সোনাদিয়ায় কটেজের আড়ালে চলছে মাদকের ব্যবসা
কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার জীববৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ সোনাদিয়া দ্বীপে পর্যটনের আড়ালে কটেজ ভিত্তিক অপরাধপ্রবণতা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। ঝাউবন উজাড় করে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা ক্যাম্প-ফায়ার নামের একটি কটেজে হাত বাড়ালেই মিলছে ইয়াবা, মদ, নারীসহ নানা ধরনের মাদকদ্রব্য- এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। সমুদ্রের বালিয়াড়িতে তাবুতে রাত্রিযাপনের নানা ‘প্যাকেজ সুবিধা’র আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন দিয়ে পর্যটকদের আকৃষ্ট করা হলেও বাস্তবে উক্ত কটেজে পর্যটনের আড়ালে মাদক ও নারী ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এরই ধারাবাহিকতায় ১ জানুয়ারি রাতে সোনাদিয়ার ক্যাম্প-ফায়ার এই কটেজ থেকে এক নারীকে অপহরণ করে জোরপূর্বক মদ্যপান করানো এবং ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ সামনে আসে। ভুক্তভোগী নারী লালমনিরহাট জেলার বাসিন্দা। তিনি ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশের সহায়তা কামনা করেন। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে স্থানীয় চৌকিদার, ইউপি সদস্য ও এলাকাবাসীর সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় সুত্রে জানাযায়, সোনাদিয়ার নাগু মেম্বারের ছেলে রাকিব ও এখলাছ মিয়া ছেলে শামীমের মালিকানাধীন ‘ক্যাম্পফায়ারে এসব ব্যবসা দীর্ঘদিনের। তাদের ভয়ে মুখ খুলতে পারছেনা কেউ।অনেকে মুখ খুলতে চাইলেও তাদের মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে থামিয়ে। তাদের কর্টেজে চলমান এসব কর্মকাণ্ড আশে পাশের পরিবেশ নষ্ট'সহ অপরাধ প্রবনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করলে তারা অপরাধের মাত্রা ছাড়িয়ে যাবে।
সোনাদিয়ায় রাত্রিযাপন করতে আসা কয়েকজন স্থানীয় পর্যটক অভিযোগ করে বলেন, “সোনাদিয়ার কটেজে যা চাইবেন তাই পাওয়া যায়- নারী, ইয়াবা, মদ। কটেজ পরিচালকেরাই এসবের ব্যবস্থা করে দেয়। পর্যটনের নামে এখানে মূলত মাদক ও নারী ব্যবসা চলছে। নেই কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা। লালমনির হাটের মেয়েটির সঙ্গে যা ঘটেছে, তা নতুন নয়। এখানে এমন ঘটনা নিয়মিত ঘটে, কিন্তু বেশিরভাগই চাপা পড়ে যায়। প্রশাসন কঠোর ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ ঘটনা ঘটবে।”
এদিকে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে, সোনাদিয়া দ্বীপে ঝাউবন উজাড় করে সরকারি জমি দখলের মাধ্যমে গড়ে ওঠা কটেজটি অবৈধভাবে পরিচালিত হচ্ছে। এসব কটেজে নেই কোনো নিবন্ধন, নজরদারি বা নিরাপত্তা ব্যবস্থা। স্বামী–স্ত্রী না হলেও কোনো যাচাই-বাছাই ও পর্যটক আসা যাওয়ার রেজিস্টার ছাড়াই যুগল হিসেবে একসঙ্গে রাত্রিযাপনের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। ফলে দ্বীপটি ক্রমেই অনৈতিক কর্মকাণ্ডের নিরাপদ আশ্রয়স্থলে পরিণত হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের নীরবতা ও কার্যকর তদারকির অভাবে কটেজেটিতে প্রকাশ্যে মাদক সেবন, অসামাজিক কার্যকলাপ এবং নারীদের চরম নিরাপত্তাহীনতার পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এর ফলে একদিকে দ্বীপের সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয় ঘটছে, অন্যদিকে পর্যটনের নামে সোনাদিয়ার পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য ও সুনাম মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছে। দ্রুত কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপ না নেওয়া হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল।
এ বিষয়ে মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুজিবুর রহমান বলেন, “সোনাদিয়ায় ক্যাম্প-ফায়ার নামের কটেজটির বিরোদ্ধ অনেকেই অভিযোগ করেছে।বিষয়টি উপরে মহলকে জানানো হয়েছে,অনুমতি পেলেই বড় একটি অভিযান চালাব।
এমএসএম / এমএসএম
মায়ের মুক্তি চেয়ে ৮ বছরের শিশুর নীরব আকুতি, কোটালীপাড়ায় ইউএনও কার্যালয়ের সামনে অবস্থান
মাদক যেন ফেরিওয়ালার বাদাম, হাত বাড়ালেই মিলছে
বিলাইছড়িতে কৃষি অফিস কর্তৃক চারা বিতরণ
যাত্রীবাহী বাস–মোটরসাইকেল সংঘর্ষে দুই বন্ধু নিহত,আহত ১
শিক্ষাছুটি শেষে কর্মস্থলে না ফেরায় গোবিপ্রবির ১৬ শিক্ষক চাকরিচ্যুত
দামুড়হুদার নবাগত ইউএনও হিসেবে লাভলী ইয়াসমিনের যোগদান
আওয়ামী লীগ নেতা সিরাজুল আলম ঝন্টুর ইন্তেকাল
ব্র্যাক পটুয়াখালী মাইক্রোফাইনান্স (দাবি+)কর্মসূচির উদ্যোগে ব্র্যাক হ্যাচারির মাছের পোনা অবমুক্ত করন
ঠাকুরগাঁওয়ে বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নারী নিহত, আহত ২
সিংড়ায় বিনামূল্যে কৃষি প্রণোদনা ও চারা বিতরণ
তাড়াশে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন
পাঁচবিবি বিএম কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান