর ঠান্ডায় কাজে যাওয়াটা সত্যিই খুব কষ্টকর। শীতে হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যায়। কয়েকদিন ধরেই এমন শীত ছিল যে, সূর্য দেখা যাচ্ছিল না। কিন্তু কয়েক দিন পর সূর্যের মুখ দেখলাম এবং হালকা আলো ও উষ্ণতা অনুভব করতে পারলাম।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার শীতের প্রকোপ অনেকটাই বেশি। চলতি মৌসুমে টানা কয়েকদিন সূর্যের দেখা না পাওয়ায় জনগণের ভোগান্তি অনেক বেড়েছে। তবে আজকের আবহাওয়াটা মানুষের জন্য স্বস্তির।

এমএসএম / এমএসএম

শরণখোলায় বজ্রপাতে ৪ গরুর মৃত্যু

শেরপুরে জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা ️ অনুষ্ঠিত

রায়গঞ্জে চালক হত্যায় অটোরিকশাসহ যুবক গ্রেপ্তার

কুমিল্লায় পানিতে বসে এসএসসি পরীক্ষা, পরিদর্শন ও ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে সমন্বয় কমিটি করবে সরকার: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

মরণফাঁদে পরিণত পাঁচুড়িয়া খাল: দেখার কি কেউ নেই..?

বাগেরহাট শহরে জলাবদ্ধতা, চরম দুর্ভোগে মানুষ কৃষকদের বোরো ধানের ক্ষতির আশংকা

লাকসামে পার্টনার কংগ্রেস ২০২৬ অনুষ্ঠিত

টুঙ্গিপাড়ায় ভেজালমুক্ত খাদ্যের দাবিতে র‍্যালি-মানববন্ধন

নওগাঁয় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশী অস্ত্রসহ সাত সদস্য গ্রেপ্তার

ঝড়ে লণ্ডভণ্ড কুমিল্লার বিদ্যুৎ ব্যবস্থা, ট্রান্সফরমার-মিটার ব্যাপক ক্ষতি, ক্ষতিগ্রস্ত হাজারো গ্রাহক

কুমিল্লায় বিজিবির অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার

গোদাগাড়ীতে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত